ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে বয়সসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব জনপ্রশাসনে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিতে দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর এবার আশার আলো দেখছে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩২ বছরে উন্নীত করার পর বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারেও বয়সসীমা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৩৪ বছর করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন মেডিকেল শিক্ষার্থী ও চিকিৎসকরা। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বয়সসীমা বাড়ানোর সুপারিশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি এই দাবিসহ আরও পাঁচ দফা দাবি নিয়ে আন্দোলনে নামেন ইন্টার্ন ও পোস্টগ্রাজুয়েট চিকিৎসকরা। ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সোমবার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে ৯ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সুপারিশপত্র পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি অন্যান্য দাবিগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কমিটি গঠন এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত চাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আন্দোলনরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ও পোস্টগ্রাজুয়েট চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠকে যে ছয়টি বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর প্রত্যেকটি বিষয়ে মঙ্গলবার অফিসিয়াল নোটিশ জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিটিও রয়েছে।

তিনি বলেন, বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে তার অনুমোদনক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে আমার স্বাক্ষর রয়েছে। আশা করছি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়টি যৌক্তিকভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিবে।

স্বাস্থ্য সচিব আরও বলেন, ইন্টার্ন ও পোস্টগ্রাজুয়েট চিকিৎসকদের ভাতা ও বেতন কাঠামো পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস)-এর অধীন কোর্সগুলোর ফি ১১ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার মধ্যে নির্ধারণের দাবির বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

 

বিএনপির হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ: সংসদে অর্থমন্ত্রী

বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে বয়সসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব জনপ্রশাসনে

প্রকাশিত : ০৯:০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিতে দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর এবার আশার আলো দেখছে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ থেকে ৩২ বছরে উন্নীত করার পর বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারেও বয়সসীমা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৩৪ বছর করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন মেডিকেল শিক্ষার্থী ও চিকিৎসকরা। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বয়সসীমা বাড়ানোর সুপারিশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি এই দাবিসহ আরও পাঁচ দফা দাবি নিয়ে আন্দোলনে নামেন ইন্টার্ন ও পোস্টগ্রাজুয়েট চিকিৎসকরা। ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সোমবার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে ৯ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সুপারিশপত্র পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি অন্যান্য দাবিগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কমিটি গঠন এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত চাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আন্দোলনরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ও পোস্টগ্রাজুয়েট চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠকে যে ছয়টি বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর প্রত্যেকটি বিষয়ে মঙ্গলবার অফিসিয়াল নোটিশ জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে বয়সসীমা বাড়ানোর দাবিটিও রয়েছে।

তিনি বলেন, বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে তার অনুমোদনক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে আমার স্বাক্ষর রয়েছে। আশা করছি, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়টি যৌক্তিকভাবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিবে।

স্বাস্থ্য সচিব আরও বলেন, ইন্টার্ন ও পোস্টগ্রাজুয়েট চিকিৎসকদের ভাতা ও বেতন কাঠামো পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস)-এর অধীন কোর্সগুলোর ফি ১১ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকার মধ্যে নির্ধারণের দাবির বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।