ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

সাড়ে ১২০০ টাকার সিলিন্ডার ১৮০০, নেপথ্যে কী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:৩৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৫৫ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চলতি ডিসেম্বর মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করলেও রাজধানীর বাজারে এর প্রতিফলন নেই। উল্টো নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

গত কয়েকদিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতি সিলিন্ডার এলপিজি ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। যদিও ভোক্তাদের সবসময়ই নির্ধারিত দামের চেয়ে কিছুটা বাড়তি খরচ করতে হয়। তবে, এবারের মূল্যবৃদ্ধি পূর্বের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। চড়া দামের পাশাপাশি বাজারের বিভিন্ন স্থানে এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকটও দেখা দিয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, শীতকালে স্বাভাবিকভাবে এলপিজির চাহিদা বাড়ে। কিন্তু সেই তুলনায় বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই। চাহিদা ও জোগানের এই অসামঞ্জস্যের সুযোগ নিয়ে খুচরা পর্যায়ে দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জনবান্ধব পুলিশিংয়ে বদলে যাচ্ছে নলছিটি থানা, প্রশংসায় ওসি তৌহিদুজ্জামান

সাড়ে ১২০০ টাকার সিলিন্ডার ১৮০০, নেপথ্যে কী

প্রকাশিত : ০৯:৩৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চলতি ডিসেম্বর মাসের জন্য প্রতি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করলেও রাজধানীর বাজারে এর প্রতিফলন নেই। উল্টো নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

গত কয়েকদিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতি সিলিন্ডার এলপিজি ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। যদিও ভোক্তাদের সবসময়ই নির্ধারিত দামের চেয়ে কিছুটা বাড়তি খরচ করতে হয়। তবে, এবারের মূল্যবৃদ্ধি পূর্বের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। চড়া দামের পাশাপাশি বাজারের বিভিন্ন স্থানে এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকটও দেখা দিয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, শীতকালে স্বাভাবিকভাবে এলপিজির চাহিদা বাড়ে। কিন্তু সেই তুলনায় বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই। চাহিদা ও জোগানের এই অসামঞ্জস্যের সুযোগ নিয়ে খুচরা পর্যায়ে দাম অস্বাভাবিক বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ ব্যবহারকারীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।