ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

বরিশালে বসন্তের লাল, সাদা,হলদে ফুল রাঙ্গিয়ে সৌরভ ছড়াচ্ছে প্রকৃতি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:১৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে
বরিশাল প্রতিনিধি: বরিশালের প্রত্যন্ত অঞ্চলে রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন বাড়ির আঙিনায়  নব বসন্তের আগমনে হাসছে লাল সাদা হলদে সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুল, রাঙ্গিয়ে তুলছে প্রকৃতি। শীতের তীব্রতা শেষে ঋতুরাজ বসন্তের আগমনী বার্তা বয়ে আনে শিমুল ফুল। গ্রাম বাংলার অনেক মানুষ ক্যালেন্ডারের তারিখ গণনা করতে না পারলেও অযত্নে অবহেলায় বেড়ে ওঠা শিমুল গাছে ফুল আসলেই তারা বলতে পারে ফাগুন মাস এসেছে। গাঢ় লাল রংয়ের পাপড়ি আর সবুজ রঙের বোটা আবৃত এক অপরূপ ফুলের নাম শিমুল ফুল। এ ফুলের গন্ধ না থাকলেও মৌমাছিরা মধু আহরণ করার জন্য ফুলের উপর বসে গুনগুন শব্দ করে পুরো এলাকায় জানান দেয়। বরিশালের গ্রামীণ   জনপদে শীতের পরেই ঋতুরাজ বসন্তের আগমনী বার্তায় গাছে গাছে ফুটে উঠেছে লাল, সাদা হলদে সহ বিভিন্ন প্রকৃতির ফুল।  বরিশালের  বিভিন্ন গ্রামে বিভিন্ন বাড়ির আঙ্গিনা সহ রাস্তাঘাটে দেখা মিলছে এসব  ফুলের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।
ফুল প্রেমি, মুন্নি আক্তার   বলেন, মাঘ মাসে শিমুল গাছে ফুলের কুঁড়ি আসে। শিমুল কুঁড়ি দিন দিন বৃদ্ধি পেয়ে মাঘের শেষে কুঁড়ি থেকে ফুটে বের হয় লাল শিমুল।ফুলে ফুলে তলিয়ে থাকে ফুলতলা। আমরা কুড়িয়ে এনে মালা গাথি।
গ্রামীণ জনপদের প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে ফুল যুগ যুগ ধরে গ্রাম বাংলার পথে ঘাটে নদ নদীর তীরে,ঝোপ -ঝাড়, জঙ্গল, পুকুর পাড়, রাস্তার পাশে পথে খাটে থাকা মাঠে পথচারীদের দৃষ্টি কাড়ে এসব ফুল । নব বসন্তের হালকা বাতাসে পথ চলতে  মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায় মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্যে।
 যুগ যুগ ধরে অযত্ন অবহেলায় বেড়ে ওঠা  শিমুল সহ  গাছে লাল, সাদা, হলদে  ফুল একবার চোখ পড়লে বারবার দেখতে ইচ্ছা করে। চিরচেনা এ ফুলের দিকে তাকালে মনে পড়ে যায় পুরানো দিনের অনেক স্মৃতি।
 শিমুল ফুল দিয়ে ছেলে বেলার খেলা করার অনেক স্মৃতি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্র মোঃ রাসেল হোসেন  বলেন, এক সময়ে গ্রামের পথে ঘাটে শিমুল ফুল ফুটতো। তা ছিল চোখে পড়ার মতো দৃশ্য। শিমুল গাছ বেশ বড় হলেও এর কাজ তেমন শক্ত হয় না। এর কাজ শুধু জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
তবে শিমুল তুলা, কাপড়, লেপ -তোষক বালিশ বানানোসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি, নদ-নদী কূলকিনারা জমি পতিত স্থান ও জমি হ্রাস পাওয়ায় শিমুল গাছ কমে যাচ্ছে। ফলে প্রকৃতির অপরূপ শোভা দানকারী ও সৌন্দর্যের প্রতীক শিমুল গাছ এখন বিলুপ্তির পথে।
ফুলপ্রেমী সচেতন মহল জানান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় শিমুল ফুলের অবদান অনস্বীকার্য। এ ফুল সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার ফলে সবার মন খুশি থাকে। শিমুল ফুল শোভাধান কারি সবার প্রিয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দাবিদার শিমুল ফুল সহ অন্যান্য প্রজাতির ফুল  অযত্নে অবহেলায় জন্ম নেয়। ব্যক্তি পর্যায়ে শিমুল গাছ সংরক্ষণে কৃষকদের মাঝে গণসচেতনতা সৃষ্টিকর করতে হবে। সেই সাথে জমির মালিক, সরকারি দপ্তরের বন বিভাগ ও বেসরকারি পর্যায়ে সংরক্ষণ করতে গন সচেতনতা সৃষ্টি করতে দ্রুত এগিয়ে আসলে আবারও জেগে উঠবে শিমুল গাছ। তা না হলে একদিন হারিয়ে যাবে প্রকৃতির অপরূপ শোভা দানকারী ও সৌন্দর্যের প্রতি শিমুল গাছ ও ফুল।

