আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন- মানবজাতির প্রতি মহানবী (সাঃ)-এর যে বিপুল অবদান রয়েছে, তার স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ভালোবাসা উপহার দেওয়া আমাদের ঈমানের দাবি। মুমিন মাত্রই এই মহামানবের অকুণ্ঠ ভালোবাসা লালন করে। আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সাঃ)-এর ভালোবাসাকে সবার ওপরে স্থান দিতে হবে। প্রত্যেক ঈমানদার ব্যক্তির ওপর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে ভালোবাসা ফরজ বা অত্যাবশ্যক। রাসূল (সাঃ) এর প্রতি ভালোবাসা ঈমানের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। মুমিনের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো ঈমান। একজন কামেল (পূর্ণাঙ্গ) মুমিন মুসলিমের কর্তব্য হলো রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে নিজের জীবনের চেয়েও অধিক ভালোবাসা। তবে এ ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ অবশ্যই রাসুল (সাঃ)এর অনুমোদিত ও সাহাবাগণের প্রদর্শিত পদ্ধতিতে হতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি বা ছাড়াছাড়ির সুযোগ ইসলামে নেই।
এই ভালোবাসার স্বাদ যার অর্জিত হয় তাঁর জীবন, চরিত্র ও শিক্ষা অনুসরণ করার মাধ্যমে। আমাদের ঐসকল গুণ ও বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হতে হবে যা ছাড়া কেউ সভ্য-সজ্জন হতে পারে না। এককথায় ঈমানের শিক্ষায় মানুষ পরিশুদ্ধ হয় এবং তার যোগ্যতা ও সক্ষমতা তাকে সঠিক গন্তব্যের দিকে পরিচালিত করে।
১৭ জানুয়ারি শনিবার পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার শহীদ জিয়া ময়দান (হাসপাতাল মাঠ) প্রাঙ্গনে উপজেলা জমইয়াতে হিযবুল্লাহর আয়োজিত ঈছালে ছাওয়াব মাহফিলে গভীর রাতে আখেরী মুনাজাতপূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।
মাহফিলে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলীর উপর আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মির্জা নূরুর রহমান বেগ, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করে হযরত পীর ছাহেব কেবলা আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন। এ সময় আমীন আমীন ক্রন্দনের ধ্বনীতে আকাশ বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















