ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

৪ জেলায় বন্যার শঙ্কা ,তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:১৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৩২ বার দেখা হয়েছে

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিপাতে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে এ পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ওপরে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ডালিয়ায় পানি ২৯ সেন্টিমিটার বেড়েছে। বর্তমানে পানি ধীর গতিতে বাড়ছে।

তবে ভারতের উজানে পশ্চিমবঙ্গের দোমোহনী ও গজলডোবা এলাকায় পানির স্তর কিছুটা কমেছে। দোমোহনীতে সকাল ৯টায় পানি ছিল ৮৫ দশমিক ৫৯ মিটার, রাত ৮টায় তা নেমে দাঁড়িয়েছে ৮৫ দশমিক ৫২ মিটারে। ১১ ঘণ্টায় পানি কমেছে ৭ সেন্টিমিটার। একই সময়ে গজলডোবা ব্যারাজে পানি ৫ সেন্টিমিটার কমেছে।

উজানে পানির এমন প্রবণতা থাকলেও রাত ১২টা পর্যন্ত তিস্তায় পানি কিছুটা বাড়তে পারে। এরপর তা স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, তিস্তা অববাহিকায় আগামী ৭২ ঘণ্টায় ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে তিস্তার পানি আবার বাড়তে পারে এবং নতুন করে বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার তিস্তা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোতে এই ঝুঁকি বেশি বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, পানি কিছুটা বেড়েছে ঠিকই, তবে এখনো বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই। আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

দাউদকান্দিতে সাংবাদিকদের সাথে ১০ দলীয় জোটের মতবিনিময় সভা

৪ জেলায় বন্যার শঙ্কা ,তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে

প্রকাশিত : ১১:১৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিপাতে তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শুক্রবার (৮ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে এ পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ওপরে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ডালিয়ায় পানি ২৯ সেন্টিমিটার বেড়েছে। বর্তমানে পানি ধীর গতিতে বাড়ছে।

তবে ভারতের উজানে পশ্চিমবঙ্গের দোমোহনী ও গজলডোবা এলাকায় পানির স্তর কিছুটা কমেছে। দোমোহনীতে সকাল ৯টায় পানি ছিল ৮৫ দশমিক ৫৯ মিটার, রাত ৮টায় তা নেমে দাঁড়িয়েছে ৮৫ দশমিক ৫২ মিটারে। ১১ ঘণ্টায় পানি কমেছে ৭ সেন্টিমিটার। একই সময়ে গজলডোবা ব্যারাজে পানি ৫ সেন্টিমিটার কমেছে।

উজানে পানির এমন প্রবণতা থাকলেও রাত ১২টা পর্যন্ত তিস্তায় পানি কিছুটা বাড়তে পারে। এরপর তা স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, তিস্তা অববাহিকায় আগামী ৭২ ঘণ্টায় ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে তিস্তার পানি আবার বাড়তে পারে এবং নতুন করে বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার তিস্তা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোতে এই ঝুঁকি বেশি বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, পানি কিছুটা বেড়েছে ঠিকই, তবে এখনো বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা নেই। আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।