ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে অটোরিকশা চালককে হত্যার অভিযোগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:৩৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৮৫ বার দেখা হয়েছে
‎লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ ‎লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জে ফরহাদ হোসেন (৩০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে বাড়ির পাশের একটি ফসলি মাঠ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
‎নিহত ফরহাদ সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চরমনসা গ্রামের মো. দিদার হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন এবং এক সন্তানের জনক।
‎পরিবারের অভিযোগ, পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে এক ব্যক্তি মোবাইলফোনে ফরহাদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি। পরদিন ভোরে তার মোবাইল ফোনে কল করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে সকালে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের একটি ফসলি জমিতে তার মরদেহ পড়ে থাকার খবর পান পরিবারের সদস্যরা।
‎নিহতের স্ত্রী নার্গিস বেগম দাবি করেন, টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করেই তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, দুর্বৃত্তরা ফরহাদের ডান চোখ উপড়ে ফেলে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে।
‎এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ফার্মিক স্টিলের ফার্নেসে দুর্ঘটনা মিরসরাইয়ে, চীনা নাগরিকসহ আহত ৪

লক্ষ্মীপুরে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে অটোরিকশা চালককে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশিত : ০৮:৩৮:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
‎লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ ‎লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জে ফরহাদ হোসেন (৩০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে বাড়ির পাশের একটি ফসলি মাঠ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
‎নিহত ফরহাদ সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চরমনসা গ্রামের মো. দিদার হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন এবং এক সন্তানের জনক।
‎পরিবারের অভিযোগ, পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে এক ব্যক্তি মোবাইলফোনে ফরহাদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর তিনি আর ফিরে আসেননি। পরদিন ভোরে তার মোবাইল ফোনে কল করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে সকালে বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরের একটি ফসলি জমিতে তার মরদেহ পড়ে থাকার খবর পান পরিবারের সদস্যরা।
‎নিহতের স্ত্রী নার্গিস বেগম দাবি করেন, টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করেই তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, দুর্বৃত্তরা ফরহাদের ডান চোখ উপড়ে ফেলে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে।
‎এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।