ঢাকা ০৩:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেত্রকোনায় হামের সংক্রমণ বাড়ছে, আক্রান্ত ১ শিশুর মৃত্যু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:৩৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৯০ বার দেখা হয়েছে
নেত্রকোনায় শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ বাড়ছে।নেত্রকোনায় হাসপাতাল গুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে হামের নতুন রোগীর সংখ্যা।বিশেষ সূত্রে জানা যায়, এ রোগের চিকিৎসায় নেত্রকোনা জেলা উপজেলার সবগুলো সরকারি হাসপাতালে আলাদা কর্নার চালু করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। গত ১৫ দিনে জেলায় ৫১ শিশুর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। সন্দেহজনক শনাক্তের সংখ্যা ১০৭ জন। এর মধ্যে ঢাকা থেকে পাঠানো ৫১ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে ১০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের শিশু চিকিৎসা বিষয়ক কর্মকর্তা ডা. আবু রায়হান জানান, হামের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে গত ১৪-১৫ দিনে সদর হাসপাতালে ২৯ শিশু ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে রেফার্ড করা চারজনের মধ্যে এক শিশু সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। ১৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। আর ১২ জন বর্তমানে ভর্তি রয়েছে। প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলেও জানান তিনি।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. গোলাম মাওলা জানান, জেলায় হামের সন্দেহজনক, উপসর্গ ও নিশ্চিত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। জেলায় এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১০৭ জন। ল্যাব পরীক্ষার জন্য এ পর্যন্ত ৮৭ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। হামে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী। শুধুমাত্র ৪ এপ্রিলেই নতুন করে ২৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী তালিকাভুক্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ১৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পূর্বধলা, মদন এবং কেন্দুয়া উপজেলাতেও সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।
সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম মাওলা আরও বলেন, যেহেতু এখন নয় মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই, এমনকি জীবনের প্রথম টিকা পাওয়ার আগেই শিশুরা হামে আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে। তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা টিকা দেওয়ার বয়সসীমা কমিয়ে এনেছি। এখন ছয় মাস বয়স থেকেই শিশুদের হামের টিকা দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশের বয়স ৯ মাসের নিচে এবং ১৫ থেকে ২০ শতাংশের বয়স ২ বছরের মধ্যে। শিশুদের মধ্যেই সংক্রমণের হার বেশি হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

মাদারীপুরে মাসিক আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আশরাফুর রহমান হাকিম, মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের কালকিনিতে মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও মাসিক সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান তালুকদার খোকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহবুব হোসেন মুন্সিসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা। সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, যানজট, বাজার ব্যবস্থাপনা, জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমসহ স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা ও সমন্বয়ের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি জনসাধারণের সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নেত্রকোনায় হামের সংক্রমণ বাড়ছে, আক্রান্ত ১ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত : ১০:৩৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
নেত্রকোনায় শিশুদের মধ্যে হামের সংক্রমণ বাড়ছে।নেত্রকোনায় হাসপাতাল গুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে হামের নতুন রোগীর সংখ্যা।বিশেষ সূত্রে জানা যায়, এ রোগের চিকিৎসায় নেত্রকোনা জেলা উপজেলার সবগুলো সরকারি হাসপাতালে আলাদা কর্নার চালু করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। গত ১৫ দিনে জেলায় ৫১ শিশুর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। সন্দেহজনক শনাক্তের সংখ্যা ১০৭ জন। এর মধ্যে ঢাকা থেকে পাঠানো ৫১ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টে ১০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের শিশু চিকিৎসা বিষয়ক কর্মকর্তা ডা. আবু রায়হান জানান, হামের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে গত ১৪-১৫ দিনে সদর হাসপাতালে ২৯ শিশু ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে রেফার্ড করা চারজনের মধ্যে এক শিশু সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। ১৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। আর ১২ জন বর্তমানে ভর্তি রয়েছে। প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলেও জানান তিনি।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. গোলাম মাওলা জানান, জেলায় হামের সন্দেহজনক, উপসর্গ ও নিশ্চিত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। জেলায় এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১০৭ জন। ল্যাব পরীক্ষার জন্য এ পর্যন্ত ৮৭ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। হামে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী। শুধুমাত্র ৪ এপ্রিলেই নতুন করে ২৫ জন সন্দেহজনক হাম রোগী তালিকাভুক্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ১৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পূর্বধলা, মদন এবং কেন্দুয়া উপজেলাতেও সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।
সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম মাওলা আরও বলেন, যেহেতু এখন নয় মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই, এমনকি জীবনের প্রথম টিকা পাওয়ার আগেই শিশুরা হামে আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে। তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা টিকা দেওয়ার বয়সসীমা কমিয়ে এনেছি। এখন ছয় মাস বয়স থেকেই শিশুদের হামের টিকা দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশের বয়স ৯ মাসের নিচে এবং ১৫ থেকে ২০ শতাংশের বয়স ২ বছরের মধ্যে। শিশুদের মধ্যেই সংক্রমণের হার বেশি হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।