ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

বিএনপির প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ১৭ বছর পর ভোট দিলেন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫ বার দেখা হয়েছে

দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোলা-৩ সংসদীয় (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম তার নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি লালমোহন পৌরসভার আবদুল ওহাব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করেন।

ভোট দেওয়া শেষে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, র্দীঘ ১৭ বছর পর আমি ভোট দিতে পেরেছি। ২০১৮ সালে ভোটের সময় আমাকে গৃহবন্দি করা রাখা হয়েছিল। ঘর থেকেও ১৬ দিন বের হতে পারিনি, নিজের ভোটও দিতে পারিনি।

তিনি আরও বলেন,দেশ গনতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাবে এটাই কামনা। এখন পর্যন্ত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর রয়েছে। আর যারা নির্বাচনে গণ্ডগোল করেন, তারা ভারতে পালিয়ে আছেন। তাই এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ সুন্দর রয়েছে। এসময় তার সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

লক্ষ্মীপুরের ৯ জেলেসহ নিখোঁজ ১৬: তীরে অপেক্ষায় অসহায় পরিবার

বিএনপির প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ১৭ বছর পর ভোট দিলেন

প্রকাশিত : ১২:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোলা-৩ সংসদীয় (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম তার নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি লালমোহন পৌরসভার আবদুল ওহাব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট প্রদান করেন।

ভোট দেওয়া শেষে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, র্দীঘ ১৭ বছর পর আমি ভোট দিতে পেরেছি। ২০১৮ সালে ভোটের সময় আমাকে গৃহবন্দি করা রাখা হয়েছিল। ঘর থেকেও ১৬ দিন বের হতে পারিনি, নিজের ভোটও দিতে পারিনি।

তিনি আরও বলেন,দেশ গনতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাবে এটাই কামনা। এখন পর্যন্ত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর রয়েছে। আর যারা নির্বাচনে গণ্ডগোল করেন, তারা ভারতে পালিয়ে আছেন। তাই এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ সুন্দর রয়েছে। এসময় তার সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।