ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

শুল্ক ফাঁকি, আমদানি মাছ নিলামে বেনাপোলে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০১:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • ২২০ বার দেখা হয়েছে

বেনাপোল বন্দরে ভারতীয় ট্রাক থেকে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা রুই মাছের একটি চালান আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২ মার্চ) রাত ১০টার দিকে বন্দরের ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড থেকে মাছের চালানটি আটক করা হয়। পরে মঙ্গলবার বিকেলে মাছের চালান নিলামে তোলা হয়।

মাছের আমদানিকারক ঢাকার সাজ্জাত এন্টারপ্রাইজ এবং বন্দর থেকে শুল্কফাঁকি দিয়ে পাচারের চেষ্টা করছিল বহুল আলোচিত সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান আলেয়া এন্টারপ্রাইজ।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি মিথ্যা ঘোষণার আমদানি করা ৫ হাজার ৯৪৩ কেজি ইলিশের একটি অবৈধ চালান আটক করা হয়েছিল। এতেও সংশ্লিষ্ট ছিল এ চক্রের সদস্যরা।

বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সামুদ্রিক মাছ ঘোষণা দিয়ে রুই মাছ আমদানি করেছে। পরে মাছবাহী ট্রাকে অভিযান চালিয়ে ১০ প্যাকেজে ৬০০ কেজি রুই মাছ উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, এক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীর শুল্ক ফাঁকির কারণে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চিহ্নিত শুল্কফাঁকিবাজদের মধ্যে সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী আলেয়া এন্টারপ্রাইজ, রয়েল এন্টারপ্রাইজ ও লিংক ইন্টারন্যাশনাল আলোচিত। এসব অনিয়মের সঙ্গে কাস্টমসের এক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার সখ্যতা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অপরাধীরা ধরা পড়লেও বিভিন্ন কৌশলে তাদের লাইসেন্স রক্ষা করে আবারও ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়া হয়।

ইউরোপীয় অস্ত্র কারখানাকে নিশানা বানানোর হুমকি রাশিয়ার

শুল্ক ফাঁকি, আমদানি মাছ নিলামে বেনাপোলে

প্রকাশিত : ০১:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

বেনাপোল বন্দরে ভারতীয় ট্রাক থেকে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা রুই মাছের একটি চালান আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২ মার্চ) রাত ১০টার দিকে বন্দরের ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড থেকে মাছের চালানটি আটক করা হয়। পরে মঙ্গলবার বিকেলে মাছের চালান নিলামে তোলা হয়।

মাছের আমদানিকারক ঢাকার সাজ্জাত এন্টারপ্রাইজ এবং বন্দর থেকে শুল্কফাঁকি দিয়ে পাচারের চেষ্টা করছিল বহুল আলোচিত সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান আলেয়া এন্টারপ্রাইজ।

এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি মিথ্যা ঘোষণার আমদানি করা ৫ হাজার ৯৪৩ কেজি ইলিশের একটি অবৈধ চালান আটক করা হয়েছিল। এতেও সংশ্লিষ্ট ছিল এ চক্রের সদস্যরা।

বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার রাহাত হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সামুদ্রিক মাছ ঘোষণা দিয়ে রুই মাছ আমদানি করেছে। পরে মাছবাহী ট্রাকে অভিযান চালিয়ে ১০ প্যাকেজে ৬০০ কেজি রুই মাছ উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, এক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীর শুল্ক ফাঁকির কারণে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চিহ্নিত শুল্কফাঁকিবাজদের মধ্যে সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী আলেয়া এন্টারপ্রাইজ, রয়েল এন্টারপ্রাইজ ও লিংক ইন্টারন্যাশনাল আলোচিত। এসব অনিয়মের সঙ্গে কাস্টমসের এক শ্রেণির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার সখ্যতা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অপরাধীরা ধরা পড়লেও বিভিন্ন কৌশলে তাদের লাইসেন্স রক্ষা করে আবারও ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়া হয়।