ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০ বছর পর ধরা পড়ল দেবীদ্বারে হত্যার মামলার ফাঁসির আসামি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৩:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার দেবীদ্বারে হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত মোরশেদ (৩৯) নামের এক আসামি গ্রেপ্তার করেছে দেবীদ্বার থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি)

দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন, থানা অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান। পরে গ্রেফতারকৃত আসামিকে কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশি সূত্রে জানা যায়, গেল বুধবার সন্ধ্যায় (এস আই) ফিরোজ এর নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার মাশিকাড়া বাজারে অবস্থিত নিজ ফার্নিচারের দোকান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোরশেদ উপজেলার কাশারীখোলা গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, প্রায় ২০ বছর আগে ২০০৬ সালের ১ মে কুমিল্লা কোতয়ালী থানার সাতোরা গ্রামে রিয়াদ নামের ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর হত্যা মামলার আসামি ছিলেন মোরশেদ।
ওই মামলায় ২০২৩ সালে আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ফাঁসির দণ্ডসহ ৩০ হাজার টাকা জরিমানার রায় প্রদান করেন।
এ ব্যাপারে মোরশেদের স্ত্রী জানান, তার স্বামী কোন মামলার আসামি ছিলেন তিনি এবং তার পরিবারের কেউ জানতেন না।
মোরশেদের বড় ভাই খোরশেদ আলম জানান, ওরা স্বপরিবারে জীবিকার তাগিদে কুমিল্লা শহরের সাতোরা গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকতেন। ওখানে তাদের মামার বাড়ি ছিল।

এখন ওই এলাকায় মামাদের কেউ নেই। ওই সময় রিয়াদ নামের এক কিশোরের মরদেহ খুঁজে পায় পুলিশ। তখন জানতে পারি, স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছিল। ওই ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করে কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
আমরা ঘটনার পর গ্রামের বাড়িতে চলে আসি। আমরা ৩ ভাইয়ের মধ্যে মেজো ভাই ইসমাইল প্রবাসে আছেন, আমরা দুই ভাই দেশে ছিলাম। আমার ভাই হত্যা মামলার আসামি, কিংবা ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, আমরা কেন আমার ভাই নিজেও জানে না।
আমরা থানায় এসেই জানতে পারি, আমার ভাইয়ের হত্যা মামলায় ৩ বছর আগেই ফাঁসির রায় হয়েছে।
এ ব্যাপারে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান
জানান ২০২৩ সালে মোরশেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার একটি কাগজ পাই। তিনি একটি হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডসহ ৩০ হাজার টাকা জরিমানার রায় নিয়ে পলাতক ছিলেন। বুধবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে থানায় নিয়ে আসি। তার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, তার বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় হয়েছে সে জানে না। আমরাও তাকে ফাঁসির কথা জানাইনি। হঠাৎ ফাঁসির সংবাদ শুনে হার্ট অ্যাটাক করলে,কথা উঠবে পুলিশ হেফাজতে হার্ট অ্যাটাক করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

২০ বছর পর ধরা পড়ল দেবীদ্বারে হত্যার মামলার ফাঁসির আসামি

প্রকাশিত : ০৩:৫৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার দেবীদ্বারে হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত মোরশেদ (৩৯) নামের এক আসামি গ্রেপ্তার করেছে দেবীদ্বার থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি)

দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন, থানা অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান। পরে গ্রেফতারকৃত আসামিকে কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশি সূত্রে জানা যায়, গেল বুধবার সন্ধ্যায় (এস আই) ফিরোজ এর নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার মাশিকাড়া বাজারে অবস্থিত নিজ ফার্নিচারের দোকান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোরশেদ উপজেলার কাশারীখোলা গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, প্রায় ২০ বছর আগে ২০০৬ সালের ১ মে কুমিল্লা কোতয়ালী থানার সাতোরা গ্রামে রিয়াদ নামের ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর হত্যা মামলার আসামি ছিলেন মোরশেদ।
ওই মামলায় ২০২৩ সালে আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ফাঁসির দণ্ডসহ ৩০ হাজার টাকা জরিমানার রায় প্রদান করেন।
এ ব্যাপারে মোরশেদের স্ত্রী জানান, তার স্বামী কোন মামলার আসামি ছিলেন তিনি এবং তার পরিবারের কেউ জানতেন না।
মোরশেদের বড় ভাই খোরশেদ আলম জানান, ওরা স্বপরিবারে জীবিকার তাগিদে কুমিল্লা শহরের সাতোরা গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকতেন। ওখানে তাদের মামার বাড়ি ছিল।

এখন ওই এলাকায় মামাদের কেউ নেই। ওই সময় রিয়াদ নামের এক কিশোরের মরদেহ খুঁজে পায় পুলিশ। তখন জানতে পারি, স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছিল। ওই ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করে কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
আমরা ঘটনার পর গ্রামের বাড়িতে চলে আসি। আমরা ৩ ভাইয়ের মধ্যে মেজো ভাই ইসমাইল প্রবাসে আছেন, আমরা দুই ভাই দেশে ছিলাম। আমার ভাই হত্যা মামলার আসামি, কিংবা ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, আমরা কেন আমার ভাই নিজেও জানে না।
আমরা থানায় এসেই জানতে পারি, আমার ভাইয়ের হত্যা মামলায় ৩ বছর আগেই ফাঁসির রায় হয়েছে।
এ ব্যাপারে দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান
জানান ২০২৩ সালে মোরশেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার একটি কাগজ পাই। তিনি একটি হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডসহ ৩০ হাজার টাকা জরিমানার রায় নিয়ে পলাতক ছিলেন। বুধবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে থানায় নিয়ে আসি। তার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, তার বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় হয়েছে সে জানে না। আমরাও তাকে ফাঁসির কথা জানাইনি। হঠাৎ ফাঁসির সংবাদ শুনে হার্ট অ্যাটাক করলে,কথা উঠবে পুলিশ হেফাজতে হার্ট অ্যাটাক করেছে।