ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর স্বাধীন নজরদারির আহ্বান ফলকার তুর্কের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৩:৩০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশে নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর ওপর তদারকির জন্য একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গঠনের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক।

সোমবার (৭ সে‌প্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া বক্তৃতায় ফলকার তুর্ক বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এ আহ্বান জানান।

ফলকার তুর্ক বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর কাজের ওপর নজরদারি করতে পারে–এমন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান আমরা জানিয়ে আসছি।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের সময় গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষ্যে ৪৪টি সুপারিশ করা হয়।

এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ড তদারকিতে স্বাধীন নজরদারির ওপর গুরুত্বারোপের পাশাপাশি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় স্বাধীন তদন্ত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, বেসামরিক নজরদারি ও জবাবদিহির ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুপারিশ ছিল।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর স্বাধীন নজরদারির আহ্বান ফলকার তুর্কের

প্রকাশিত : ০৩:৩০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশে নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর ওপর তদারকির জন্য একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গঠনের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক।

সোমবার (৭ সে‌প্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া বক্তৃতায় ফলকার তুর্ক বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এ আহ্বান জানান।

ফলকার তুর্ক বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর কাজের ওপর নজরদারি করতে পারে–এমন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান আমরা জানিয়ে আসছি।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের সময় গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষ্যে ৪৪টি সুপারিশ করা হয়।

এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকাণ্ড তদারকিতে স্বাধীন নজরদারির ওপর গুরুত্বারোপের পাশাপাশি গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় স্বাধীন তদন্ত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, বেসামরিক নজরদারি ও জবাবদিহির ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুপারিশ ছিল।