ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়ার শেরপুরে রাধা রানীর জমাষ্টমী তিথি উপলক্ষে ৩৬তম ৬৪ প্রহর লীলা কীর্তন শুরু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:০৮:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

বগুড়া প্রতিবেদক: বগুড়ার শেরপুরে প্রতিবছরের মতো এবারও শুরু হয়েছে ৬৪ প্রহরব্যাপী (৮ দিন) লীলা কীর্তন। রাধা রানীর জন্মাষ্টমী তিথি উপলক্ষে শ্রী শ্রী গোবিন্দ কাঙ্গাল ভক্তবৃন্দ সান্যাল পাড়া কালাচাঁদ মন্দির অঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন।

আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫ টায় স্থানীয় সংসদ সদস্য গোলাম মোঃ সিরাজ প্রধান অতিথি হিসাবে এই অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

এ সময় শ্রী শ্রী গোবিন্দ কাঙ্গাল ভক্তবৃন্দের সভাপতি রনজিত কৈরির সভাপতিত্বে ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্ট এর শিক্ষক জয়ন্ত চক্রবর্ত্তীর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন, শেরপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র জানে আলম খোকা, বিসিবির (বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড) পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ সিরাজ রব্বানী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবলু, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিন্টু, পৌর বিএনপির সভাপতি স্বাধীন কুমার কুন্ডু, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ জুয়েলসহ দলীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও বাংলাদেশ পুজা উদযাপন ফ্রন্ট শেরপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক জয় কিশোর মুন্সী, সদস্য সচিব জনি দত্ত প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে একটি বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়ে পুরো শহর প্রদক্ষিণ করে। এতে সনাতন ধর্মাবলম্বী অন্তত এক হাজার নারী, পুরুষ ও শিশু কিশোর অংশগ্রহণ করেন।

আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেরপুর পৌরসভার সাবেক পৌর কাউন্সিলর তাপস কুমার মালাকর বলেন, রাত ১২ টায় মঙ্গল ঘট স্থাপন ও মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে ৩৬তম এই অধিবেশনের শুভারম্ভ হবে। শ্রী শ্রী রাধা রানীর জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশের মধ্যে এটি সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে দেশ মাতৃকার শুভকামনা ও বিশ্বশান্তি কল্পে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন হয়ে থাকে।

এই অনুষ্ঠানকে বগুড়া, সাতক্ষীরা, যশোরসহ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের নদীয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা ও বনগাঁ ভারত থেকে কীর্তনীয়া দল এসে লীলা কীর্তন পরিবেশন করবেন। অনুষ্ঠানের দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বী শত শত নরনারী ভক্তবৃন্দের সমাগম ঘটে। ফলে পুরো সপ্তাহজুড়ে সার্বক্ষণিক অন্ন প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

শেরপুর থানার আর প্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মঈনুদ্দীন বলেন, সনাতন সনাতন ধর্মের এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ভক্তবৃন্দের ব্যাপক সমাগম ঘটে। তাই আট দিনব্যাপী সার্বক্ষণিক কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার গ্রহণ করা হয়েছে।

 

বেনাপোলে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

বগুড়ার শেরপুরে রাধা রানীর জমাষ্টমী তিথি উপলক্ষে ৩৬তম ৬৪ প্রহর লীলা কীর্তন শুরু

প্রকাশিত : ০৯:০৮:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বগুড়া প্রতিবেদক: বগুড়ার শেরপুরে প্রতিবছরের মতো এবারও শুরু হয়েছে ৬৪ প্রহরব্যাপী (৮ দিন) লীলা কীর্তন। রাধা রানীর জন্মাষ্টমী তিথি উপলক্ষে শ্রী শ্রী গোবিন্দ কাঙ্গাল ভক্তবৃন্দ সান্যাল পাড়া কালাচাঁদ মন্দির অঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন।

আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫ টায় স্থানীয় সংসদ সদস্য গোলাম মোঃ সিরাজ প্রধান অতিথি হিসাবে এই অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

এ সময় শ্রী শ্রী গোবিন্দ কাঙ্গাল ভক্তবৃন্দের সভাপতি রনজিত কৈরির সভাপতিত্বে ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্ট এর শিক্ষক জয়ন্ত চক্রবর্ত্তীর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন, শেরপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র জানে আলম খোকা, বিসিবির (বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড) পরিচালক ও মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ সিরাজ রব্বানী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবলু, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিন্টু, পৌর বিএনপির সভাপতি স্বাধীন কুমার কুন্ডু, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ জুয়েলসহ দলীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও বাংলাদেশ পুজা উদযাপন ফ্রন্ট শেরপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক জয় কিশোর মুন্সী, সদস্য সচিব জনি দত্ত প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে একটি বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়ে পুরো শহর প্রদক্ষিণ করে। এতে সনাতন ধর্মাবলম্বী অন্তত এক হাজার নারী, পুরুষ ও শিশু কিশোর অংশগ্রহণ করেন।

আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেরপুর পৌরসভার সাবেক পৌর কাউন্সিলর তাপস কুমার মালাকর বলেন, রাত ১২ টায় মঙ্গল ঘট স্থাপন ও মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে ৩৬তম এই অধিবেশনের শুভারম্ভ হবে। শ্রী শ্রী রাধা রানীর জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশের মধ্যে এটি সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে দেশ মাতৃকার শুভকামনা ও বিশ্বশান্তি কল্পে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন হয়ে থাকে।

এই অনুষ্ঠানকে বগুড়া, সাতক্ষীরা, যশোরসহ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের নদীয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা ও বনগাঁ ভারত থেকে কীর্তনীয়া দল এসে লীলা কীর্তন পরিবেশন করবেন। অনুষ্ঠানের দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বী শত শত নরনারী ভক্তবৃন্দের সমাগম ঘটে। ফলে পুরো সপ্তাহজুড়ে সার্বক্ষণিক অন্ন প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

শেরপুর থানার আর প্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মঈনুদ্দীন বলেন, সনাতন সনাতন ধর্মের এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ভক্তবৃন্দের ব্যাপক সমাগম ঘটে। তাই আট দিনব্যাপী সার্বক্ষণিক কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার গ্রহণ করা হয়েছে।