ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় ১ মাসের জন্য সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে
চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় এক মাসের জন্য সব ধরনের মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন ও পথসভা নিষিদ্ধ করেছে পুলিশ। একই সাথে লাঠি, অস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, ইট-পাথরসহ ঝুঁকিপূর্ণ বস্তু বহন ও ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে আজ ১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র এবং এটি ‘১ক’ শ্রেণির কেপিআইভুক্ত স্থাপনা। দেশের মোট আমদানি ও রফতানির সিংহভাগ কার্যক্রম এই বন্দর দিয়ে সম্পন্ন হয়। প্রতিদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য, শিল্প কারখানার কাঁচামালসহ আমদানি ও রফতানিযোগ্য পণ্য পরিবহনে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, ভেহিকেল ও প্রাইম মুভার বন্দরে চলাচল করে।
এত বিপুল সংখ্যক যানবাহন চলাচলের কারণে বন্দর এলাকার আশপাশে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়। তবে বন্দর এলাকায় যেকোনো ধরনের মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন ও পথসভার ফলে যানজট সৃষ্টি হয়, যা আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ব্যাহত করে। এতে জাতীয় অর্থনীতির মারাত্মক ক্ষতি হয় এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকি তৈরি হতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ অবস্থায় বন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও স্বাভাবিক রাখা, সাথে জনশৃঙ্খলা ও শান্তি-নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ ১৯৭৮-এর ২৯ ও ৩০ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন বারেক বিল্ডিং মোড়, নিমতলা মোড়, ৩ নম্বর জেটি গেট, কাস্টমস মোড়, সল্টগোলা ক্রসিংসহ অন্যান্য এলাকায় অস্ত্রশস্ত্র, তলোয়ার, বর্শা, বন্দুক, ছোরা, লাঠি, বিস্ফোরক দ্রব্য ও ইট-পাথর বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। একইসাথে যেকোনো ধরনের মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন ও পথসভাও করা যাবে না।
তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা, মিছিল ও সমাবেশ এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিএনপিপন্থি শ্রমিক-কর্মচারীরা বিক্ষোভ করেন। এর জেরে কয়েকজনকে বদলি করা হয়। এর আগেও দুই দফায় দুই মাস করে বন্দর এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ।
জনপ্রিয় সংবাদ

আমীরে জামায়াতের জনসভা উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াতের সাংবাদিক সম্মেলন

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় ১ মাসের জন্য সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা

প্রকাশিত : ০৮:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় এক মাসের জন্য সব ধরনের মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন ও পথসভা নিষিদ্ধ করেছে পুলিশ। একই সাথে লাঠি, অস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, ইট-পাথরসহ ঝুঁকিপূর্ণ বস্তু বহন ও ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে আজ ১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র এবং এটি ‘১ক’ শ্রেণির কেপিআইভুক্ত স্থাপনা। দেশের মোট আমদানি ও রফতানির সিংহভাগ কার্যক্রম এই বন্দর দিয়ে সম্পন্ন হয়। প্রতিদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য, শিল্প কারখানার কাঁচামালসহ আমদানি ও রফতানিযোগ্য পণ্য পরিবহনে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, ভেহিকেল ও প্রাইম মুভার বন্দরে চলাচল করে।
এত বিপুল সংখ্যক যানবাহন চলাচলের কারণে বন্দর এলাকার আশপাশে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়। তবে বন্দর এলাকায় যেকোনো ধরনের মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন ও পথসভার ফলে যানজট সৃষ্টি হয়, যা আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ব্যাহত করে। এতে জাতীয় অর্থনীতির মারাত্মক ক্ষতি হয় এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকি তৈরি হতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ অবস্থায় বন্দরের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও স্বাভাবিক রাখা, সাথে জনশৃঙ্খলা ও শান্তি-নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ ১৯৭৮-এর ২৯ ও ৩০ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় চট্টগ্রাম বন্দর সংলগ্ন বারেক বিল্ডিং মোড়, নিমতলা মোড়, ৩ নম্বর জেটি গেট, কাস্টমস মোড়, সল্টগোলা ক্রসিংসহ অন্যান্য এলাকায় অস্ত্রশস্ত্র, তলোয়ার, বর্শা, বন্দুক, ছোরা, লাঠি, বিস্ফোরক দ্রব্য ও ইট-পাথর বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে। একইসাথে যেকোনো ধরনের মিছিল, সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন ও পথসভাও করা যাবে না।
তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা, মিছিল ও সমাবেশ এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিএনপিপন্থি শ্রমিক-কর্মচারীরা বিক্ষোভ করেন। এর জেরে কয়েকজনকে বদলি করা হয়। এর আগেও দুই দফায় দুই মাস করে বন্দর এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ।