ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুমকিতে দর্শনার্থীদের পদচারনায় মুখর কাশবন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:৪৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

দুমকি প্রতিনিধিঃ শরতের শুভ্রতার প্রতীক কাশফুল। শরৎকাল মানেই নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলার আনাগোনা আর বিভিন্ন স্থানে ফুটে ওঠা সাদা কাশফুলের শুভ্রতা। শরৎ প্রকৃতিকে কাশফুলের অপার সৌন্দর্য দিয়ে সাজিয়ে তুলে। প্রকৃতির ঋতুর পালাবদলে মানসিক প্রশান্তি আর একটু বিনোদনের জন্য কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য পরিবার-পরিজন নিয়ে ছুটে আসে কাশবনে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে প্রাকৃতিকভাবে জন্মেছে এই কাশবন।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে সাদা কাশফুলের সৌন্দর্য শোভা পাচ্ছে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেরামত আলী হল প্রাঙ্গণ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে, কদমতলা কলেজ এলাকা, লেবুখালী আবাসন, উত্তর শ্রীরামপুর, পায়রা ও লোহালিয়া নদীর বিভিন্ন স্থানে কাশবন দেখতে প্রতিনিয়ত পর্যটকরা ভিড় করছেন। কাশফুলের অপার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন। আধুনিকতার ছোঁয়ায় কৃত্রিম জীবনের কোলাহল ছেঁড়ে মুক্ত আনন্দ পেতে প্রতিনিয়ত মানুষ ছুটে আসছে কাশবনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ।

বিশেষ করে শেষ বিকেলের মুহূর্তে এটার সৌন্দর্য আরো অনেক গুণ বেড়ে যায়। একারণে বেশিরভাগ পর্যটক আসছেন বিকেলে। প্রিয় জনকে সঙ্গে নিয়ে প্রকৃতি সঙ্গে একাকার করে দিতে হাজির হয়েছেন প্রকৃতি প্রেমিরা। কেউ আসছে পরিবার নিয়ে আবার কেউ আসছে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে। প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থীরা কাশবনের সেলফি, নাটক, ভিডিও, কনটেন্ট তৈরি বা নিজের ছবিটা ক্যামেরাবন্দি করছে। মৃদু বাতাসে কাশ ফুলে মাথা দোলানো দেখে দর্শনার্থীদের প্রশান্তির ইমেজ পরিলক্ষিত হয়। কাশবনের উপকারের সীমা শুধু পানের বরজ, ঘরের চালা বা সবজি বাগানের বেড়া হিসেবে এবং কাশফুলে আয়ুর্বেদীয় গুণও রয়েছে প্রচুর। মাটি ক্ষয় রোধ করতে চাষ করা হয় কাশফুল। এছাড়াও বিশেষ ধরনের কাগজের মন্ড তৈরি হয় কাশ থেকে। সব মিলিয়ে কাশফুল শুধু শরতের মুগ্ধ তার প্রতীক নয়, আমাদের জীবন যাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে আছে কাশের জীবন। সাদা শুভ্র মেঘের মেলায় কাশফুলের সৌন্দর্য এক কথায় প্রকাশ করা দুষ্কর। এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রকৃতি প্রেমীদের মিলন মেলা ঘটে কাশবনে। কাশফুল বা কাশবন পছন্দ করেনা এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পিছনের কাশবন দেখতে আসা ইয়ান্নার মা বলেন, মানসিক শান্তি আর কাশফুলের শুভ্রতা উপভোগ করতে ছোট মেয়ে নিয়ে এখানে ছুটে এসেছি। প্রতিবছরই কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এ সময় বিভিন্ন স্থানে যাওয়া হয়।

পবিপ্রবির শিক্ষার্থী রহমাতুল্লাহ কাওসার জানান, পবিপ্রবির এম কেরামত আলী হলের সামনে কাশবনে সাদা ফুলের সাথে ছবি তুলতে বিভিন্ন উপজেলা থেকে পর্যটকরা সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে। কিন্তু দুঃখের বিষয় অনেক পর্যটক ফুল ছিঁড়ে নিয়ে যায় এতে সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়। কদমতলা কলেজ মাঠের কাশবনে ঘুরতে আসা শিক্ষার্থী তামিম, সজল, বৈশাখী ও তামান্না বলেন, এমন সৌন্দর্য এবং মনোরম পরিবেশ দেখে খুব ভালো লাগে। আগে বই পুস্তকে পড়েছি আর চোখে দেখে বাস্তব অভিজ্ঞতা হলো। এমন অপরূপ সৌন্দর্য স্মৃতি করে রাখার জন্য ছবি তুললাম।

দুমকিতে দর্শনার্থীদের পদচারনায় মুখর কাশবন

প্রকাশিত : ০৫:৪৭:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুমকি প্রতিনিধিঃ শরতের শুভ্রতার প্রতীক কাশফুল। শরৎকাল মানেই নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলার আনাগোনা আর বিভিন্ন স্থানে ফুটে ওঠা সাদা কাশফুলের শুভ্রতা। শরৎ প্রকৃতিকে কাশফুলের অপার সৌন্দর্য দিয়ে সাজিয়ে তুলে। প্রকৃতির ঋতুর পালাবদলে মানসিক প্রশান্তি আর একটু বিনোদনের জন্য কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য পরিবার-পরিজন নিয়ে ছুটে আসে কাশবনে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে প্রাকৃতিকভাবে জন্মেছে এই কাশবন।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে সাদা কাশফুলের সৌন্দর্য শোভা পাচ্ছে। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেরামত আলী হল প্রাঙ্গণ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে, কদমতলা কলেজ এলাকা, লেবুখালী আবাসন, উত্তর শ্রীরামপুর, পায়রা ও লোহালিয়া নদীর বিভিন্ন স্থানে কাশবন দেখতে প্রতিনিয়ত পর্যটকরা ভিড় করছেন। কাশফুলের অপার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন। আধুনিকতার ছোঁয়ায় কৃত্রিম জীবনের কোলাহল ছেঁড়ে মুক্ত আনন্দ পেতে প্রতিনিয়ত মানুষ ছুটে আসছে কাশবনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ।

বিশেষ করে শেষ বিকেলের মুহূর্তে এটার সৌন্দর্য আরো অনেক গুণ বেড়ে যায়। একারণে বেশিরভাগ পর্যটক আসছেন বিকেলে। প্রিয় জনকে সঙ্গে নিয়ে প্রকৃতি সঙ্গে একাকার করে দিতে হাজির হয়েছেন প্রকৃতি প্রেমিরা। কেউ আসছে পরিবার নিয়ে আবার কেউ আসছে বন্ধু-বান্ধব নিয়ে। প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থীরা কাশবনের সেলফি, নাটক, ভিডিও, কনটেন্ট তৈরি বা নিজের ছবিটা ক্যামেরাবন্দি করছে। মৃদু বাতাসে কাশ ফুলে মাথা দোলানো দেখে দর্শনার্থীদের প্রশান্তির ইমেজ পরিলক্ষিত হয়। কাশবনের উপকারের সীমা শুধু পানের বরজ, ঘরের চালা বা সবজি বাগানের বেড়া হিসেবে এবং কাশফুলে আয়ুর্বেদীয় গুণও রয়েছে প্রচুর। মাটি ক্ষয় রোধ করতে চাষ করা হয় কাশফুল। এছাড়াও বিশেষ ধরনের কাগজের মন্ড তৈরি হয় কাশ থেকে। সব মিলিয়ে কাশফুল শুধু শরতের মুগ্ধ তার প্রতীক নয়, আমাদের জীবন যাত্রার সঙ্গে জড়িয়ে আছে কাশের জীবন। সাদা শুভ্র মেঘের মেলায় কাশফুলের সৌন্দর্য এক কথায় প্রকাশ করা দুষ্কর। এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রকৃতি প্রেমীদের মিলন মেলা ঘটে কাশবনে। কাশফুল বা কাশবন পছন্দ করেনা এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পিছনের কাশবন দেখতে আসা ইয়ান্নার মা বলেন, মানসিক শান্তি আর কাশফুলের শুভ্রতা উপভোগ করতে ছোট মেয়ে নিয়ে এখানে ছুটে এসেছি। প্রতিবছরই কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এ সময় বিভিন্ন স্থানে যাওয়া হয়।

পবিপ্রবির শিক্ষার্থী রহমাতুল্লাহ কাওসার জানান, পবিপ্রবির এম কেরামত আলী হলের সামনে কাশবনে সাদা ফুলের সাথে ছবি তুলতে বিভিন্ন উপজেলা থেকে পর্যটকরা সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে। কিন্তু দুঃখের বিষয় অনেক পর্যটক ফুল ছিঁড়ে নিয়ে যায় এতে সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়। কদমতলা কলেজ মাঠের কাশবনে ঘুরতে আসা শিক্ষার্থী তামিম, সজল, বৈশাখী ও তামান্না বলেন, এমন সৌন্দর্য এবং মনোরম পরিবেশ দেখে খুব ভালো লাগে। আগে বই পুস্তকে পড়েছি আর চোখে দেখে বাস্তব অভিজ্ঞতা হলো। এমন অপরূপ সৌন্দর্য স্মৃতি করে রাখার জন্য ছবি তুললাম।