‘সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬’ এর ধারা ২০ বাদ দিয়ে আইনটিতে সংশোধনী এনে ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ এর বিল জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। সর্বশেষ মূল আইনের ২০ ধারায় এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান ছিল।
মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনে বিলটি উপস্থাপনের পর সর্বসম্মতিক্রমে তা পাস হয়। বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং ২০২৬ সালের সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ ধারায় কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছিল। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল পাস হওয়া ‘সাইবার সুরক্ষা আইনে’র ২০ ধারায় বলা ছিল, ‘কোনও ব্যক্তি যদি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার উদ্দেশ্যে কোনও পোর্টাল, অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি ও পরিচালনা করেন, জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন কিংবা এতে সহায়তা ও উৎসাহ দেন, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।’ এমনকি এই আইনে জুয়ার বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ বা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচারণা চালালেও তা অপরাধের আওতায় পড়ত। এই অপরাধের শাস্তি হিসেবে অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড, অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছিল।
এই ধারাটি বিলুপ্ত করে ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ বিলটি পাস করা হয়। ধারাটি বিলুপ্ত করার কারণ হিসেবে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ব্যাখ্যা দেন।
‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’ সংসদে পাস হওয়ার কারণে সাইবার সুরক্ষা আইনের ২০ ধারা বাদ দিয়ে ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ সংসদে পাস করা হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট 

















