ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পারস্য উপসাগরে আটকা পড়েছে প্রায় ১৫০০ জাহাজ : আইএমও

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:০৬:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ১৪৬ বার দেখা হয়েছে

ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি অবরোধের ফলে পারস্য উপসাগরে প্রায় ১ হাজার ৫০০ জাহাজ এবং তাদের নাবিকরা আটকা পড়ে আছেন বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের ইন্ট্যারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) প্রধান। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার পানামায় এক সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান বনাম ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পুরো অঞ্চলজুড়ে তেহরানের পক্ষ থেকে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে বৈশ্বিক বাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে অবরোধ সৃষ্টি করা হয়েছে।

‘মেরিটাইম কনভেনশন অফ দ্য আমেরিকাস’-এ আইএমও-র মহাসচিব আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ বলেন, “বর্তমানে আনুমানিক ২০ হাজার নাবিক এবং প্রায় ১ হাজার ৫০০ জাহাজ সেখানে আটকা পড়ে আছে।”

ডমিঙ্গুয়েজ উল্লেখ করেন যে, বিশ্বের মোট ব্যবহৃত পণ্যের ৮০ শতাংশেরও বেশি সমুদ্রপথের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়।

শিল্প খাতের নির্বাহী এবং আইএমও প্রতিনিধিদের সমাবেশে তিনি বলেন, আটকা পড়া ক্রু সদস্যরা নিরপরাধ মানুষ, তারা অন্য দেশগুলোর উপকারের জন্য প্রতিদিন নিজেদের কাজ করছেন। কিন্তু তারা তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আটকা পড়েছেন।

পরবর্তীতে সাংবাদিকদের তিনি জানান, জাহাজে ৩০টিরও বেশি হামলায় এখন পর্যন্ত ‘দশজন নাবিক প্রাণ হারিয়েছেন।

আইএমও প্রধান নাবিকদের মৃত্যুর সংখ্যা কমানোর এবং আরও অর্থনৈতিক ক্ষতি এড়ানোর লক্ষ্যে পারস্য উপসাগরে জাহাজ না পাঠানোর আহ্বান জানান।

এই সংঘাত শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের পাঁচ ভাগের এক ভাগ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেত। এই পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে হাইড্রোকার্বন বা জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডুয়েটে ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেফটি বিষয়ক টেকনিক্যাল সেমিনার অনুষ্ঠিত

পারস্য উপসাগরে আটকা পড়েছে প্রায় ১৫০০ জাহাজ : আইএমও

প্রকাশিত : ০৮:০৬:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি অবরোধের ফলে পারস্য উপসাগরে প্রায় ১ হাজার ৫০০ জাহাজ এবং তাদের নাবিকরা আটকা পড়ে আছেন বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের ইন্ট্যারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) প্রধান। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার পানামায় এক সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান বনাম ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পুরো অঞ্চলজুড়ে তেহরানের পক্ষ থেকে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে বৈশ্বিক বাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে অবরোধ সৃষ্টি করা হয়েছে।

‘মেরিটাইম কনভেনশন অফ দ্য আমেরিকাস’-এ আইএমও-র মহাসচিব আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ বলেন, “বর্তমানে আনুমানিক ২০ হাজার নাবিক এবং প্রায় ১ হাজার ৫০০ জাহাজ সেখানে আটকা পড়ে আছে।”

ডমিঙ্গুয়েজ উল্লেখ করেন যে, বিশ্বের মোট ব্যবহৃত পণ্যের ৮০ শতাংশেরও বেশি সমুদ্রপথের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়।

শিল্প খাতের নির্বাহী এবং আইএমও প্রতিনিধিদের সমাবেশে তিনি বলেন, আটকা পড়া ক্রু সদস্যরা নিরপরাধ মানুষ, তারা অন্য দেশগুলোর উপকারের জন্য প্রতিদিন নিজেদের কাজ করছেন। কিন্তু তারা তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আটকা পড়েছেন।

পরবর্তীতে সাংবাদিকদের তিনি জানান, জাহাজে ৩০টিরও বেশি হামলায় এখন পর্যন্ত ‘দশজন নাবিক প্রাণ হারিয়েছেন।

আইএমও প্রধান নাবিকদের মৃত্যুর সংখ্যা কমানোর এবং আরও অর্থনৈতিক ক্ষতি এড়ানোর লক্ষ্যে পারস্য উপসাগরে জাহাজ না পাঠানোর আহ্বান জানান।

এই সংঘাত শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের পাঁচ ভাগের এক ভাগ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেত। এই পথটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে হাইড্রোকার্বন বা জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।