জুবাইয়া বিন্তে কবির: পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) আজ যেন এক নতুন আলোয় উদ্ভাসিত। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতের বাসভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফের সিদ্ধান্তকে ঘিরে ক্যাম্পাসে বইছে আনন্দের স্রোত, ছড়িয়ে পড়েছে কৃতজ্ঞতার উষ্ণতা। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সবাই যেন এক সুরে উচ্চারণ করছেন এক নাম: ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান। তাঁদের কাছে এ সিদ্ধান্ত শুধু একটি প্রশাসনিক ঘোষণা নয়; এটি শিক্ষার্থীবান্ধব নেতৃত্ব, মানবিক উপলব্ধি এবং সময়োপযোগী সুশাসনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি জ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্বের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ পায় সংকটের সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে। ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর হেমায়েত জাহান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই যে শিক্ষা, গবেষণা, স্বচ্ছতা এবং শিক্ষার্থীকেন্দ্রিকতার কথা বলে আসছেন, বাসভাড়া মওকুফের এই পদক্ষেপ সেই অঙ্গীকারেরই বাস্তব প্রতিফলন। বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি কনফারেন্স হলে গত ১০ জুন তিনি শিক্ষার্থীদের বাসভাড়া মওকুফের ঘোষণা দিয়েছিলেন। মাত্র এক মাসের মধ্যে, ১৪ জুলাই অফিস আদেশ জারির মাধ্যমে সেই ঘোষণা কার্যকর হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা দেয় গভীর স্বস্তি ও উচ্ছ্বাস। প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়নের এই সামঞ্জস্য তাঁকে নিয়ে গেছে আস্থার উচ্চতর আসনে। এ সিদ্ধান্তের প্রশংসায় মুখর হয়েছেন পবিপ্রবির পুরো পরিবার । বিষয়টি নিয়ে কর্মচারীদের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তাদের মাঝে দেখা গেছে আনন্দের ছাপ। কর্মচারী মোঃ ইমরান, আনিসুর রহমান, ড্রাইভার ইউনুস, বেল্লাল, মোশারেফ, জাফর, কামাল, সুব্রত এবং রহমান তাঁরা সবাই একবাক্যে বলেন, ভাইস-চ্যান্সেলর স্যার শিক্ষার্থীদের জন্য যে আন্তরিকতা দেখিয়েছেন, তা প্রশংসার যোগ্য। তাঁদের মতে, একজন প্রশাসক যখন শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিজের দায়িত্ব মনে করেন, তখন সেই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সবাই একটি গর্বিত পরিবারের অংশ হয়ে ওঠেন। তাঁরা মনে করেন, এই সিদ্ধান্ত পবিপ্রবির প্রশাসনিক ইতিহাসে একটি ইতিবাচক অধ্যায় হয়ে থাকবে।
শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়ায় ছিল আরও সরল, আরও আবেগময়, আরও হৃদয়ছোঁয়া সুর। ফিসারিজ অনুষদের শিক্ষার্থী ও পবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সাদারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা জনি বলেন, বাসভাড়া মওকুফের সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের জন্য সত্যিকারের স্বস্তি এসেছে। তাঁর মতে, অনেক সময়ই শিক্ষার্থীদের হাতে বইয়ের চেয়ে আগে আসে যাতায়াতের হিসাব। সেই কঠিন বাস্তবতায় এই সিদ্ধান্ত এক বিশাল সহায়তা। এমবিএ এর শিক্ষার্থী ও পবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম রাতুলও ভাইস-চ্যান্সেলরের এই পদক্ষেপকে শিক্ষার্থীবান্ধব বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ভিসি স্যার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই শিক্ষার্থীদের পাশে আছেন, আর এই উদ্যোগ তারই প্রমাণ। এফবিএ অনুষদের শিক্ষার্থী শায়লা, আয়শা ও প্রিয়ন্তি বলেন, এমন সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের মনে একধরনের আত্মবিশ্বাস তৈরি করে। তাঁর মতে, একটি বিশ্ববিদ্যালয় তখনই সত্যিকারের পরিবার হয়ে ওঠে, যখন শিক্ষার্থীরা অনুভব করে তাদের কথা শোনার কেউ আছে। ভেটেরিনারি অনুষদের কানিজ ফাতিমা বলেন, বাসভাড়া মওকুফের ফলে আমাদের অনেক শিক্ষার্থী আর্থিকভাবে উপকৃত হবে, বিশেষ করে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানরা। শফিকুল ইসলাম আকাশ নামের এফবিএর আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই সিদ্ধান্ত শুধু টাকা বাঁচানোর নয়; এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি ভালোবাসা, আস্থা ও সম্মান বাড়ানোর একটি উদ্যোগ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারাও এই সিদ্ধান্তকে