ঢাকা ০৫:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়ক চার লেনসহ বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:২২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০৯ বার দেখা হয়েছে

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়কে দুর্ঘটনা বৃদ্ধির প্রতিবাদে ও চার লেনের দাবিসহ ১১ দফা দাবি উত্থাপন করে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকালে “আর নয় সড়কে মৃত্যু, শান্তি ও নিরাপদ হোক পথচলা” স্লোগান নিয়ে নীলফামারী শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন আয়োজন করে টিআইবি পরিচালিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ও ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) গ্রুপ। মানববন্ধনের শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

সনাক সভাপতি মো. আকতারুল আলমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. মেসবাহুল হক, ইয়েস আহ্বায়ক তাহমিনুল হক ববী, নীলফামারী প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, জেলা ট্রাক-মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ আজম, গ্রীন ভয়েস জেলা শাখার সভাপতি সাকিল ইসলাম, সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী প্রিয়তা সাহা, ইয়েস এসিজি সমন্বয়ক মো. আব্দুল মোমিন, সনাক সদস্য মো. মিজানুর রহমান লিটু ও নাসিমা বেগম। এছাড়া সনাক, ইয়েস, এসিজি, গণমাধ্যম, বেসরকারি সংস্থা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিক উপস্থিত ছিলেন।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সৈয়দপুর বাস টার্মিনাল থেকে ওয়াপদা মোড় হয়ে নীলফামারী পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়কটি প্রাণঘাতী সড়কে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে উত্তরা ইপিজেড এলাকায় প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করায় সড়কটি দুর্ঘটনার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত। মানববন্ধনে ওয়াপদা মোড় থেকে নীলফামারী পর্যন্ত সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোকে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা ঘোষণা, ঝুঁকি ও গতিসীমা নির্দেশক সাইনপোস্ট স্থাপন, সড়ককে দুই লেন থেকে চার লেনে উন্নীতকরণ, স্থায়ী ডিভাইডার স্থাপন এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সড়ক ব্যবস্থাপনা মনিটরিং কমিটি সক্রিয় করা সহ ১১ দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়ক চার লেনসহ বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত : ১০:২২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়কে দুর্ঘটনা বৃদ্ধির প্রতিবাদে ও চার লেনের দাবিসহ ১১ দফা দাবি উত্থাপন করে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকালে “আর নয় সড়কে মৃত্যু, শান্তি ও নিরাপদ হোক পথচলা” স্লোগান নিয়ে নীলফামারী শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন আয়োজন করে টিআইবি পরিচালিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ও ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) গ্রুপ। মানববন্ধনের শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

সনাক সভাপতি মো. আকতারুল আলমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, ছমির উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. মেসবাহুল হক, ইয়েস আহ্বায়ক তাহমিনুল হক ববী, নীলফামারী প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, জেলা ট্রাক-মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ আজম, গ্রীন ভয়েস জেলা শাখার সভাপতি সাকিল ইসলাম, সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী প্রিয়তা সাহা, ইয়েস এসিজি সমন্বয়ক মো. আব্দুল মোমিন, সনাক সদস্য মো. মিজানুর রহমান লিটু ও নাসিমা বেগম। এছাড়া সনাক, ইয়েস, এসিজি, গণমাধ্যম, বেসরকারি সংস্থা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিক উপস্থিত ছিলেন।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সৈয়দপুর বাস টার্মিনাল থেকে ওয়াপদা মোড় হয়ে নীলফামারী পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়কটি প্রাণঘাতী সড়কে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে উত্তরা ইপিজেড এলাকায় প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করায় সড়কটি দুর্ঘটনার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত। মানববন্ধনে ওয়াপদা মোড় থেকে নীলফামারী পর্যন্ত সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোকে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা ঘোষণা, ঝুঁকি ও গতিসীমা নির্দেশক সাইনপোস্ট স্থাপন, সড়ককে দুই লেন থেকে চার লেনে উন্নীতকরণ, স্থায়ী ডিভাইডার স্থাপন এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সড়ক ব্যবস্থাপনা মনিটরিং কমিটি সক্রিয় করা সহ ১১ দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।