ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

দুমকিতে এনজিও ঋণে জর্জরিত হয়ে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৭:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

দুমকি প্রতিনিধিঃ এনজিও ঋণের জর্জরিত হয়ে দুমকির পীরতলা বাজারের চা ব্যবসায়ী মো. ইলিয়াস খান(৪৫)নিজ বসত ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন।শনিবার বিকাল ৪টায় দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ঝাটারা  গ্রামের খান বাড়িতে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। সূত্র জানায় দুমকির পিরতলা বাজারে জিহাদ স্টোর নামে স্বামী/ স্ত্রী একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল। প্রতিদিনের ন্যায় স্ত্রী তাসলিমা দোকানে আসলে স্বামী ইলিয়াস দুপুরের খাবার খেতে বাড়িতে যায়। খাবার খেয়ে রুমের দরজা আটকিয়ে  গলায় ওড়না পেচিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করে।

পরে পার্শ্ববর্তী লোকজন দেখে পুলিশকে খবর দিলে দুমকি থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।স্ত্রী তাসলিমা বেগম বলেন, কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ টা এনজিওর কিস্তি ছিল, সপ্তাহে শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন দুই-তিনটা এনজিওর কিস্তি নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছিল এবং মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছিল। এছাড়া অন্য কোন কারণ দেখছিনা।দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি (তদন্ত) মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেরপুরের পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলামের বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা

দুমকিতে এনজিও ঋণে জর্জরিত হয়ে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত : ০৭:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

দুমকি প্রতিনিধিঃ এনজিও ঋণের জর্জরিত হয়ে দুমকির পীরতলা বাজারের চা ব্যবসায়ী মো. ইলিয়াস খান(৪৫)নিজ বসত ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন।শনিবার বিকাল ৪টায় দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ঝাটারা  গ্রামের খান বাড়িতে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। সূত্র জানায় দুমকির পিরতলা বাজারে জিহাদ স্টোর নামে স্বামী/ স্ত্রী একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল। প্রতিদিনের ন্যায় স্ত্রী তাসলিমা দোকানে আসলে স্বামী ইলিয়াস দুপুরের খাবার খেতে বাড়িতে যায়। খাবার খেয়ে রুমের দরজা আটকিয়ে  গলায় ওড়না পেচিয়ে ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করে।

পরে পার্শ্ববর্তী লোকজন দেখে পুলিশকে খবর দিলে দুমকি থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।স্ত্রী তাসলিমা বেগম বলেন, কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ টা এনজিওর কিস্তি ছিল, সপ্তাহে শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন দুই-তিনটা এনজিওর কিস্তি নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছিল এবং মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছিল। এছাড়া অন্য কোন কারণ দেখছিনা।দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি (তদন্ত) মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।