ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

চিন্ময়সহ ৩৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ১২:৩৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • ২১৯ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। এতে সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ মোট ৩৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি জোনের সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান এ প্রতিবেদন জমা দেন।

প্রতিবেদনে তিনি মোট চার আসামিকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেছেন। তারা হলেন গগন দাশ, বিশাল দাশ, রাজ কাপূড ও সুকান্ত দাশ।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত এবং তদন্তে প্রাপ্ত আসামিসহ মোট ৪২ জন ছিল। তাদের মধ্যে এজাহারে উল্লিখিত তিন আসামি এবং তদন্তে প্রাপ্ত এক আসামিকে বাদ দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। আসামিদের মধ্যে এ পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ১৮ জন পলাতক রয়েছেন।

গত বছরের ২৬ নভেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার সময় শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা চিম্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয় তাকে। আদালত জামিন না মঞ্জুর করে চিন্ময় কৃষ্ণকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ নিয়ে বিক্ষোভ করেন ইসকন অনুসারীরা। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান বিক্ষোভকারীরা। ওইদিন দুপুরের পর বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে আদালত এলাকায় মসজিদ-দোকানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা চালান।

একপর্যায়ে ওইদিন বিকেলে আদালতের প্রধান ফটকের বিপরীতে রঙ্গম কনভেনশন হলের গলিতে একদল ইসকন অনুসারীর হাতে খুন হন অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ। এ ঘটনায় গত বছরের ২৯ নভেম্বর দিবাগত রাতে নগরের কোতোয়ালি থানায় ভুক্তভোগী আইনজীবী সাইফুলের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এতে এজাহারে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি একই ঘটনায় পুলিশসহ ভুক্তভোগীরা বাদী হয়ে আরও চারটি মামলা করেন কোতোয়ালি থানায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটা থেকে পায়রা পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটারজুড়ে গণমানববন্ধন ৬ লেন সড়কসহ নানা দাবিতে দক্ষিণাঞ্চলের জন স্রোত

চিন্ময়সহ ৩৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলায়

প্রকাশিত : ১২:৩৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। এতে সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ মোট ৩৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি জোনের সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান এ প্রতিবেদন জমা দেন।

প্রতিবেদনে তিনি মোট চার আসামিকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করেছেন। তারা হলেন গগন দাশ, বিশাল দাশ, রাজ কাপূড ও সুকান্ত দাশ।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত এবং তদন্তে প্রাপ্ত আসামিসহ মোট ৪২ জন ছিল। তাদের মধ্যে এজাহারে উল্লিখিত তিন আসামি এবং তদন্তে প্রাপ্ত এক আসামিকে বাদ দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। আসামিদের মধ্যে এ পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ১৮ জন পলাতক রয়েছেন।

গত বছরের ২৬ নভেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাওয়ার সময় শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা চিম্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয় তাকে। আদালত জামিন না মঞ্জুর করে চিন্ময় কৃষ্ণকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ নিয়ে বিক্ষোভ করেন ইসকন অনুসারীরা। এসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান বিক্ষোভকারীরা। ওইদিন দুপুরের পর বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে আদালত এলাকায় মসজিদ-দোকানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা চালান।

একপর্যায়ে ওইদিন বিকেলে আদালতের প্রধান ফটকের বিপরীতে রঙ্গম কনভেনশন হলের গলিতে একদল ইসকন অনুসারীর হাতে খুন হন অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ। এ ঘটনায় গত বছরের ২৯ নভেম্বর দিবাগত রাতে নগরের কোতোয়ালি থানায় ভুক্তভোগী আইনজীবী সাইফুলের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এতে এজাহারে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি একই ঘটনায় পুলিশসহ ভুক্তভোগীরা বাদী হয়ে আরও চারটি মামলা করেন কোতোয়ালি থানায়।