ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

এ বছর জলাবদ্ধতা কমেছে: ডিএনসিসি প্রশাসক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৩:১৭:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৪০ বার দেখা হয়েছে

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, এ বছর রেকর্ড বৃষ্টিপাতের পরও জলাবদ্ধতার স্থান ও কারণ যথাযথভাবে চিহ্নিত করে কাজ করা এবং গত ছয় মাসে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৯৬ কিলোমিটার খাল খনন ও ২২০ কিলোমিটার নালা পরিষ্কারের ফলে নগরের প্রধান সড়কগুলোতে জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) গুলশানে ঢাকা উত্তর সিটির নগরভবনে “ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএনসিসির উদ্যোগ ও কর্মপরিকল্পনা” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মোহাম্মদ এজাজ বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান থাকায় জলাধার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সে এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন কঠিন হয়ে পড়েছে। এসব প্রকল্প শেষ না হওয়া পর্যন্ত, বিশেষ করে জলাধার পুনরুদ্ধার না হলে স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। আপাতত ওই এলাকায় জলাবদ্ধতার অস্থায়ী সমাধান করা হয়েছে।

ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, ভবিষ্যতে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রকৌশল বিভাগ, ড্রেনেজ সার্কেল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগকে সমন্বিত করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ধানমন্ডি, নাখালপাড়া, কাজীপাড়া-শেওরাপাড়া, মিরপুর, কালশী ও বিমানবন্দর এলাকাসহ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে খাল খনন, নালা নির্মাণ ও পানি নিষ্কাশনের নতুন পথ তৈরির কাজ চলছে। বিশেষ করে কল্যাণপুর, বগার মা, প্যারিস ও কসাইবাড়ি খাল পুনঃখননের কাজ অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এ বি এম সামসুল আলম, প্রধান সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসান প্রমুখ।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-আমেরিকা একে অপরকে সহায়তা করেছে ইতিহাস বিনির্মাণে

এ বছর জলাবদ্ধতা কমেছে: ডিএনসিসি প্রশাসক

প্রকাশিত : ০৩:১৭:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, এ বছর রেকর্ড বৃষ্টিপাতের পরও জলাবদ্ধতার স্থান ও কারণ যথাযথভাবে চিহ্নিত করে কাজ করা এবং গত ছয় মাসে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৯৬ কিলোমিটার খাল খনন ও ২২০ কিলোমিটার নালা পরিষ্কারের ফলে নগরের প্রধান সড়কগুলোতে জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) গুলশানে ঢাকা উত্তর সিটির নগরভবনে “ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএনসিসির উদ্যোগ ও কর্মপরিকল্পনা” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মোহাম্মদ এজাজ বলেন, বিমানবন্দর এলাকায় কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান থাকায় জলাধার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সে এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন কঠিন হয়ে পড়েছে। এসব প্রকল্প শেষ না হওয়া পর্যন্ত, বিশেষ করে জলাধার পুনরুদ্ধার না হলে স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। আপাতত ওই এলাকায় জলাবদ্ধতার অস্থায়ী সমাধান করা হয়েছে।

ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, ভবিষ্যতে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রকৌশল বিভাগ, ড্রেনেজ সার্কেল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগকে সমন্বিত করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ধানমন্ডি, নাখালপাড়া, কাজীপাড়া-শেওরাপাড়া, মিরপুর, কালশী ও বিমানবন্দর এলাকাসহ ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে খাল খনন, নালা নির্মাণ ও পানি নিষ্কাশনের নতুন পথ তৈরির কাজ চলছে। বিশেষ করে কল্যাণপুর, বগার মা, প্যারিস ও কসাইবাড়ি খাল পুনঃখননের কাজ অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এ বি এম সামসুল আলম, প্রধান সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসান প্রমুখ।