ঢাকা ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে লবন কারখানায় আগুন, দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১০:৩০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার কনফিডেন্স লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১০ শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে দগ্ধ শ্রমিকদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন জানান, বোয়ালখালী পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার কনফিডেন্স লবন কারখানায় শ্রমিকরা কাজ করার সময় হঠাৎ আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দগ্ধ শ্রমিকরা হলেন- দিদারুল আলম (৩২), উজ্জ্বল দাশ (৫৩), মোহাম্মদ লিটন (২৮), সিরাজুল ইসলাম (৩৪), জাহিদুল আলম (৪২), মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (৩৮), নূর নবী (২৫), মোহাম্মদ আলম (৪৫), মাহমুদুল হক (৪৫) এবং সেলিম উদ্দিন (৩০)।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন জানান, দগ্ধদের মধ্যে ৮ জনের শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকি ২ জনের অবস্থা তুলনামূলক ভালো হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।
আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের সব সরকারি পলিটেকনিকের শিক্ষক-শিক্ষার্থীর তথ্য তলব

চট্টগ্রামে লবন কারখানায় আগুন, দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

প্রকাশিত : ১০:৩০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার কনফিডেন্স লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১০ শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে দগ্ধ শ্রমিকদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন জানান, বোয়ালখালী পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার কনফিডেন্স লবন কারখানায় শ্রমিকরা কাজ করার সময় হঠাৎ আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দগ্ধ শ্রমিকরা হলেন- দিদারুল আলম (৩২), উজ্জ্বল দাশ (৫৩), মোহাম্মদ লিটন (২৮), সিরাজুল ইসলাম (৩৪), জাহিদুল আলম (৪২), মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (৩৮), নূর নবী (২৫), মোহাম্মদ আলম (৪৫), মাহমুদুল হক (৪৫) এবং সেলিম উদ্দিন (৩০)।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন জানান, দগ্ধদের মধ্যে ৮ জনের শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকি ২ জনের অবস্থা তুলনামূলক ভালো হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।
আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।