ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

জুলাই ঘোষণাপত্র সরকার দেবে না, ফ্যাসিলিটেট করবে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:২৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • ৩৩২ বার দেখা হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই ঘোষণাপত্র জারি করবে না, বরং সরকার এ প্রক্রিয়াকে ফ্যাসিলিটেট করবে বলে জানিয়েছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

জুলাই ঘোষণাপত্রের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মাহফুজ আলম বলেন, ‘দেশের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এবং দলগুলোর বাইরে সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে আমরা আলোচনা করব। সরকারের পক্ষ থেকে আমরা এটা করব।’

‘ঐকমত্যের ভিত্তিতে আমরা এটা করব, সবার কথা শোনা হবে। পরবর্তীতে কতটুকু সংস্কার করা হবে, যেমন সংবিধান সংস্কার বা বাতিলের প্রশ্ন আলোচনার ভিত্তিতে ঠিক করা হবে,’ বলেন তিনি।

উপদেষ্টা মাহফুজ আরও বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সব সংগঠনের সঙ্গে আমরা আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে বসব। আমরা আশা করি আগামী সপ্তাহের মধ্যে এটা শেষ হবে।’

তিনি বলেন, ‘ঘোষণাপত্রের প্রস্তাবনা শিক্ষার্থীরা দিয়েছে। আরেকটা বিষয় হচ্ছে ঘোষণাপত্র সরকার দেবে না। সরকার এটার প্রক্রিয়াকে ফ্যাসিলিটেট করবে। সরকার নিজে বানিয়ে কোনো ঘোষণাপত্র দেবে না। বরং, সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবনাটি ঘোষণা হবে বা প্রণীত হবে।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে মাহফুজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ঘোষণা দিয়েছিলেন যে ৩১ ডিসেম্বর ঘোষণাপত্র দেবেন। পরে সরকার বুঝতে পারে যে এটা যদি শুধু শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আসে তাহলে সেটা দেশের ঐক্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তখন সরকার দায়িত্ব নেয়।’

‘আমরা আশা করছি সরকার শুধু রাজনৈতিক দল নয়, সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে কীভাবে এই ঘোষণাপত্র প্রকাশিত হবে, তা আগামী সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে পারবে,’ বলেন তিনি।

কর্মবিরতিতে ডেল্টার ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

জুলাই ঘোষণাপত্র সরকার দেবে না, ফ্যাসিলিটেট করবে

প্রকাশিত : ০৭:২৭:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই ঘোষণাপত্র জারি করবে না, বরং সরকার এ প্রক্রিয়াকে ফ্যাসিলিটেট করবে বলে জানিয়েছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

জুলাই ঘোষণাপত্রের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মাহফুজ আলম বলেন, ‘দেশের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এবং দলগুলোর বাইরে সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে আমরা আলোচনা করব। সরকারের পক্ষ থেকে আমরা এটা করব।’

‘ঐকমত্যের ভিত্তিতে আমরা এটা করব, সবার কথা শোনা হবে। পরবর্তীতে কতটুকু সংস্কার করা হবে, যেমন সংবিধান সংস্কার বা বাতিলের প্রশ্ন আলোচনার ভিত্তিতে ঠিক করা হবে,’ বলেন তিনি।

উপদেষ্টা মাহফুজ আরও বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সব সংগঠনের সঙ্গে আমরা আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে বসব। আমরা আশা করি আগামী সপ্তাহের মধ্যে এটা শেষ হবে।’

তিনি বলেন, ‘ঘোষণাপত্রের প্রস্তাবনা শিক্ষার্থীরা দিয়েছে। আরেকটা বিষয় হচ্ছে ঘোষণাপত্র সরকার দেবে না। সরকার এটার প্রক্রিয়াকে ফ্যাসিলিটেট করবে। সরকার নিজে বানিয়ে কোনো ঘোষণাপত্র দেবে না। বরং, সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবনাটি ঘোষণা হবে বা প্রণীত হবে।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে মাহফুজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ঘোষণা দিয়েছিলেন যে ৩১ ডিসেম্বর ঘোষণাপত্র দেবেন। পরে সরকার বুঝতে পারে যে এটা যদি শুধু শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আসে তাহলে সেটা দেশের ঐক্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তখন সরকার দায়িত্ব নেয়।’

‘আমরা আশা করছি সরকার শুধু রাজনৈতিক দল নয়, সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে কীভাবে এই ঘোষণাপত্র প্রকাশিত হবে, তা আগামী সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে পারবে,’ বলেন তিনি।