সাদরে গ্রহণ করেছেন। প্রধান খামার তত্ত্বাবধায়ক কৃষিবিদ মোঃ আরিফুর রহমান নোমান বলেন, শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা ভেবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি দূরদর্শী পদক্ষেপ। তাঁর মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত উন্নয়ন হয় তখনই, যখন নেতৃত্বের অগ্রাধিকার তালিকায় শিক্ষার্থীর কল্যাণ থাকে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, এতে শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের মধ্যে ইতিবাচক আবহ তৈরি হয়েছে। তিনি মনে করেন, প্রশাসনের এমন পদক্ষেপ অন্যান্য ক্ষেত্রেও গতি আনবে। রেজিস্ট্রার শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার মাহমুদ আল জামান, লোকমান হোসেন মিঠু, মোঃ কবির সিকদার এবং প্রকিউরমেন্ট অফিসার মোঃ মাসুদুর রহমান বলেন, ভাইস-চ্যান্সেলর স্যারের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর ভাষায়, “সঠিক সময়ে নেওয়া সঠিক সিদ্ধান্তই প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নেয়।” সেকশন অফিসার মোঃ কাজি কাইউমও একে একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ বলে অভিহিত করেন। তাঁর মতে, বাসভাড়া মওকুফের সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ করবে এবং প্রশাসনের প্রতি তাদের আস্থাও বৃদ্ধি করবে।
ইএসডিএম অনুষদের সহকারী অধ্যাপক এবং অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের উপপরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মুহাইমিনুল আলম ফাইয়াজ বলেন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের কষ্ট লাঘবে বাসভাড়া মওকুফের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
সিএসই অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ খোকন হোসেনের মতে, একজন ভাইস-চ্যান্সেলর যখন শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন সমস্যাকে নিজের পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখেন, তখন তা কেবল প্রশাসনিক দক্ষতা নয়, বরং নেতৃত্বের মানবিকতা প্রকাশ করে। পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মোঃ ইফতেখারুল আলম এবং এফবিএ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ হাছান উদ্দিন মনে করেন, এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি বাড়াবে এবং তাদের আর্থিক চাপ কমিয়ে পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে সহায়তা করবে। এগ্রোফরেস্ট্রি বিভাগের সিনিয়র প্রফেসর ড. মোঃ মাসুদুর রহমান মনে করেন, এই উদ্যোগ পবিপ্রবির প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও এফবিএ অনুষদের সিনিয়র প্রফেসর আবুল বাশার খান শিক্ষার্থীদের বাসভাড়া মওকুফের বিষয়ে ভিসি স্যারের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে এটিকে নিঃসন্দেহে একটি সময়োপযোগী ও শিক্ষার্থীবান্ধব পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের উদ্যোগ পবিপ্রবিকে আরও সুশৃঙ্খল, শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক ও বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পরিবহন কর্মকর্তা ও আইন অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আব্দুর রহিম বলেন, ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের বাসভাড়া মওকুফের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে পরিবহন শাখা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করেছে। তাঁর ভাষায়, “বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমিত পরিবহন সক্ষমতার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের জন্য এমন একটি কল্যাণমূলক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা ছিল সময়ের দাবি।” তিনি জানান, নির্ধারিত রুট ও সময়সূচি মেনে চলার মাধ্যমে এই সেবা সুশৃঙ্খলভাবে চালু রাখা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত রেজিস্ট্রার ও এন্টোমলজি বিভাগের সিনিয়র প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এই উদ্যোগকে যুগান্তকারী হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য এমন কার্যকর ও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আস্থা বাড়ায়। এটি শুধু আর্থিক স্বস্তিই দেবে না, বরং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি, একাডেমিক