ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

হরমুজে হামলায় প্রাণ হারানো নাবিকদের বেশিরভাগ ভারতীয়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৩:০৬:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • ৬৪ বার দেখা হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ। ইরান হরমুজকে নিজেদের আয়ত্ত্বে রাখতে তাদের নির্ধারিত রুটের বাইরে চলা জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র নৌ-অবরোধ আরোপ করার পর যেসব জাহাজ যাওয়ার চেষ্টা করেছে সেগুলোতে হামলা চালিয়েছে।

এতে গত ১ মার্চ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ১৬ জন নাবিক নিহত হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগই ভারতীয় বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, নিহত ১৬ নাবিকের মধ্যে সাতজন ভারতের। যা মোট নিহতের ৪৪ শতাংশ।

এরমধ্যে মার্কিন সেনারা গত ৮ জুন থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এমটি মারিভেক্স, এমটি সেত্তেবেলো, এমটি জালভির নামে তিনটি জাহাজে হামলা চালায়। এতে তিন ভারতীয় নাবিক প্রাণ হারান। অপরদিকে ইরানের হামলায় আরও চারজন নিহত হন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। এর মাত্র একদিন পরই গত ১ মার্চ এক ভারতীয় নাবিক হামলায় নিহত হন। তার জাহাজটি ওমান উপকূলে ছিল।

এছাড়া পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরে হামলার কবলে পড়ে মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়েছিলেন ১৮০ ভারতীয় নাবিক।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজে হামলায় প্রাণ হারানো নাবিকদের বেশিরভাগ ভারতীয়

প্রকাশিত : ০৩:০৬:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ। ইরান হরমুজকে নিজেদের আয়ত্ত্বে রাখতে তাদের নির্ধারিত রুটের বাইরে চলা জাহাজে হামলা চালিয়ে আসছে। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র নৌ-অবরোধ আরোপ করার পর যেসব জাহাজ যাওয়ার চেষ্টা করেছে সেগুলোতে হামলা চালিয়েছে।

এতে গত ১ মার্চ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ১৬ জন নাবিক নিহত হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগই ভারতীয় বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, নিহত ১৬ নাবিকের মধ্যে সাতজন ভারতের। যা মোট নিহতের ৪৪ শতাংশ।

এরমধ্যে মার্কিন সেনারা গত ৮ জুন থেকে ১১ জুন পর্যন্ত এমটি মারিভেক্স, এমটি সেত্তেবেলো, এমটি জালভির নামে তিনটি জাহাজে হামলা চালায়। এতে তিন ভারতীয় নাবিক প্রাণ হারান। অপরদিকে ইরানের হামলায় আরও চারজন নিহত হন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। এর মাত্র একদিন পরই গত ১ মার্চ এক ভারতীয় নাবিক হামলায় নিহত হন। তার জাহাজটি ওমান উপকূলে ছিল।

এছাড়া পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরে হামলার কবলে পড়ে মৃত্যুর ঝুঁকিতে পড়েছিলেন ১৮০ ভারতীয় নাবিক।