ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:৪৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মে ও জুন মাসের প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলার আমদানি বিল পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ১৪৯ কোটি ডলার (১.৪৯ বিলিয়ন) সমপরিমাণ অর্থ আকুকে পরিশোধ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাধারণত আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে লেনদেনের জন্য দুই মাস পরপর এ ধরনের বিল পরিশোধ করতে হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দেশের মোট (গ্রোস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলারে এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার। গ্রোস রিজার্ভ ও বিপিএম-৬ এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা সবসময়, প্রকাশ করা হয় না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) বা ব্যয়যোগ্য নিট রিজার্ভ ২৭ দশমিক ৯৩ ডলারে রয়েছে।

প্রতি মাসে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করে এ রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে ৫ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন ভালো অবস্থানে রয়েছে। একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক হলো বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ।

জনপ্রিয় সংবাদ

আকুর বিল পরিশোধ, কমলো রিজার্ভ

প্রকাশিত : ১২:৪৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মে ও জুন মাসের প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলার আমদানি বিল পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ১৪৯ কোটি ডলার (১.৪৯ বিলিয়ন) সমপরিমাণ অর্থ আকুকে পরিশোধ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাধারণত আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে লেনদেনের জন্য দুই মাস পরপর এ ধরনের বিল পরিশোধ করতে হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দেশের মোট (গ্রোস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলারে এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার। গ্রোস রিজার্ভ ও বিপিএম-৬ এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা সবসময়, প্রকাশ করা হয় না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) বা ব্যয়যোগ্য নিট রিজার্ভ ২৭ দশমিক ৯৩ ডলারে রয়েছে।

প্রতি মাসে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করে এ রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে ৫ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন ভালো অবস্থানে রয়েছে। একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক হলো বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ।