ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

কর্মবিরতিতে প্রাথমিক শিক্ষকরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:২৩:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০১ বার দেখা হয়েছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে তিন লাখ সহকারী শিক্ষক তিন দফা দাবিতে টানা কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন। গত ২৭ নভেম্বর থেকে চলমান এ কর্মসূচির মধ্যেই বার্ষিক পরীক্ষা সামনে রেখে নতুন আলটিমেটাম দিয়েছেন তারা। শিক্ষকরা জানিয়েছেন, রোববার (৩০ নভেম্বর) রাতের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে সোমবার শুরু হতে যাওয়া বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করা হবে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের অন্যতম আহ্বায়ক মু. মাহবুবর রহমান বলেন, আমরা লাগাতার কর্মবিরতি করছি। সারা দেশের ৬৫ হাজার ৫০০-এর বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ। রোববারের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে সোমবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করতে বাধ্য হবো।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্র জানায়, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এখানে তিন লাখ ৮৪ হাজারের বেশি শিক্ষক কর্মরত, যাদের বেশির ভাগই সহকারী শিক্ষক। প্রধান শিক্ষকরা ইতোমধ্যে দশম গ্রেডে উন্নীত হলেও সহকারী শিক্ষকরা এখনো ১৩তম গ্রেডে বেতন পান। গ্রেড উন্নীতকরণসহ কয়েকটি দাবি দীর্ঘদিন ধরে তারা তুলে আসছেন।

শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা বাড়লে পাঠদানের মান আরও উন্নত হবে। বার্ষিক পরীক্ষা এক সপ্তাহ পিছিয়ে নেওয়া গেলেও সমস্যা নেই। এখন দাবি বাস্তবায়ন না হলে বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। প্রয়োজনে অর্থ বিভাগের সচিবের সঙ্গে আবার বৈঠকের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সহকারী শিক্ষকদের দাবিগুলো হলো—

১. বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীতকরণ,

২. ১০ ও ১৬ বছরপূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড সমস্যার সমাধান

৩. এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি।

সরকার সরাসরি দশম গ্রেডে উন্নীত করতে না চাইলেও আপাতত ১১তম গ্রেডের সুপারিশ করেছে। তবে শিক্ষকরা বলছেন, প্রথমে সেই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তবায়ন চান তারা।

ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় শক্তি ঐক্যই

কর্মবিরতিতে প্রাথমিক শিক্ষকরা

প্রকাশিত : ০৮:২৩:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে তিন লাখ সহকারী শিক্ষক তিন দফা দাবিতে টানা কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন। গত ২৭ নভেম্বর থেকে চলমান এ কর্মসূচির মধ্যেই বার্ষিক পরীক্ষা সামনে রেখে নতুন আলটিমেটাম দিয়েছেন তারা। শিক্ষকরা জানিয়েছেন, রোববার (৩০ নভেম্বর) রাতের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে সোমবার শুরু হতে যাওয়া বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করা হবে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের অন্যতম আহ্বায়ক মু. মাহবুবর রহমান বলেন, আমরা লাগাতার কর্মবিরতি করছি। সারা দেশের ৬৫ হাজার ৫০০-এর বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ। রোববারের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে সোমবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করতে বাধ্য হবো।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্র জানায়, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এখানে তিন লাখ ৮৪ হাজারের বেশি শিক্ষক কর্মরত, যাদের বেশির ভাগই সহকারী শিক্ষক। প্রধান শিক্ষকরা ইতোমধ্যে দশম গ্রেডে উন্নীত হলেও সহকারী শিক্ষকরা এখনো ১৩তম গ্রেডে বেতন পান। গ্রেড উন্নীতকরণসহ কয়েকটি দাবি দীর্ঘদিন ধরে তারা তুলে আসছেন।

শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা বাড়লে পাঠদানের মান আরও উন্নত হবে। বার্ষিক পরীক্ষা এক সপ্তাহ পিছিয়ে নেওয়া গেলেও সমস্যা নেই। এখন দাবি বাস্তবায়ন না হলে বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। প্রয়োজনে অর্থ বিভাগের সচিবের সঙ্গে আবার বৈঠকের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সহকারী শিক্ষকদের দাবিগুলো হলো—

১. বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীতকরণ,

২. ১০ ও ১৬ বছরপূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড সমস্যার সমাধান

৩. এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি।

সরকার সরাসরি দশম গ্রেডে উন্নীত করতে না চাইলেও আপাতত ১১তম গ্রেডের সুপারিশ করেছে। তবে শিক্ষকরা বলছেন, প্রথমে সেই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তবায়ন চান তারা।