ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

জঙ্গল সলিমপুরে রাষ্ট্রের ভেতর রাষ্ট্র হতে দেওয়া হবে না: এসপি মাসুদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:৪৯:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে
জঙ্গল সলিমপুরে রাষ্ট্রের ভেতর রাষ্ট্র হতে দেওয়া হবে না। সবাইকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। জঙ্গল সলিমপুরে যত ঝাঁকুনি দিক আমাদের পিছু হটার সুযোগ নেই।
ইয়াসিন, রোকন বা যত বড় বাহিনী জড়িত থাকুক, সবাইকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।
সোমবার (২৫ মে) সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে আলিনগর স্কুল এলাকায় অভিযানে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, হামলার আগে ভেকু মেশিন দিয়ে বিভিন্ন স্থানে রাস্তা কেটে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। একইসঙ্গে আলিনগর এলাকায় নির্মাণাধীন একটি অস্থায়ী ক্যাম্প লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় যৌথ বাহিনীর দুটি ক্যাম্প ছিল। একটি প্রবেশমুখে এবং অন্যটি আলিনগর এলাকায়। নতুন যে অস্থায়ী ক্যাম্প নির্মাণ করা হচ্ছিল, সেটিই ছিল হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য। সেখানে যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্থায়ীভাবে অবস্থান নিতে না পারে, সে উদ্দেশ্যেই হামলা চালানো হয়েছে। আলিনগর স্কুলে র‍্যাব, পুলিশ, এপিবিএন ও আরআরএফ সদস্যরা অবস্থান করছিলেন।
হামলাকারীরা চেয়েছিল, বাহিনীর সদস্যরা যেন ক্যাম্প থেকে বের হতে না পারেন। এজন্য কিছু ক্ষেত্রে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়। পাল্টা জবাবে যৌথ বাহিনীর সদস্যরাও শর্টগান, চাইনিজ রাইফেল ও গ্যাস গান ব্যবহার করেন। পুরো ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে ১০৪ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে জানান এসপি মাসুদ আলম।
তিনি আরও বলেন, কঠোর প্রতিরোধের কারণে হামলাকারীরা ক্যাম্পে ঢুকতে পারেনি এবং বাহিনীর কোনো সদস্য হতাহত হননি। তবে হামলাকারীরা এক্সক্যাভেটর দিয়ে ক্যাম্পের কিছু অবকাঠামো ভেঙে ফেলেছে। রাস্তা কেটে দেওয়ায় অনেককে হেঁটে ঘটনাস্থলে যেতে হয়েছে। শেষ রাতে হামলাকারীরা পাহাড়ি এলাকায় গা ঢাকা দেয়। জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় কোটি কোটি টাকার স্বার্থ জড়িত থাকায় সন্ত্রাসীরা আধিপত্য ধরে রাখতে এ হামলা চালিয়েছে। দ্রুত সড়ক নির্মাণ হলে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ৮০ শতাংশ সমস্যার সমাধান হবে।
এদিকে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় দুর্বৃত্তদের তাণ্ডব, ভাঙচুর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৩১ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বর্তমানে প্রশাসনের উদ্যোগে কেটে ফেলা রাস্তা পুনরায় ভরাটের কাজ চলমান রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৩১ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের আলীনগর পুলিশ ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, বর্তমানে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎপৃষ্টে একজনের মৃত্যু

জঙ্গল সলিমপুরে রাষ্ট্রের ভেতর রাষ্ট্র হতে দেওয়া হবে না: এসপি মাসুদ

প্রকাশিত : ১০:৪৯:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
জঙ্গল সলিমপুরে রাষ্ট্রের ভেতর রাষ্ট্র হতে দেওয়া হবে না। সবাইকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। জঙ্গল সলিমপুরে যত ঝাঁকুনি দিক আমাদের পিছু হটার সুযোগ নেই।
ইয়াসিন, রোকন বা যত বড় বাহিনী জড়িত থাকুক, সবাইকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।
সোমবার (২৫ মে) সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে আলিনগর স্কুল এলাকায় অভিযানে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, হামলার আগে ভেকু মেশিন দিয়ে বিভিন্ন স্থানে রাস্তা কেটে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। একইসঙ্গে আলিনগর এলাকায় নির্মাণাধীন একটি অস্থায়ী ক্যাম্প লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় যৌথ বাহিনীর দুটি ক্যাম্প ছিল। একটি প্রবেশমুখে এবং অন্যটি আলিনগর এলাকায়। নতুন যে অস্থায়ী ক্যাম্প নির্মাণ করা হচ্ছিল, সেটিই ছিল হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য। সেখানে যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী স্থায়ীভাবে অবস্থান নিতে না পারে, সে উদ্দেশ্যেই হামলা চালানো হয়েছে। আলিনগর স্কুলে র‍্যাব, পুলিশ, এপিবিএন ও আরআরএফ সদস্যরা অবস্থান করছিলেন।
হামলাকারীরা চেয়েছিল, বাহিনীর সদস্যরা যেন ক্যাম্প থেকে বের হতে না পারেন। এজন্য কিছু ক্ষেত্রে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়। পাল্টা জবাবে যৌথ বাহিনীর সদস্যরাও শর্টগান, চাইনিজ রাইফেল ও গ্যাস গান ব্যবহার করেন। পুরো ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে ১০৪ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে জানান এসপি মাসুদ আলম।
তিনি আরও বলেন, কঠোর প্রতিরোধের কারণে হামলাকারীরা ক্যাম্পে ঢুকতে পারেনি এবং বাহিনীর কোনো সদস্য হতাহত হননি। তবে হামলাকারীরা এক্সক্যাভেটর দিয়ে ক্যাম্পের কিছু অবকাঠামো ভেঙে ফেলেছে। রাস্তা কেটে দেওয়ায় অনেককে হেঁটে ঘটনাস্থলে যেতে হয়েছে। শেষ রাতে হামলাকারীরা পাহাড়ি এলাকায় গা ঢাকা দেয়। জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় কোটি কোটি টাকার স্বার্থ জড়িত থাকায় সন্ত্রাসীরা আধিপত্য ধরে রাখতে এ হামলা চালিয়েছে। দ্রুত সড়ক নির্মাণ হলে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ৮০ শতাংশ সমস্যার সমাধান হবে।
এদিকে জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় দুর্বৃত্তদের তাণ্ডব, ভাঙচুর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৩১ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বর্তমানে প্রশাসনের উদ্যোগে কেটে ফেলা রাস্তা পুনরায় ভরাটের কাজ চলমান রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৩১ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের আলীনগর পুলিশ ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, বর্তমানে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।