ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

বর্জ্য থেকে উৎপাদন হবে বিদ্যুৎ চট্টগ্রামে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:০১:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রামের বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ছাড়া পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ে তোলা সম্ভব নয়। বর্জ্যকে বোঝা নয়, সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে তা থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে উদ্যোগী হতে হবে।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কার্যালয়ে জাপানের জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রতিনিধিরা জানান, জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি প্রকল্প বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

প্রতিনিধিদল জানায়, জাপান-বাংলাদেশ পিপিপি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জাপান সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক সম্মতিও রয়েছে।

মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন করে। এসব বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা না গেলে পরিবেশ দূষণ, জলাবদ্ধতা ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি আরও বাড়বে। তাই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুধু একটি বিদ্যুৎ প্রকল্প নয়, এটি টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার একটি কার্যকর উদ্যোগ।

তিনি বলেন, জাপানের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও বাংলাদেশের বাস্তব প্রয়োজনের সমন্বয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

সিটি করপোরেশনের সূত্র জানায়, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অনুযায়ী প্রতিদিন প্রায় এক হাজার টন বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে ১২ থেকে ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সাক্ষাৎকালে জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন গেন তাকাহাসি, কেন্টা ওহাসি ও ভাস্কর সাহা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন এবং প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী।

বর্জ্য থেকে উৎপাদন হবে বিদ্যুৎ চট্টগ্রামে

প্রকাশিত : ১২:০১:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ছাড়া পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ে তোলা সম্ভব নয়। বর্জ্যকে বোঝা নয়, সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে তা থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে উদ্যোগী হতে হবে।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কার্যালয়ে জাপানের জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রতিনিধিরা জানান, জাপানের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি প্রকল্প বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

প্রতিনিধিদল জানায়, জাপান-বাংলাদেশ পিপিপি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জাপান সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক সম্মতিও রয়েছে।

মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন করে। এসব বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা না গেলে পরিবেশ দূষণ, জলাবদ্ধতা ও জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি আরও বাড়বে। তাই বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুধু একটি বিদ্যুৎ প্রকল্প নয়, এটি টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার একটি কার্যকর উদ্যোগ।

তিনি বলেন, জাপানের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও বাংলাদেশের বাস্তব প্রয়োজনের সমন্বয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

সিটি করপোরেশনের সূত্র জানায়, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অনুযায়ী প্রতিদিন প্রায় এক হাজার টন বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে ১২ থেকে ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সাক্ষাৎকালে জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন গেন তাকাহাসি, কেন্টা ওহাসি ও ভাস্কর সাহা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন এবং প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী।