ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দাউদকান্দিতে অগ্নিকাণ্ডে ২০ টি দোকারঘর পুড়ে ছাই ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ৫ কোটি টাকা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:৫২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে
কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকাণ্ডে ২০ টি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের দাবি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-হোমনা সড়ক সংলগ্ন পূর্ব পাশের কাঠপট্টি এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৯ টি ইউনিট আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ২০টি দোকান।স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে,মঙ্গলবার ভোরে একটি ফার্নিচারের দোকান থেকে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে তা পাশের দোকানগুলোতে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে ।
খবর পেয়ে প্রথমে দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে পার্শ্ববর্তী গোমতী নদী থেকে পানি নিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। কিন্তু ফার্নিচারের দোকানে দাহ্য রাসায়নিক (রঙের কেমিক্যাল) থাকায় আগুন দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয়। পরে পার্শ্ববর্তী হোমনা ও চান্দিনা উপজেলা থেকে আরো ৬টি ইউনিট এসে অভিযানে যোগ দেয় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। ৯ টি ইউনিট দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় সকাল ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, আগুনে ১০টি ফার্নিচারের দোকান, ১টি ইলেকট্রিক ও এসি শোরুম, ২টি অটোরিকশা গ্যারেজ, ৪টি মুদি দোকান এবং চাল ও রমজান উপলক্ষে মজুত রাখা খেজুরের গোডাউনসহ ২০ টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ফার্নিচার ব্যবসায়ী আমির হোসেন জানান, আগুনে আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে। শুধু ফার্নিচার মার্কেটেই কয়েক কোটি টাকার মালামাল ছিল। প্রাথমিক হিসাবে এই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে সকাল সাড়ে ১০টায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাছরীন আক্তার , বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড.খন্দকার মারুফ হোসেন ,কুমিল্লা- ১ আসনে জামায়াতে ইসলামে মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মনিরুজ্জামান বাহালুল।।
কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিসের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, দাউদকান্দি, হোমনা ও চান্দিনা থেকে মোট ৯টি ইউনিট সম্মিলিতভাবে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছে ফায়ার সার্ভিস।
 আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানতে তদন্ত চলছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

৬২ উপজেলায় এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি: শেরপুরে বিজিবি মহাপরিচালক

দাউদকান্দিতে অগ্নিকাণ্ডে ২০ টি দোকারঘর পুড়ে ছাই ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ৫ কোটি টাকা

প্রকাশিত : ০৯:৫২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকাণ্ডে ২০ টি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের দাবি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-হোমনা সড়ক সংলগ্ন পূর্ব পাশের কাঠপট্টি এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৯ টি ইউনিট আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ২০টি দোকান।স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে,মঙ্গলবার ভোরে একটি ফার্নিচারের দোকান থেকে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে তা পাশের দোকানগুলোতে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে ।
খবর পেয়ে প্রথমে দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে পার্শ্ববর্তী গোমতী নদী থেকে পানি নিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। কিন্তু ফার্নিচারের দোকানে দাহ্য রাসায়নিক (রঙের কেমিক্যাল) থাকায় আগুন দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয়। পরে পার্শ্ববর্তী হোমনা ও চান্দিনা উপজেলা থেকে আরো ৬টি ইউনিট এসে অভিযানে যোগ দেয় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। ৯ টি ইউনিট দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় সকাল ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, আগুনে ১০টি ফার্নিচারের দোকান, ১টি ইলেকট্রিক ও এসি শোরুম, ২টি অটোরিকশা গ্যারেজ, ৪টি মুদি দোকান এবং চাল ও রমজান উপলক্ষে মজুত রাখা খেজুরের গোডাউনসহ ২০ টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ফার্নিচার ব্যবসায়ী আমির হোসেন জানান, আগুনে আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে। শুধু ফার্নিচার মার্কেটেই কয়েক কোটি টাকার মালামাল ছিল। প্রাথমিক হিসাবে এই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে সকাল সাড়ে ১০টায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাছরীন আক্তার , বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড.খন্দকার মারুফ হোসেন ,কুমিল্লা- ১ আসনে জামায়াতে ইসলামে মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মনিরুজ্জামান বাহালুল।।
কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিসের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, দাউদকান্দি, হোমনা ও চান্দিনা থেকে মোট ৯টি ইউনিট সম্মিলিতভাবে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছে ফায়ার সার্ভিস।
 আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানতে তদন্ত চলছে।