অবরোধকারীরা বলেন, নীলফামারী জেলার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন মির্জাগঞ্জ। অথচ এখানে তিতুমীর ও বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের নিয়মিত যাত্রাবিরতি না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। স্টেশনটি জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী কয়েকটি ইউনিয়ন এবং পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও দূরপাল্লায় মালামাল পরিবহনে এ স্টেশন ব্যবহার করেন।তারা আরও বলেন, বর্তমানে স্টেশনটিতে যে ট্রেনটি থামে, সেটিও ২ নম্বর লাইনে দাঁড়ায়। ফলে নিচ থেকে উঁচুতে উঠে ট্রেনে ওঠানামা করতে গিয়ে নারী, বয়স্ক ও সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ অবস্থায় ১ নম্বর লাইনে ট্রেন থামানো জরুরি । মির্জাগঞ্জ রেলস্টেশনে পর্যাপ্ত ট্রেনের যাত্রাবিরতি ও ১ নম্বর লাইনে ট্রেন থামানোসহ তিতুমীর, রূপসা ও বরেন্দ্র ট্রেনকে থামানোর দাবি যদি ৭২ ঘণ্টা মধ্যে মেনে না নেওয়া হয়, তাহলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া রহমত আলী বলেন, আমরা এই এলাকার মানুষ ছাড়া আশপাশের পাঁচ ছয়টি ইউনিয়নের সাধারণ যাত্রীরা এ স্টেশন ব্যবহার করে যাতায়াত করি। অনেক ব্যবসায়ীও এখান থেকে দূরদূরান্তে মালামাল নিয়ে যান। তাই আমাদের প্রধান দাবি, ১ নম্বর লাইনে ট্রেন থামাতে হবে। বর্তমানে যে ট্রেনটি থামে, সেটি ২ নম্বর লাইনে দাঁড়ায় নিচ থেকে ঝুলে ঝুলে ট্রেনে উঠতে গিয়ে নারীসহ সব যাত্রীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
জামাল উদ্দিন বলেন, আমরা আমাদের বাবা-চাচাদের কাছে শুনেছি, একসময় এ স্টেশনে ৩-৪টি ট্রেন থামত। তারা এসব ট্রেনে করে যাতায়াত করতেন। সকালে একটি ও বিকেলে একটি ট্রেন থামত। আমরা এখনো সেই সুবিধা ফিরে পাওয়ার দাবি জানাই। তিতুমীর, বরেন্দ্র ও রূপসা ট্রেনকে ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে থামাতে হবে।
এ বিষয়ে ডোমার রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার রুবেল ইসলাম বাবু বলেন, রুপসা ট্রেনটি সকাল ৬টা থেকে এখানে দাঁড়িয়ে আছে, আমি বিষয়টি জেনেছি প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে চিলাহাটি স্টেশনে রকেট মেইল ট্রেনটি আটকে আছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















