ক্রীড়া প্রতিবেদক: মাঠের বাইরে টালমাটাল অবস্থা। মাঠের ভেতরে ভালো পারফরম্যান্স করে সেটা ভুলে যেতে চাইছিল তারা। কিন্তু তাদের সমস্যা কাটেনি। যেখানে শেষ হয়েছিল, সেখানেই হলো শুরু। লিডস ও লর্ডসের মতো এজবাস্টনেও ভয়াবহ ব্যাটিং ধস।
প্রথম সেশনেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের শিকার হয়েছে পাকিস্তান। তাদের প্রথম পাঁচ ব্যাটারের সবাই এক অঙ্কের ঘরে থেকে আউট হয়েছেন। সাইম আইয়ুব, আজান আওয়াইস, আব্দুল্লাহ শফিক, শান মাসুদ ও বাবর আজম কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। ১৫ ওভারের মধ্যে ৪৮ রানে ৫ উইকেট হারায় তারা।
এই ধসে টেস্ট ইতিহাসে বিব্রতকর ও অবাঞ্ছিত এক রেকর্ড গড়েছে পাকিস্তান। এনিয়ে ১২তম বার টেস্টে এক ইনিংসে প্রথম পাঁচ ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে না যেতেই আউট হলেন, তবে প্রথম ইনিংসে এমন কিছু ঘটল প্রথমবার। মানে পাকিস্তানই প্রথম দল যাদের প্রথম ইনিংসের শীর্ষ পাঁচ ব্যাটারই এক অঙ্কের ঘরে থেকে মাঠ ছেড়েছেন।
ধসের শুরু হয় সাইমকে দিয়ে। অলি রবিনসনের শিকার হন তিনি ১০ বলে ডাক মেরে। রবিনসন তারপর ৩ রানে শফিককে ফেরান। জোফরা আর্চারের কাছে ৯ ও ৫ রানে উইকেট হারান আজান ও মাসুদ। বাবরও টিকতে পারেননি। ১৮ বলে ৭ রান করে জশ টাংয়ের বলে বোল্ড হন অধিনায়ক। দলের মতো নেতৃত্বেও বাবর ব্যর্থ। লর্ডসে দুই ইনিংসে ৮ ও ৬ রান করেছিলেন। মানে তিন ইনিংসে মাত্র ২১ রান।
ষষ্ঠ ব্যাটার সৌদ শাকিল পাকিস্তানের ইনিংসে প্রথম দুই অঙ্কের ঘরে রান করেন। ৪৩ রান করে তিনিই ছিল সেরা ব্যাটার। এছাড়া রাজাউল্লাহ ১১ ও মোহাম্মদ আব্বাস ২১ রান করেন। পাকিস্তান ১৩৩ রানে অলআউট হয়েছে।
ইংল্যান্ডের পক্ষে টাং সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন। রবিনসন ও আর্চার পান তিনটি করে উইকেট।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















