ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর বাহেরচরের নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে উপজেলা প্রশাসন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৩:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

দুমকি প্রতিনিধিঃ সংবাদ প্রকাশের পরে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দশটি পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেন উপজেলা প্রশাসন।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে পায়রা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে এ সহায়তা প্রদান করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী।
উল্লেখ্য গত ১২ সেপ্টেম্বর বেশ কয়েকটি পত্রিকায় ” দুমকিতে নদীগর্ভে বিলীন বাহেরচর,গৃহহীন ৩০ পরিবার” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হলে প্রশাসনের নজরে আসে।

ভাঙনের ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, আমরা সহায়তা পেয়ে খুশি, কিন্তু ভাঙনে আমাদের জায়গা জমি, ঘরবাড়ি সবকিছু হারিয়ে রাস্তার পাশে অস্থায়ীভাবে বসবাস করি। আমাদের যদি সরকার পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দিত তাহলে আমরা পরীবের নিয়ে থাকতে পারতাম। সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ আমাদের জন্য পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা করে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জানান, সাংবাদিকরা খবর প্রকাশের পরে আমাদের নজরে আসে।আমরা ১০ টি পরিবারকে কিছু শুকনো খাবার প্রদান করেছি। ৩০পরিবারকে ১০ কেজি করে চাও দিতে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কে বলা হয়েছে। আবাসন ও স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করেছি।

দুমকি সরকারি জনতা কলেজ চত্তর থেকে মেশিনগানের বুলেট উদ্ধার, আতঙ্কে এলাকাবাসী

পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর বাহেরচরের নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে উপজেলা প্রশাসন

প্রকাশিত : ০৩:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দুমকি প্রতিনিধিঃ সংবাদ প্রকাশের পরে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দশটি পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেন উপজেলা প্রশাসন।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে পায়রা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে এ সহায়তা প্রদান করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী।
উল্লেখ্য গত ১২ সেপ্টেম্বর বেশ কয়েকটি পত্রিকায় ” দুমকিতে নদীগর্ভে বিলীন বাহেরচর,গৃহহীন ৩০ পরিবার” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হলে প্রশাসনের নজরে আসে।

ভাঙনের ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, আমরা সহায়তা পেয়ে খুশি, কিন্তু ভাঙনে আমাদের জায়গা জমি, ঘরবাড়ি সবকিছু হারিয়ে রাস্তার পাশে অস্থায়ীভাবে বসবাস করি। আমাদের যদি সরকার পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দিত তাহলে আমরা পরীবের নিয়ে থাকতে পারতাম। সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ আমাদের জন্য পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা করে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জানান, সাংবাদিকরা খবর প্রকাশের পরে আমাদের নজরে আসে।আমরা ১০ টি পরিবারকে কিছু শুকনো খাবার প্রদান করেছি। ৩০পরিবারকে ১০ কেজি করে চাও দিতে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কে বলা হয়েছে। আবাসন ও স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করেছি।