ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বারিধারা পার্কে পল্লীকবি জসীমউদ্দীন পাঠাগারের উদ্বোধন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১১:৫৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩৭১ বার দেখা হয়েছে

বাংলা সাহিত্যের অমর কবি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পল্লীকবি জসীমউদ্দীন পাঠাগারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।

শনিবার (৯ আগস্ট) রাতে বারিধারা পার্কে নবনির্মিত এ পাঠাগার উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিন্তাবিদ ও লেখক অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান।

অনুষ্ঠানে ড. সলিমুল্লাহ খান বলেন, আমাদের ইতিহাসপাঠ এতদিন ১৯৫২ সাল থেকে শুরু করা হয়েছে, সচেতনভাবে ১৯৪৭ সালকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। একপাক্ষিক ইতিহাস বর্ণনার এই সংকীর্ণতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পল্লীকবির ছেলে খুরশীদ আনোয়ার জসীম। তিনি বলেন, জসীমউদ্দীনের বই পড়লে একজন মানুষ দেশপ্রেমিক ও মানবিক হয়ে উঠবে। এই পাঠাগার যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখবে এবং একটি সুস্থ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এবং বারিধারা সোসাইটির সার্বিক সহযোগিতায় নির্মিত এ পাঠাগার স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সাহিত্যচর্চা, পাঠ্যাভ্যাস, গবেষণা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

ওসির যোগসাজশে বদলির পরও চার্জশিট দিলেন এসআই, তদন্ত করছে পুলিশ

বারিধারা পার্কে পল্লীকবি জসীমউদ্দীন পাঠাগারের উদ্বোধন

প্রকাশিত : ১১:৫৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

বাংলা সাহিত্যের অমর কবি পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পল্লীকবি জসীমউদ্দীন পাঠাগারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।

শনিবার (৯ আগস্ট) রাতে বারিধারা পার্কে নবনির্মিত এ পাঠাগার উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিন্তাবিদ ও লেখক অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান।

অনুষ্ঠানে ড. সলিমুল্লাহ খান বলেন, আমাদের ইতিহাসপাঠ এতদিন ১৯৫২ সাল থেকে শুরু করা হয়েছে, সচেতনভাবে ১৯৪৭ সালকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। একপাক্ষিক ইতিহাস বর্ণনার এই সংকীর্ণতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পল্লীকবির ছেলে খুরশীদ আনোয়ার জসীম। তিনি বলেন, জসীমউদ্দীনের বই পড়লে একজন মানুষ দেশপ্রেমিক ও মানবিক হয়ে উঠবে। এই পাঠাগার যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখবে এবং একটি সুস্থ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এবং বারিধারা সোসাইটির সার্বিক সহযোগিতায় নির্মিত এ পাঠাগার স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সাহিত্যচর্চা, পাঠ্যাভ্যাস, গবেষণা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।