ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

তেঁতুলিয়ায় বালু মহালের ইজারা বন্ধের দাবিতে ইউএনওকে লিখিত আবেদন, ভাঙন আতঙ্কে এলাকাবাসী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:২৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন কবলিত এলাকায় বালু উত্তোলনের জন্য বালু মহালের ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অস্তিত্বহীন বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর ডুবোচরের নাম ব্যবহার করে তেঁতুলিয়া নদী থেকে বালু উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে নদীভাঙনের ঝুঁকি আরও বাড়বে এবং হাজারো মানুষের বসতভিটা ও ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়বে।
রোববার বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ আবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ইজারার নোটিশ প্রকাশের পর থেকেই ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ লিখিত আবেদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। বিষয়টি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে জনকল্যাণমুখী সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।


উপজেলা ভূমি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা বালুমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১১ জুন নিমদী লঞ্চঘাট এলাকায় বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর ডুবা বালু মহালের প্রকাশ্য ইজারা আহ্বান করা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, বাউফলে বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর কোনো অস্তিত্ব নেই। তেঁতুলিয়া নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ইতোমধ্যে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ তাতেরকাঠী, নিমদী, চরনিমদী, ধানদী, চরধানদী, বড় ডালিমা ও কচুয়া গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এ অবস্থায় বালু উত্তোলন শুরু হলে ভাঙনের তীব্রতা আরও বাড়বে।
ভুক্তভোগী মো. রুবেল বলেন, “বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর নামে তেঁতুলিয়া থেকে বালু উত্তোলনের উদ্যোগ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এই সর্বনাশা সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, অন্যথায় এলাকাবাসী উপজেলা ঘেরাও কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব জানান, বাউফল অংশে বুড়াগৌরাঙ্গ নদী নেই, সেখানে রয়েছে ভাঙনপ্রবণ তেঁতুলিয়া নদী। এ এলাকায় বালু উত্তোলন করলে নদীভাঙনের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি জানান, ধুলিয়া অংশে নিমদী, ধানদী ও বড় ডালিমা এলাকায় জিওব্যাগ ফেলার পাশাপাশি স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।

তেঁতুলিয়ায় বালু মহালের ইজারা বন্ধের দাবিতে ইউএনওকে লিখিত আবেদন, ভাঙন আতঙ্কে এলাকাবাসী

প্রকাশিত : ০৮:২৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন কবলিত এলাকায় বালু উত্তোলনের জন্য বালু মহালের ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অস্তিত্বহীন বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর ডুবোচরের নাম ব্যবহার করে তেঁতুলিয়া নদী থেকে বালু উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে নদীভাঙনের ঝুঁকি আরও বাড়বে এবং হাজারো মানুষের বসতভিটা ও ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়বে।
রোববার বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ আবেদন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ইজারার নোটিশ প্রকাশের পর থেকেই ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ লিখিত আবেদন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। বিষয়টি জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে জনকল্যাণমুখী সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।


উপজেলা ভূমি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা বালুমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১১ জুন নিমদী লঞ্চঘাট এলাকায় বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর ডুবা বালু মহালের প্রকাশ্য ইজারা আহ্বান করা হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, বাউফলে বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর কোনো অস্তিত্ব নেই। তেঁতুলিয়া নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ইতোমধ্যে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ তাতেরকাঠী, নিমদী, চরনিমদী, ধানদী, চরধানদী, বড় ডালিমা ও কচুয়া গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এ অবস্থায় বালু উত্তোলন শুরু হলে ভাঙনের তীব্রতা আরও বাড়বে।
ভুক্তভোগী মো. রুবেল বলেন, “বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর নামে তেঁতুলিয়া থেকে বালু উত্তোলনের উদ্যোগ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এই সর্বনাশা সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, অন্যথায় এলাকাবাসী উপজেলা ঘেরাও কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব জানান, বাউফল অংশে বুড়াগৌরাঙ্গ নদী নেই, সেখানে রয়েছে ভাঙনপ্রবণ তেঁতুলিয়া নদী। এ এলাকায় বালু উত্তোলন করলে নদীভাঙনের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি জানান, ধুলিয়া অংশে নিমদী, ধানদী ও বড় ডালিমা এলাকায় জিওব্যাগ ফেলার পাশাপাশি স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।