ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি আত্মসাৎ, ৪ জনের নামে দুদকের মামলা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:৩১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১০১ বার দেখা হয়েছে

নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন জমি আত্মসাতের অভিযোগে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের তিন কর্মকর্তা ও এক ব্যক্তির নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল নোমান বাদী হয়ে নোয়াখালী স্পেশাল সিনিয়র জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- নোয়াখালী পৌরসভার বাসিন্দা মো. বাহার উদ্দিন (৬১), নোয়াখালী জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ড কিপার মো. হুমায়ুন কবীর গাজী (৫৭), ডি/ম্যান মো. খায়রুল আলম ভূঞা (৫৬) এবং কপিস্ট সুভাস কান্তি চাকমা (৫৫)।

অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা যোগসাজশে জাল রেকর্ড ও খতিয়ান তৈরি করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে রেকর্ডকৃত জমি আত্মসাৎ করেন। সদর উপজেলার আইউবপুর মৌজার ৪ নম্বর ডিপি খতিয়ানে বোর্ডের মালিকানাধীন প্রায় ১.৬০ একর জমি (দাগ নং ২২২১, ২২২৫, ২২২৮, ২২২৯, ২২৪৬ ও ২২৫২) কেটে বাহার উদ্দিনের নামে ১১২ নম্বর খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে এই জাল খতিয়ান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জজ কোর্ট ও এসি ল্যান্ড অফিসে সংরক্ষণ করা হয়।

দুদকের নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল নোমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ ও ভোগদখল একটি গুরুতর দুর্নীতি। নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি জালিয়াতির মাধ্যমে দখল করে নেওয়ার বিষয়টি দুদকের নজরে আসার পর আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। এ ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন কখনোই দুর্নীতির সাথে জড়িতদের ছাড় দেবে না। আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি আত্মসাৎ, ৪ জনের নামে দুদকের মামলা

প্রকাশিত : ০৫:৩১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন জমি আত্মসাতের অভিযোগে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের তিন কর্মকর্তা ও এক ব্যক্তির নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল নোমান বাদী হয়ে নোয়াখালী স্পেশাল সিনিয়র জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- নোয়াখালী পৌরসভার বাসিন্দা মো. বাহার উদ্দিন (৬১), নোয়াখালী জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ড কিপার মো. হুমায়ুন কবীর গাজী (৫৭), ডি/ম্যান মো. খায়রুল আলম ভূঞা (৫৬) এবং কপিস্ট সুভাস কান্তি চাকমা (৫৫)।

অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা যোগসাজশে জাল রেকর্ড ও খতিয়ান তৈরি করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে রেকর্ডকৃত জমি আত্মসাৎ করেন। সদর উপজেলার আইউবপুর মৌজার ৪ নম্বর ডিপি খতিয়ানে বোর্ডের মালিকানাধীন প্রায় ১.৬০ একর জমি (দাগ নং ২২২১, ২২২৫, ২২২৮, ২২২৯, ২২৪৬ ও ২২৫২) কেটে বাহার উদ্দিনের নামে ১১২ নম্বর খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে এই জাল খতিয়ান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জজ কোর্ট ও এসি ল্যান্ড অফিসে সংরক্ষণ করা হয়।

দুদকের নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল নোমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ ও ভোগদখল একটি গুরুতর দুর্নীতি। নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি জালিয়াতির মাধ্যমে দখল করে নেওয়ার বিষয়টি দুদকের নজরে আসার পর আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। এ ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন কখনোই দুর্নীতির সাথে জড়িতদের ছাড় দেবে না। আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।