ঢাকা ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় একই পরিবারের ৬ জনের যাবজ্জীবন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:০১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩৫১ বার দেখা হয়েছে

পিরোজপুরে আবুল কালাম শরীফ নামে একজনকে হত্যার দায়ে ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদেরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি একজনকে ২ বছরের কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া, অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় একজনকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন আদালত এবং মামলা চলাকালীন একজনের মৃত্যু হয়।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মজিবুর রহমান দুই আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

‎রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ওয়াহিদ হাসান বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‎দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন—পিরোজপুর সদর উপজেলার ঝনঝনিয়া গ্রামের মো. হানিফ শরীফের ছেলে এজাজা শরীফ (৩৮), একই গ্রামের হাবিব শরীফের ছেলে মো. আক্কাস শরীফ (৬৩), জবেদ আলী শরীফের ছেলে সাখায়েত শরীফ (৫১), আক্কাস শরীফের স্ত্রী শেফালী বেগম (৫৬), সাখায়েত শরীফের স্ত্রী হ্যাপি বেগম (৩৯), এজাজ শরীফের স্ত্রী লিমা বেগম (৩১) হানিফ শরীফের ছেলে মো. এমরান (৩৯)। এর মধ্যে মো. এমরানকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুর সদর উপজেলার ঝনঝনিয়া গ্রামের মৃত সাইজ উদ্দিন শরীফের নামে জেয়াফত খাওয়ানোর বিষয় নিয়ে সাইজ উদ্দিন শরীফের সন্তানদের সঙ্গে আসামিদের বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে ২০১৪ সালের ১০ জুলাই রাতে ভুক্তভোগী আবুল কালাম শরীফ আসামি আক্কাস শরীফের বাড়ির সামনে থেকে আসার সময় আসামিরা তার ওপর হামলা চালান। এ সময় আসামিরা আবুল কালাম শরীফকে খুনের উদ্দেশে মাথায় কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা ভুক্তভোগী আবুল কালাম শরীফকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরদিন ২০১৪ সালের ১১ জুলাই নিহতের ভাই হাকিম শরীফ বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরের বছর ২০১৫ সালের ৪ মে পিরোজপুর সদর থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাবিবুল্লাহ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এ রায় ঘোষণা করেন।

‎রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ওয়াহিদ হাসান বাবু বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত ৬ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও একজনকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একজনকে খালাস প্রদান করেন।

 

বয়লার বিস্ফোরণে মিরসরাইয়ে কেমিক্যাল কারখানায় আগুন

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় একই পরিবারের ৬ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত : ১১:০১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পিরোজপুরে আবুল কালাম শরীফ নামে একজনকে হত্যার দায়ে ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদেরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি একজনকে ২ বছরের কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া, অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় একজনকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন আদালত এবং মামলা চলাকালীন একজনের মৃত্যু হয়।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মজিবুর রহমান দুই আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

‎রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ওয়াহিদ হাসান বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

‎দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন—পিরোজপুর সদর উপজেলার ঝনঝনিয়া গ্রামের মো. হানিফ শরীফের ছেলে এজাজা শরীফ (৩৮), একই গ্রামের হাবিব শরীফের ছেলে মো. আক্কাস শরীফ (৬৩), জবেদ আলী শরীফের ছেলে সাখায়েত শরীফ (৫১), আক্কাস শরীফের স্ত্রী শেফালী বেগম (৫৬), সাখায়েত শরীফের স্ত্রী হ্যাপি বেগম (৩৯), এজাজ শরীফের স্ত্রী লিমা বেগম (৩১) হানিফ শরীফের ছেলে মো. এমরান (৩৯)। এর মধ্যে মো. এমরানকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুর সদর উপজেলার ঝনঝনিয়া গ্রামের মৃত সাইজ উদ্দিন শরীফের নামে জেয়াফত খাওয়ানোর বিষয় নিয়ে সাইজ উদ্দিন শরীফের সন্তানদের সঙ্গে আসামিদের বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে ২০১৪ সালের ১০ জুলাই রাতে ভুক্তভোগী আবুল কালাম শরীফ আসামি আক্কাস শরীফের বাড়ির সামনে থেকে আসার সময় আসামিরা তার ওপর হামলা চালান। এ সময় আসামিরা আবুল কালাম শরীফকে খুনের উদ্দেশে মাথায় কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা ভুক্তভোগী আবুল কালাম শরীফকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরদিন ২০১৪ সালের ১১ জুলাই নিহতের ভাই হাকিম শরীফ বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরের বছর ২০১৫ সালের ৪ মে পিরোজপুর সদর থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাবিবুল্লাহ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এ রায় ঘোষণা করেন।

‎রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ওয়াহিদ হাসান বাবু বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত ৬ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও একজনকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একজনকে খালাস প্রদান করেন।