মনোযোগ এবং ক্যাম্পাসে স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ চলাচলও নিশ্চিত করবে। তিনি বলেন, “একজন উপাচার্য যখন শিক্ষার্থীর কষ্টকে হৃদয়ে ধারণ করে সিদ্ধান্ত নেন, তখন তা কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত থাকে না; তা হয়ে ওঠে মানবিক নেতৃত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।” তিনি আরও বলেন, এ সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন স্বস্তির, তেমনি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও দক্ষতারও একটি ইতিবাচক উদাহরণ। তাঁর প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতে পরিবহন ব্যবস্থাপনা আরও আধুনিক ও সুশৃঙ্খল রূপ পাবে।
বিশ্ববিদ্যালয়টির স্বনামধন্য ভাইস-চ্যান্সেলর বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, এন্টোমলজিস্ট ও গবেষক প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, এবং তাদের জন্য যাতায়াত ব্যয় অনেক সময়ই বড় চাপ হয়ে দাঁড়ায়। তাই তাদের নিয়মিত যাতায়াত নিশ্চিত করতে বাসভাড়া মওকুফ করা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, শিক্ষার্থীরা যেন নির্ভার হয়ে পড়াশোনা ও গবেষণায় মনোযোগ দিতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করাই প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হলে শুধু অবকাঠামো যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন গবেষণার সংস্কৃতি, শিক্ষার্থীকল্যাণ, স্বচ্ছ প্রশাসন, দক্ষ জনবল এবং একাডেমিক উৎকর্ষ। পবিপ্রবিকে এমন এক উচ্চতায় নিতে তিনি কাজ করে যেতে চান, যেখানে দেশ-বিদেশে বিশ্ববিদ্যালয়টির পরিচিতি গড়ে উঠবে জ্ঞান, উদ্ভাবন ও মানবিকতার সমন্বয়ে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট হয় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়কে কেবল পরিচালনা করতে চান না, বরং একে নতুনভাবে গড়তে চান; এমনভাবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গর্ব করে বলতে পারে, পবিপ্রবি একটি স্বপ্নের বিদ্যাপীঠ।
বিশ্ববিদ্যালয়টির ভাইস-চ্যান্সেলরের এই পদক্ষেপে যে আনন্দের ঢেউ উঠেছে, তা কেবল বাসভাড়া মওকুফের সুবিধার কারণেই নয়; বরং এর গভীরে আছে একটি বার্তা শিক্ষার্থীর পাশে থাকা যায়, থাকা উচিত, এবং থাকা সম্ভব। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাঙ্গনে যখন অনেক সময় শিক্ষার্থীদের অভিযোগই শোনা যায়, তখন পবিপ্রবি এক আশাব্যঞ্জক ব্যতিক্রম হয়ে উঠেছে। এ ব্যতিক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন এমন একজন ভাইস-চ্যান্সেলর, যিনি কথা ও কাজের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে এনেছেন।
শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রশংসা প্রমাণ করে, একটি প্রশাসনের সবচেয়ে বড় শক্তি তার গ্রহণযোগ্যতা। আর গ্রহণযোগ্যতা জন্ম নেয় যখন মানুষ দেখে নেতা কেবল ঘোষণা করেন না, তিনি বাস্তবায়ন করেন; তিনি শুধু স্বপ্ন দেখান না, সেই স্বপ্নের রাস্তাও তৈরি করেন। পবিপ্রবিতে আজ তেমনই এক নেতৃত্বের দেখা মিলেছে। শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি, শিক্ষকদের প্রশংসা, কর্মকর্তাদের সন্তোষ, কর্মচারীদের উচ্ছ্বাস সব মিলিয়ে ক্যাম্পাস যেন এক হৃদয়গ্রাহী সুরে ভরে উঠেছে।
পরিশেষে বলা যায়, এই সিদ্ধান্ত কেবল একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়; এটি শিক্ষার্থীর স্বপ্নযাত্রাকে সহজ করার এক মানবিক অঙ্গীকার। ছোট ছোট কল্যাণমুখী সিদ্ধান্তই একদিন বড় পরিবর্তনের ভিত্তি গড়ে দেয় পবিপ্রবির এ উদ্যোগ তারই উজ্জ্বল উদাহরণ। ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হেমায়েত জাহানের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীবান্ধব, গবেষণাসমৃদ্ধ ও স্বচ্ছ এক ক্যাম্পাসের যে স্বপ্ন আজ অঙ্কুরিত হয়েছে, তা যদি এভাবেই এগিয়ে যায়, তবে পবিপ্রবি একদিন দেশের শ্রেষ্ঠ ও বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সারিতে উজ্জ্বল স্থান করে নেবে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অভিন্ন প্রত্যাশা এই আলোর পথচলা যেন দীর্ঘ হয়, আরও পরিপূর্ণ হয়, আর পবিপ্রবির নাম যেন জ্ঞান, ন্যায় ও মানবিকতার প্রতীক হয়ে চিরকাল উচ্চারিত হয়।
লেখক : জুবাইয়া বিন্তে কবির
অর্থনীতিবিদ, গবেষক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট

ডেস্ক রিপোর্ট 






















