ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

মৎস্য বন্দর মহিপুরে এক ট্রলারে ধরা পড়লো ৪০ পিস কোরাল, পৌনে দুই লক্ষ টাকা বিক্রি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:৫৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর মৎস্য বন্দর মহিপুরের এক ট্রলারে ধরা পড়েছে ৪০ পিস সামুদ্রিক কোরাল মাছ। দীর্ঘদিন মাছের আকাল, নিষেধাজ্ঞা ও জ্বালানি সংকটে দিশেহারা জেলেদের মাঝে এতে ফিরে এসেছে স্বস্তি। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে মাছগুলো মহিপুর মৎস্য বন্দরে নিয়ে আসেন ট্রলারটির মাঝি কাদের ও তার সঙ্গীরা। পরে নিলামের মাধ্যমে প্রতি মণ ৪৯ হাজার টাকা দরে সাড়ে তিন মণ মাছ মোট ১ লাখ ৭১ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। প্রতি কেজি কোরাল মাছের দাম দাঁড়ায় প্রায় ১,২২৫ টাকা।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন পর একসাথে এত কোরাল মাছ ধরা পড়ায় সকাল থেকেই মৎস্য বন্দরে উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এমার্কেটে একসঙ্গে এতো কোরাল মাছ খুবই কম আসে। অনেকেই কোরাল মাছের এ দৃশ্য দেখতে ভিড় করেন মার্কেটে।
ট্রলারের মাঝি কাদের বলেন, দীর্ঘদিন পরে এত কোরাল মাছ পেয়ে আমরা খুবই খুশি। প্রায় দুই মাস পর ভালো কিছু মাছ পেলাম। সাগরে পাইনা না মাছ তারমধ্যে এখন আবার তেলের সংকট তারমধ্যে এই মাছ কটা পেয়ে আমাদের কষ্ট কিছুটা হলেও কমবে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, সাগরে বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক কারণে মাছের প্রাপ্যতা কমে যায়। তবে নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালন করায় মাছের উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়ছে। জেলেদের ধৈর্য ধরে নিয়ম মেনে মাছ ধরতে হবে। তাহলে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল পাওয়া যাবে।তিনি আরও বলেন, কোরাল মাছ একটি মূল্যবান প্রজাতি। এ ধরনের মাছ বেশি ধরা পড়া সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত।
জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

মৎস্য বন্দর মহিপুরে এক ট্রলারে ধরা পড়লো ৪০ পিস কোরাল, পৌনে দুই লক্ষ টাকা বিক্রি

প্রকাশিত : ০৯:৫৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর মৎস্য বন্দর মহিপুরের এক ট্রলারে ধরা পড়েছে ৪০ পিস সামুদ্রিক কোরাল মাছ। দীর্ঘদিন মাছের আকাল, নিষেধাজ্ঞা ও জ্বালানি সংকটে দিশেহারা জেলেদের মাঝে এতে ফিরে এসেছে স্বস্তি। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে মাছগুলো মহিপুর মৎস্য বন্দরে নিয়ে আসেন ট্রলারটির মাঝি কাদের ও তার সঙ্গীরা। পরে নিলামের মাধ্যমে প্রতি মণ ৪৯ হাজার টাকা দরে সাড়ে তিন মণ মাছ মোট ১ লাখ ৭১ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। প্রতি কেজি কোরাল মাছের দাম দাঁড়ায় প্রায় ১,২২৫ টাকা।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন পর একসাথে এত কোরাল মাছ ধরা পড়ায় সকাল থেকেই মৎস্য বন্দরে উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এমার্কেটে একসঙ্গে এতো কোরাল মাছ খুবই কম আসে। অনেকেই কোরাল মাছের এ দৃশ্য দেখতে ভিড় করেন মার্কেটে।
ট্রলারের মাঝি কাদের বলেন, দীর্ঘদিন পরে এত কোরাল মাছ পেয়ে আমরা খুবই খুশি। প্রায় দুই মাস পর ভালো কিছু মাছ পেলাম। সাগরে পাইনা না মাছ তারমধ্যে এখন আবার তেলের সংকট তারমধ্যে এই মাছ কটা পেয়ে আমাদের কষ্ট কিছুটা হলেও কমবে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, সাগরে বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক কারণে মাছের প্রাপ্যতা কমে যায়। তবে নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালন করায় মাছের উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়ছে। জেলেদের ধৈর্য ধরে নিয়ম মেনে মাছ ধরতে হবে। তাহলে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল পাওয়া যাবে।তিনি আরও বলেন, কোরাল মাছ একটি মূল্যবান প্রজাতি। এ ধরনের মাছ বেশি ধরা পড়া সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত।