ঢাকা ১২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামে শিপইয়ার্ডে ১০ শ্রমিকের মৃত্যু : মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:৫৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাহাজ কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাসে ১০ জন শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় গুরুতর গাফিলতি পেয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। এ ঘটনায় ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজের মালিকের বিরুদ্ধে ‘দ্য শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইক্লিং রুলস-২০১১’ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) শিল্প মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, দুর্ঘটনার সময় শ্রমিকদের গ্যাস মাস্ক বা স্বয়ংসম্পূর্ণ শ্বাসযন্ত্র দেওয়া হয়নি। উদ্ধার কাজে অংশ নেওয়া শ্রমিকরাও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়া ট্যাংকে প্রবেশ করেন। ইয়ার্ডে সেফটি ম্যানেজার, অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক কিংবা জরুরি উদ্ধারকারী দলও ছিল না।

গত ১৪ আগস্ট ভাটিয়ারি ইউনিয়নের ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজের ইয়ার্ডে ‘এমটি রাসি’ নামের স্ক্র্যাপ জাহাজের ব্যালাস্ট ট্যাংক কাটার সময় হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে ৯ জন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, দুর্ঘটনার দিনের শ্রমিক তালিকার সঙ্গে অনুমোদিত তালিকায় গরমিল ছিল। জাহাজটির গ্যাস-ফ্রি সনদেও যথাযথভাবে হাইড্রোজেন সালফাইড ও কার্বন মনোক্সাইড পরীক্ষা করা হয়নি। শুধু অক্সিজেন ও দাহ্য গ্যাসের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়েছিল।

এ ছাড়া ইয়ার্ডটির পরিবেশগত ছাড়পত্রের মেয়াদ ১২ আগস্ট শেষ হলেও তা নবায়ন না করে কার্যক্রম চলছিল। দুর্ঘটনার খবর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে জানাতেও বিলম্ব করা হয়।

তদন্ত কমিটির মতে, জাহাজের ব্যালাস্ট ট্যাংকে দীর্ঘদিন জমে থাকা পানি, কাদা ও জৈব পদার্থ থেকে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস তৈরি হয়। ১৪ আগস্ট ট্যাংকে ছিদ্র করার সময় ওই গ্যাস বের হয়ে শ্রমিকদের অচেতন করে ফেলে।

চট্টগ্রামে শিপইয়ার্ডে ১০ শ্রমিকের মৃত্যু : মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

প্রকাশিত : ০৮:৫৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাহাজ কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাসে ১০ জন শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় গুরুতর গাফিলতি পেয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি। এ ঘটনায় ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজের মালিকের বিরুদ্ধে ‘দ্য শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইক্লিং রুলস-২০১১’ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) শিল্প মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, দুর্ঘটনার সময় শ্রমিকদের গ্যাস মাস্ক বা স্বয়ংসম্পূর্ণ শ্বাসযন্ত্র দেওয়া হয়নি। উদ্ধার কাজে অংশ নেওয়া শ্রমিকরাও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়া ট্যাংকে প্রবেশ করেন। ইয়ার্ডে সেফটি ম্যানেজার, অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক কিংবা জরুরি উদ্ধারকারী দলও ছিল না।

গত ১৪ আগস্ট ভাটিয়ারি ইউনিয়নের ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজের ইয়ার্ডে ‘এমটি রাসি’ নামের স্ক্র্যাপ জাহাজের ব্যালাস্ট ট্যাংক কাটার সময় হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাসে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে ৯ জন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, দুর্ঘটনার দিনের শ্রমিক তালিকার সঙ্গে অনুমোদিত তালিকায় গরমিল ছিল। জাহাজটির গ্যাস-ফ্রি সনদেও যথাযথভাবে হাইড্রোজেন সালফাইড ও কার্বন মনোক্সাইড পরীক্ষা করা হয়নি। শুধু অক্সিজেন ও দাহ্য গ্যাসের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়েছিল।

এ ছাড়া ইয়ার্ডটির পরিবেশগত ছাড়পত্রের মেয়াদ ১২ আগস্ট শেষ হলেও তা নবায়ন না করে কার্যক্রম চলছিল। দুর্ঘটনার খবর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে জানাতেও বিলম্ব করা হয়।

তদন্ত কমিটির মতে, জাহাজের ব্যালাস্ট ট্যাংকে দীর্ঘদিন জমে থাকা পানি, কাদা ও জৈব পদার্থ থেকে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস তৈরি হয়। ১৪ আগস্ট ট্যাংকে ছিদ্র করার সময় ওই গ্যাস বের হয়ে শ্রমিকদের অচেতন করে ফেলে।