ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

নেত্রকোনায় ঘুমে ট্রেনের দরজা থেকে ছিটকে যুবকের মৃত্যু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:৩২:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে

নেত্রকোনায় আন্তঃনগর হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনের দরজা থেকে ছিটকে পড়ে মুহিদ খান (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার ভোর ৪ টার দিকে জেলা শহরের রাজুরবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মোহনগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত মুহিদ উপজেলার তেতুলিয়া ইউনিয়নের বড়পাইকুড়া গ্রামের মইনুল কবীর খানের ছেলে। তিনি ঢাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে ঢাকা থেকে আন্তঃনগর হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনে বাড়ি ফিরছিলেন মুহিদ। টিকেট না পাওয়ায় ট্রেনের দরজার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ভোরে ঘুম পেলে হাত ছুটে নিচে পড়ে যান। এতে তার একটি পা ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে আলাদা হয়ে যায়। শরীরের বাকি অংশ পাশের একটি ডোবার পানিতে পড়ে তলিয়ে যায়। ঘটনার পর আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে রেলওয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে মোহনগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

নিহতের চাচাতো ভাই দেওয়ান রিয়াদ বলেন, ঢাকা থেকে আন্তঃনগর হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনে বাড়ি ফিরছিল মুহিদ। দরজার পাশে দাঁড়িয়ে আসতেছিল। ভোরে চোখে ঘুম চলে এলে হাত ছুটে যায়। পড়ে রাজুর বাজার এলাকায় দরজা থেকে ছিটকে পড়ে মুহিদ। খবর পেয়ে লাশ বুঝে নেওয়ার জন্য পরিবারের সবাই আমরা এখন নেত্রকোনায় রয়েছি।

মোহনগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোবারক হোসেন বলেন, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের লোকজন ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরে ভুয়া নাম দিয়ে ফেসবুক আইডি ব্যবহারকারী গ্রেফতার

নেত্রকোনায় ঘুমে ট্রেনের দরজা থেকে ছিটকে যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত : ১২:৩২:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

নেত্রকোনায় আন্তঃনগর হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনের দরজা থেকে ছিটকে পড়ে মুহিদ খান (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার ভোর ৪ টার দিকে জেলা শহরের রাজুরবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মোহনগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত মুহিদ উপজেলার তেতুলিয়া ইউনিয়নের বড়পাইকুড়া গ্রামের মইনুল কবীর খানের ছেলে। তিনি ঢাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে ঢাকা থেকে আন্তঃনগর হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনে বাড়ি ফিরছিলেন মুহিদ। টিকেট না পাওয়ায় ট্রেনের দরজার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ভোরে ঘুম পেলে হাত ছুটে নিচে পড়ে যান। এতে তার একটি পা ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে আলাদা হয়ে যায়। শরীরের বাকি অংশ পাশের একটি ডোবার পানিতে পড়ে তলিয়ে যায়। ঘটনার পর আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে রেলওয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে মোহনগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

নিহতের চাচাতো ভাই দেওয়ান রিয়াদ বলেন, ঢাকা থেকে আন্তঃনগর হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনে বাড়ি ফিরছিল মুহিদ। দরজার পাশে দাঁড়িয়ে আসতেছিল। ভোরে চোখে ঘুম চলে এলে হাত ছুটে যায়। পড়ে রাজুর বাজার এলাকায় দরজা থেকে ছিটকে পড়ে মুহিদ। খবর পেয়ে লাশ বুঝে নেওয়ার জন্য পরিবারের সবাই আমরা এখন নেত্রকোনায় রয়েছি।

মোহনগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোবারক হোসেন বলেন, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের লোকজন ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।