নওগাঁর নিয়ামতপুরে প্রকাশ্যে মাদকের ছড়াছড়ি এ যেন দেখার কেউ নেয়

বরিশালে বসন্তের লাল, সাদা,হলদে ফুল রাঙ্গিয়ে সৌরভ ছড়াচ্ছে প্রকৃতি

প্রকাশিত : ০৫:১৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
বরিশাল প্রতিনিধি: বরিশালের প্রত্যন্ত অঞ্চলে রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন বাড়ির আঙিনায়  নব বসন্তের আগমনে হাসছে লাল সাদা হলদে সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুল, রাঙ্গিয়ে তুলছে প্রকৃতি। শীতের তীব্রতা শেষে ঋতুরাজ বসন্তের আগমনী বার্তা বয়ে আনে শিমুল ফুল। গ্রাম বাংলার অনেক মানুষ ক্যালেন্ডারের তারিখ গণনা করতে না পারলেও অযত্নে অবহেলায় বেড়ে ওঠা শিমুল গাছে ফুল আসলেই তারা বলতে পারে ফাগুন মাস এসেছে। গাঢ় লাল রংয়ের পাপড়ি আর সবুজ রঙের বোটা আবৃত এক অপরূপ ফুলের নাম শিমুল ফুল। এ ফুলের গন্ধ না থাকলেও মৌমাছিরা মধু আহরণ করার জন্য ফুলের উপর বসে গুনগুন শব্দ করে পুরো এলাকায় জানান দেয়। বরিশালের গ্রামীণ   জনপদে শীতের পরেই ঋতুরাজ বসন্তের আগমনী বার্তায় গাছে গাছে ফুটে উঠেছে লাল, সাদা হলদে সহ বিভিন্ন প্রকৃতির ফুল।  বরিশালের  বিভিন্ন গ্রামে বিভিন্ন বাড়ির আঙ্গিনা সহ রাস্তাঘাটে দেখা মিলছে এসব  ফুলের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।
ফুল প্রেমি, মুন্নি আক্তার   বলেন, মাঘ মাসে শিমুল গাছে ফুলের কুঁড়ি আসে। শিমুল কুঁড়ি দিন দিন বৃদ্ধি পেয়ে মাঘের শেষে কুঁড়ি থেকে ফুটে বের হয় লাল শিমুল।ফুলে ফুলে তলিয়ে থাকে ফুলতলা। আমরা কুড়িয়ে এনে মালা গাথি।
গ্রামীণ জনপদের প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে ফুল যুগ যুগ ধরে গ্রাম বাংলার পথে ঘাটে নদ নদীর তীরে,ঝোপ -ঝাড়, জঙ্গল, পুকুর পাড়, রাস্তার পাশে পথে খাটে থাকা মাঠে পথচারীদের দৃষ্টি কাড়ে এসব ফুল । নব বসন্তের হালকা বাতাসে পথ চলতে  মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায় মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্যে।
 যুগ যুগ ধরে অযত্ন অবহেলায় বেড়ে ওঠা  শিমুল সহ  গাছে লাল, সাদা, হলদে  ফুল একবার চোখ পড়লে বারবার দেখতে ইচ্ছা করে। চিরচেনা এ ফুলের দিকে তাকালে মনে পড়ে যায় পুরানো দিনের অনেক স্মৃতি।
 শিমুল ফুল দিয়ে ছেলে বেলার খেলা করার অনেক স্মৃতি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্র মোঃ রাসেল হোসেন  বলেন, এক সময়ে গ্রামের পথে ঘাটে শিমুল ফুল ফুটতো। তা ছিল চোখে পড়ার মতো দৃশ্য। শিমুল গাছ বেশ বড় হলেও এর কাজ তেমন শক্ত হয় না। এর কাজ শুধু জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
তবে শিমুল তুলা, কাপড়, লেপ -তোষক বালিশ বানানোসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি, নদ-নদী কূলকিনারা জমি পতিত স্থান ও জমি হ্রাস পাওয়ায় শিমুল গাছ কমে যাচ্ছে। ফলে প্রকৃতির অপরূপ শোভা দানকারী ও সৌন্দর্যের প্রতীক শিমুল গাছ এখন বিলুপ্তির পথে।
ফুলপ্রেমী সচেতন মহল জানান, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় শিমুল ফুলের অবদান অনস্বীকার্য। এ ফুল সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার ফলে সবার মন খুশি থাকে। শিমুল ফুল শোভাধান কারি সবার প্রিয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দাবিদার শিমুল ফুল সহ অন্যান্য প্রজাতির ফুল  অযত্নে অবহেলায় জন্ম নেয়। ব্যক্তি পর্যায়ে শিমুল গাছ সংরক্ষণে কৃষকদের মাঝে গণসচেতনতা সৃষ্টিকর করতে হবে। সেই সাথে জমির মালিক, সরকারি দপ্তরের বন বিভাগ ও বেসরকারি পর্যায়ে সংরক্ষণ করতে গন সচেতনতা সৃষ্টি করতে দ্রুত এগিয়ে আসলে আবারও জেগে উঠবে শিমুল গাছ। তা না হলে একদিন হারিয়ে যাবে প্রকৃতির অপরূপ শোভা দানকারী ও সৌন্দর্যের প্রতি শিমুল গাছ ও ফুল।