ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আফ্রিকা-ক্যানারি রুটে মানবপাচারের শিকার বাংলাদেশিরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৩:০০:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

আফ্রিকার দেশ মৌরিতানিয়া থেকে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে বাংলাদেশিদের পাঠানোর অভিযোগে একটি মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে স্পেনে বিচার শুরু হয়েছে। ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর কথা বলে বাংলাদেশিদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১৩ হাজার ইউরো করে নিতো চক্রটি। তবে ইউরোপে পৌঁছে দেওয়ার বদলে তাদের আটলান্টিক মহাসাগরে ছোট নৌকা কিংবা রাবারের নৌকায় তুলে দেওয়া হতো।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফ্রিকার মানবপাচার চক্রগুলো তাদের অনিয়মিত অভিবাসন ব্যবসা এশিয়ায় সম্প্রসারণের চেষ্টা করছে। এই প্রবণতা মোকাবিলায় স্পেনের পুলিশ মৌরিতানিয়ার জন্দারমেরি বা আধা-সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছে। কয়েক মাস ধরে ক্যানারির এল হিয়েরো ও লানজারোতে আসা নৌকাগুলোতেও এর প্রমাণ পাওয়া যায়।

এসব নৌকায় শুধু মালি, সেনেগাল বা গাম্বিয়ার নাগরিকরাই নন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নাগরিকরাও ছিলেন।

এই ধরনের একটি বড় অভিযানের মাধ্যমে ভেঙে দেওয়া এক মানবপাচারকারী চক্রের মামলার বিচার বুধবার লাস পালমাস আদালতে শুরু হয়েছে। এই চক্রটির নেতৃত্বে ছিলেন ‘মাস্টারমাইন্ড’ নামে পরিচিত এক বাংলাদেশি নাগরিক। মৌরিতানিয়ায় তার একাধিক রেস্তোরাঁ ছিল।

৫২ বছর বয়সী মোহামেদ এসএসকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মৌরিতানিয়ার কর্তৃপক্ষ স্পেনের কাছে হস্তান্তর করে।

স্পেনের পুলিশ তাকে ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মৌরিতানিয়া, সাহারা ও মরক্কো থেকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের উদ্দেশে ৭৩টি নৌযান পাঠানোর অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে। এসব নৌযানে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ মানুষ ছিলেন। এছাড়া সমুদ্রে আরও ১৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রথমে মৌরিতানিয়া, আলজেরিয়া বা মরক্কোতে প্রবেশের ব্যবস্থা করা এবং পরে তাদের স্পেনে পাঠানোর পরিকল্পনা ও সহায়তা করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

২০২২ সালের অক্টোবরে গ্রান কানারিয়ায় এসএমকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টা আগে তিনিও একটি ছোট নৌকায় করে ওই দ্বীপে পৌঁছেছিলেন। নৌযাত্রার এক সহযাত্রী এবং দুই বছর আগে দ্বীপটিতে উদ্ধার হওয়া আরেক অভিবাসনপ্রত্যাশী তাকে শনাক্ত করেন। তারা দুজনই জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে পৌঁছানোর জন্য তারা এসএমের সংগঠনকে অর্থ দিয়েছিলেন।

 

হোয়াইট হাউজে ঢুকতে পারলেন না সিএনএনের সাংবাদিক

আফ্রিকা-ক্যানারি রুটে মানবপাচারের শিকার বাংলাদেশিরা

প্রকাশিত : ০৩:০০:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আফ্রিকার দেশ মৌরিতানিয়া থেকে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে বাংলাদেশিদের পাঠানোর অভিযোগে একটি মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে স্পেনে বিচার শুরু হয়েছে। ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর কথা বলে বাংলাদেশিদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১৩ হাজার ইউরো করে নিতো চক্রটি। তবে ইউরোপে পৌঁছে দেওয়ার বদলে তাদের আটলান্টিক মহাসাগরে ছোট নৌকা কিংবা রাবারের নৌকায় তুলে দেওয়া হতো।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফ্রিকার মানবপাচার চক্রগুলো তাদের অনিয়মিত অভিবাসন ব্যবসা এশিয়ায় সম্প্রসারণের চেষ্টা করছে। এই প্রবণতা মোকাবিলায় স্পেনের পুলিশ মৌরিতানিয়ার জন্দারমেরি বা আধা-সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছে। কয়েক মাস ধরে ক্যানারির এল হিয়েরো ও লানজারোতে আসা নৌকাগুলোতেও এর প্রমাণ পাওয়া যায়।

এসব নৌকায় শুধু মালি, সেনেগাল বা গাম্বিয়ার নাগরিকরাই নন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নাগরিকরাও ছিলেন।

এই ধরনের একটি বড় অভিযানের মাধ্যমে ভেঙে দেওয়া এক মানবপাচারকারী চক্রের মামলার বিচার বুধবার লাস পালমাস আদালতে শুরু হয়েছে। এই চক্রটির নেতৃত্বে ছিলেন ‘মাস্টারমাইন্ড’ নামে পরিচিত এক বাংলাদেশি নাগরিক। মৌরিতানিয়ায় তার একাধিক রেস্তোরাঁ ছিল।

৫২ বছর বয়সী মোহামেদ এসএসকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মৌরিতানিয়ার কর্তৃপক্ষ স্পেনের কাছে হস্তান্তর করে।

স্পেনের পুলিশ তাকে ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে মৌরিতানিয়া, সাহারা ও মরক্কো থেকে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের উদ্দেশে ৭৩টি নৌযান পাঠানোর অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে। এসব নৌযানে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ মানুষ ছিলেন। এছাড়া সমুদ্রে আরও ১৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রথমে মৌরিতানিয়া, আলজেরিয়া বা মরক্কোতে প্রবেশের ব্যবস্থা করা এবং পরে তাদের স্পেনে পাঠানোর পরিকল্পনা ও সহায়তা করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

২০২২ সালের অক্টোবরে গ্রান কানারিয়ায় এসএমকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টা আগে তিনিও একটি ছোট নৌকায় করে ওই দ্বীপে পৌঁছেছিলেন। নৌযাত্রার এক সহযাত্রী এবং দুই বছর আগে দ্বীপটিতে উদ্ধার হওয়া আরেক অভিবাসনপ্রত্যাশী তাকে শনাক্ত করেন। তারা দুজনই জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে পৌঁছানোর জন্য তারা এসএমের সংগঠনকে অর্থ দিয়েছিলেন।