ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুমকিতে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ উপড়ে দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিধ্বস্ত, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:১২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • ১১৩ বার দেখা হয়েছে

জাহিদুল ইসলাম,দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ উপড়ে পড়ে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিধ্বস্ত হয়েছে। শনিবার বিকেল ৩টার দিকে আকস্মিক ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার হাসপাতাল সড়কে একটি বিশাল চাম্বল গাছ উপড়ে পাশের দুটি দোকান ঘরের ওপর পড়ে এ ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে ঝড়ের আগাম আভাস পেয়ে দোকান মালিকরা দোকান তালাবদ্ধ করে বাড়ি চলে যাওয়ায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, গাছের নিচে চাপা পড়ে দোকান ঘর দুটি চুরমার হয়ে যায়। এতে দোকানে থাকা ফ্রিজসহ বিভিন্ন মালামাল নষ্ট হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন মুদি দোকানি সৈয়দ নিজাম ও ব্যবসায়ী সৈয়দ আবুল কাসেম।


একই সময়ে উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের কদমতলা বাজারেও গাছ উপড়ে একটি দোকানঘর বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সেখানেও কেউ হতাহত হয়নি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা উপড়ে পড়া, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। ঝড়ের তীব্রতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দোকানের মালামাল নষ্ট হওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
স্থানীয়রা খবর দিলে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি দল এসে বিশালাকৃতির চাম্বল গাছটি দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করে।

জার্সিতে ১৪৮ স্পনসর আর্থিক সংকট কাটাতে

দুমকিতে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ উপড়ে দুই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিধ্বস্ত, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশিত : ০৯:১২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

জাহিদুল ইসলাম,দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে গাছ উপড়ে পড়ে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিধ্বস্ত হয়েছে। শনিবার বিকেল ৩টার দিকে আকস্মিক ঝড়ের তাণ্ডবে উপজেলার হাসপাতাল সড়কে একটি বিশাল চাম্বল গাছ উপড়ে পাশের দুটি দোকান ঘরের ওপর পড়ে এ ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে ঝড়ের আগাম আভাস পেয়ে দোকান মালিকরা দোকান তালাবদ্ধ করে বাড়ি চলে যাওয়ায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, গাছের নিচে চাপা পড়ে দোকান ঘর দুটি চুরমার হয়ে যায়। এতে দোকানে থাকা ফ্রিজসহ বিভিন্ন মালামাল নষ্ট হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন মুদি দোকানি সৈয়দ নিজাম ও ব্যবসায়ী সৈয়দ আবুল কাসেম।


একই সময়ে উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের কদমতলা বাজারেও গাছ উপড়ে একটি দোকানঘর বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সেখানেও কেউ হতাহত হয়নি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছপালা উপড়ে পড়া, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। ঝড়ের তীব্রতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি সহায়তা ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দোকানের মালামাল নষ্ট হওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
স্থানীয়রা খবর দিলে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি দল এসে বিশালাকৃতির চাম্বল গাছটি দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করে।