ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সংস্কার নিয়ে শনিবার থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা শুরু: আদিলুর রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:৫৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৩৪৯ বার দেখা হয়েছে

শিল্প ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান জানিয়েছেন, আগামী শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হবে।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর হাইকোর্ট গেটের সামনে শিক্ষা চত্বরে স্বৈরাচার পতন আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা জানান।

উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা দেশের মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতে চাই। নতুন ব্যবস্থায় বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।’

এদিকে বিএনপি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র পরিষদ, ৮২-৯০ ছাত্র-আন্দোলনের নেতাকর্মীরা, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ৯০ এর ডাকসু সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য, পাহাড়ি ছাত্র ফ্রন্টসহ বিভিন্ন সংগঠন স্বৈরাচার পতন আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।

নব্বই এবং চব্বিশের স্বৈরাচার পতনের আন্দোলন একই সূত্রে গাঁথা। তাই সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে সব রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান।

বাংলাদেশের তৎকালীন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সরকারের শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ওই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ ও বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্মারকলিপি দেয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করে।

প্রতিবাদ সমাবেশ চালাকালে গুলি চালায় পুলিশ। গুলিতে নিহত হন জাফর, জয়নাল, দীপালী, মোজাম্মেল, আইয়ুব ও কাঞ্চন। আহত হন আরও অনেকে। ছাত্র-জনতার তখনকার সেই আন্দোলনের মুখে বাতিল করতে হয়েছিল সেই শিক্ষানীতি। সেই কারণে ১৪ ফেব্রুয়ারি স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

সংস্কার নিয়ে শনিবার থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা শুরু: আদিলুর রহমান

প্রকাশিত : ১০:৫৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

শিল্প ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান জানিয়েছেন, আগামী শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হবে।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর হাইকোর্ট গেটের সামনে শিক্ষা চত্বরে স্বৈরাচার পতন আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা জানান।

উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা দেশের মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতে চাই। নতুন ব্যবস্থায় বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।’

এদিকে বিএনপি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র পরিষদ, ৮২-৯০ ছাত্র-আন্দোলনের নেতাকর্মীরা, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ৯০ এর ডাকসু সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য, পাহাড়ি ছাত্র ফ্রন্টসহ বিভিন্ন সংগঠন স্বৈরাচার পতন আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।

নব্বই এবং চব্বিশের স্বৈরাচার পতনের আন্দোলন একই সূত্রে গাঁথা। তাই সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে সব রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান।

বাংলাদেশের তৎকালীন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সরকারের শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ওই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ ও বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্মারকলিপি দেয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করে।

প্রতিবাদ সমাবেশ চালাকালে গুলি চালায় পুলিশ। গুলিতে নিহত হন জাফর, জয়নাল, দীপালী, মোজাম্মেল, আইয়ুব ও কাঞ্চন। আহত হন আরও অনেকে। ছাত্র-জনতার তখনকার সেই আন্দোলনের মুখে বাতিল করতে হয়েছিল সেই শিক্ষানীতি। সেই কারণে ১৪ ফেব্রুয়ারি স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।