ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষের অ্যাপ্লাইড আইসিটির কারিকুলাম চূড়ান্তকরণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০১:০০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে
গাজীপুর প্রতিনিধিঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষে সব বিষয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘Applied ICT’ আবশ্যিক করা হয়েছে। ইউনিসেফ বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় বিষয়টির কারিকুলাম ব্লেন্ডেড মডেলে তৈরি করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রণীত ম্যানুয়াল রিসোর্স বুকের ভ্যালিডেশন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এবার অনলাইন কনটেন্ট ভ্যালিডেশনের জন্য কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান কর্মশালার উদ্বোধন করেন।
কর্মশালায় ‘Applied ICT’ বিষয়ের পাঠ্যক্রম, শিক্ষাদান পদ্ধতি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে অনলাইন কনটেন্টের মান, ব্যবহারিক শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পাঠদান পদ্ধতি নিয়েও মতামত দেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান বলেন, “বর্তমান সময়ে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির জ্ঞান শিক্ষার্থীদের জন্য অপরিহার্য। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীকে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রের উপযোগী করে গড়ে তুলতে Applied ICT গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ বিষয়টি কার্যকরভাবে চালু করতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন ও বাস্তবভিত্তিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।” “শিক্ষার্থীরা যেন শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন না করে, বাস্তব জীবনে প্রযুক্তির ব্যবহারও শিখতে পারে—এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ইউনিসেফ বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা ‘Applied ICT’ বাস্তবায়নে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন ও বর্তমান কর্মবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অনলাইন কনটেন্ট তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কর্মশালায় ইউনিসেফ বাংলাদেশের চিফ অব এডুকেশন দীপা শংকর, ফাহমিদা শবনমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) আইআইসিটির পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রোকেয়া পারভিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ) মামুন মোর্শেদ, আইসিটি, পেডাগোজি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও সাইকোলজি এক্সপার্টরা কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডিন ড. এ এইচ এম রুহুল কুদ্দুস, শিক্ষক প্রশিক্ষণ দপ্তরের পরিচালক সালমা পারভীন, সিএসই বিভাগের ড. নাজমা তারা, সিস্টেম এনালিস্ট ড. মো. হায়দার আলী, অনলাইন এডুকেশন দপ্তরের পরিচালক মো. কামরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও কর্মশালায় অংশ নেন।

পীরগঞ্জে মাঠ দিবসে হাইব্রিড চিচিঙ্গা চাষের সাফল্য পরিদর্শন করছেন কৃষক

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষের অ্যাপ্লাইড আইসিটির কারিকুলাম চূড়ান্তকরণে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত : ০১:০০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাজীপুর প্রতিনিধিঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) দ্বিতীয় বর্ষে সব বিষয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘Applied ICT’ আবশ্যিক করা হয়েছে। ইউনিসেফ বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় বিষয়টির কারিকুলাম ব্লেন্ডেড মডেলে তৈরি করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রণীত ম্যানুয়াল রিসোর্স বুকের ভ্যালিডেশন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এবার অনলাইন কনটেন্ট ভ্যালিডেশনের জন্য কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান কর্মশালার উদ্বোধন করেন।
কর্মশালায় ‘Applied ICT’ বিষয়ের পাঠ্যক্রম, শিক্ষাদান পদ্ধতি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে অনলাইন কনটেন্টের মান, ব্যবহারিক শিক্ষা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পাঠদান পদ্ধতি নিয়েও মতামত দেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান বলেন, “বর্তমান সময়ে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির জ্ঞান শিক্ষার্থীদের জন্য অপরিহার্য। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীকে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রের উপযোগী করে গড়ে তুলতে Applied ICT গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ বিষয়টি কার্যকরভাবে চালু করতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন ও বাস্তবভিত্তিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।” “শিক্ষার্থীরা যেন শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন না করে, বাস্তব জীবনে প্রযুক্তির ব্যবহারও শিখতে পারে—এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ইউনিসেফ বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
কর্মশালায় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা ‘Applied ICT’ বাস্তবায়নে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন ও বর্তমান কর্মবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অনলাইন কনটেন্ট তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কর্মশালায় ইউনিসেফ বাংলাদেশের চিফ অব এডুকেশন দীপা শংকর, ফাহমিদা শবনমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) আইআইসিটির পরিচালক অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রোকেয়া পারভিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ) মামুন মোর্শেদ, আইসিটি, পেডাগোজি, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও সাইকোলজি এক্সপার্টরা কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ডিন ড. এ এইচ এম রুহুল কুদ্দুস, শিক্ষক প্রশিক্ষণ দপ্তরের পরিচালক সালমা পারভীন, সিএসই বিভাগের ড. নাজমা তারা, সিস্টেম এনালিস্ট ড. মো. হায়দার আলী, অনলাইন এডুকেশন দপ্তরের পরিচালক মো. কামরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও কর্মশালায় অংশ নেন।