ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুন্দরবনে দস্যু নানা ভাই বাহিনী প্রধানসহ ১২ ডাকাত আত্মসমর্পণ, অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:৩৮:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার দেখা হয়েছে

বাগেরহাট প্রতিনিধি: সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু নানা ভাই বাহিনীর প্রধানসহ ১২ সদস্য কোস্টগার্ড বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কোস্টগার্ড বেজ মোংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে এসব দস্যুরা আত্মসমর্পণ করেন।

এসময়, আত্মসমর্পনকারীরা কোস্টগার্ডের কাছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আলোর পথে ফেরা দস্যুদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া শেষে প্রেসব্রিফিংয়ে পুরো প্রক্রিয়া জানান কোস্টগার্ড জাহাজ বিসিজিএস কামরুজ্জামানের নির্বাহী কর্মকর্তা কমান্ডার মোঃ মানসুরুন মাহ্‌দীন।

তিনি বলেন, সুন্দরবনের দস্যু দমনে কোস্টগার্ড নিয়মিত বিভিন্ন অভিযান ও অপারেশন পরিচালনা করছে।

সুন্দরবনে দস্যুরা কোনঠাসা হয়ে পড়েছে। যার প্রেক্ষিতে গেল মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টায় সুন্দরবনের ধানসিদ্ধির চর এলাকায় নানা ভাই বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর মোড়লসহ ১২ জন সক্রিয় ডাকাত সদস্য কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

সুন্দরবনে দস্যু নানা ভাই বাহিনী প্রধানসহ ১২ ডাকাত আত্মসমর্পণ, অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ

প্রকাশিত : ০৬:৩৮:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাগেরহাট প্রতিনিধি: সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু নানা ভাই বাহিনীর প্রধানসহ ১২ সদস্য কোস্টগার্ড বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কোস্টগার্ড বেজ মোংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে এসব দস্যুরা আত্মসমর্পণ করেন।

এসময়, আত্মসমর্পনকারীরা কোস্টগার্ডের কাছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আলোর পথে ফেরা দস্যুদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া শেষে প্রেসব্রিফিংয়ে পুরো প্রক্রিয়া জানান কোস্টগার্ড জাহাজ বিসিজিএস কামরুজ্জামানের নির্বাহী কর্মকর্তা কমান্ডার মোঃ মানসুরুন মাহ্‌দীন।

তিনি বলেন, সুন্দরবনের দস্যু দমনে কোস্টগার্ড নিয়মিত বিভিন্ন অভিযান ও অপারেশন পরিচালনা করছে।

সুন্দরবনে দস্যুরা কোনঠাসা হয়ে পড়েছে। যার প্রেক্ষিতে গেল মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬ টায় সুন্দরবনের ধানসিদ্ধির চর এলাকায় নানা ভাই বাহিনীর প্রধান জাহাঙ্গীর মোড়লসহ ১২ জন সক্রিয় ডাকাত সদস্য কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে।