ঢাকা ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

তীব্র শীতে ফুটপাতে গরম কাপড় বেচাকেনার হিড়িক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৪:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে
সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: তীব্র শীতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জের রাস্তার পাশে বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাতজুড়ে শীতের পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসিয়েছে দোকানিরা।
পৌষের তীব্র শীত অনুভূত হওয়ায় বিক্রেতারা ফুলহাতা গেঞ্জি, মোটা গেঞ্জি, হুডি, জ্যাকেটসহ নানা ধরনের পোশাক সাজিয়ে বসেছেন।
শুক্রবার (৯জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জের কাচপুর ও চিটাগাং রোড বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফুটপাত ঘুরে দেখা গেছে, শীতের পোশাকের পসরা সাজিয়ে ক্রেতার অপেক্ষায় রয়েছেন বিক্রেতারা।এসব শীতের পোশাকের দাম রাখা হয়েছে ৪০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে।এসব অস্থায়ী দুকানে ক্রেতাদের ও উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।
সরজমিনে কাচপুর ও চিটাগাংরোড এলাকায় ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জ্যাকেট, মোটা গেঞ্জি, কানটুপি, সোয়েটার, মাফলারসহ বিভিন্ন পোশাক বিক্রি হচ্ছে।
খোজ নিয়ে জানা যায়,কাচপুর ও চিটাগাং রোড এর ফুটপাতে অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী শীতের পোশাক নিয়ে বসেছেন।
সেখানে কথা হয় ক্রেতা সালমান মিয়ার সঙ্গে।তিনি জানান, এবার শীতের পোশাকের দাম একটু বেশি।শীত বেশি পড়ায় দাম একটু বেশি।
অপর এক ক্রেতা রাম কানাই শীল (রাজু) জানান,তীব্র শীত নিবারণের জন্য ফুটপাতে পোশাক কিনতে এসেছিলাম।এলেও দাম হতাশ করেছে।তিনি বলেন,ভালো একটি জ্যাকেটের দাম ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা চাইছে, কমানোর কোনো সুযোগ নেই।
ফুটপাতে শীতের কাপড় বিক্রেতা সাব্বির জানান,শীতের শুরু থেকেই পোশাক বিক্রি শুরু করি প্রথমে ক্রেতা কম ছিলো,এখন ভাল ক্রেতা সমাগম হচ্ছে।গত বছরের মতোই দাম রাখা হয়েছে।
এদিকে ফুটপাটের দোকানে বেশিরভাগ ক্রেতাই নিম্নআয়ের মানুষ। বর্তমান বাজার পরিস্থিতির কারণে নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজনও খোলা আকাশের নিচের এই দোকানগুলো থেকে উষ্ণ কাপড় কিনে নিচ্ছেন।
এদিকে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার রাস্তার দুই পাশে বসেছে শীতের নতুন ও পুরোনো কাপড়ের পসরা। এছাড়া মহল্লার অলি-গলি, স্কুলের সামনে ভ্যানগাড়ির ওপরও শীতের কাপড়ের পসরা সাজিয়ে বসেছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা।
বিকেল থেকে নারী-পুরুষ-শিশুসহ ক্রেতারা ভিড় করছেন ফুটপাতের দোকানগুলোতে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বেচাবিক্রি করেন দোকানিরা।
বিক্রেতারা বলছেন, এসব দোকানের পোশাকের দাম জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে। ফলে মার্কেটের দোকানের চেয়ে এখন বেশিরভাগ ক্রেতা ঝুঁকছেন ফুটপাতের দোকানে। তারা এখানে দেখে-শুনে কম দামে নতুন ও পুরোনো কাপড় কিনতে পারেন।
ফুটপাতের দোকানদার আরিফুল বলেন,এখন শীত একটু বাড়ায় এখন মোটামুটি ব্যবসা ভালো হচ্ছে।তবে কেনার চেয়ে ক্রেতারা কাপড় নাড়াচাড়া বেশি করেন।আর দামও বলে কেনার চেয়ে কম।কিছু বলার নেই। কারণ দশজন দেখবে একজন কিনবে। এটা ভেবেই ব্যবসা করছি।
ফুটপাতের দোকানে কাপড় কিনতে আসা মুজাহিদ সানি বলেন, শীত নিবারণের জন্য প্রয়োজন গরম কাপড়। মার্কেটে কাপড়ের দাম বেশি। ফুটপাতে নতুন ও পুরোনো কাপড়ের দাম তুলনামূলক কম, আর দেখতেও খুব ভালো। তাই ফুটপাতের কাপড়ের দোকানে কিনতে এসেছি। যে চাদর ও সোয়েটার আমি এখান থেকে চার শ’ টাকা দিয়ে কিনেছি, সেটা মার্কেটের দোকানে গেলে হাজার-বার শ’ টাকা লাগতো। গরিবের জন্য এই দোকানগুলো অনেক উপকারের।
ভ্যানে ফেরি করে শীতের কাপড় বিক্রি করা সাব্বির সহ কয়েকজন দোকানদার বলেন, এসব কাপড় আমরা ঢাকা সহ বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করে সড়কের পাশে ও বিভিন্ন রাস্তার অলি-গলিতে বিক্রি করি। দাম কম হওয়ায় বেচাকেনা বেশি হচ্ছে।বর্তমানে শীত বাড়ায় এসব কাপড়ের চাহিদাও বেড়েছে।

ঘন কুয়াশা নদী অববাহিকায় , শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকার আভাস

তীব্র শীতে ফুটপাতে গরম কাপড় বেচাকেনার হিড়িক

প্রকাশিত : ০৪:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: তীব্র শীতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জের রাস্তার পাশে বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাতজুড়ে শীতের পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসিয়েছে দোকানিরা।
পৌষের তীব্র শীত অনুভূত হওয়ায় বিক্রেতারা ফুলহাতা গেঞ্জি, মোটা গেঞ্জি, হুডি, জ্যাকেটসহ নানা ধরনের পোশাক সাজিয়ে বসেছেন।
শুক্রবার (৯জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জের কাচপুর ও চিটাগাং রোড বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফুটপাত ঘুরে দেখা গেছে, শীতের পোশাকের পসরা সাজিয়ে ক্রেতার অপেক্ষায় রয়েছেন বিক্রেতারা।এসব শীতের পোশাকের দাম রাখা হয়েছে ৪০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে।এসব অস্থায়ী দুকানে ক্রেতাদের ও উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।
সরজমিনে কাচপুর ও চিটাগাংরোড এলাকায় ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জ্যাকেট, মোটা গেঞ্জি, কানটুপি, সোয়েটার, মাফলারসহ বিভিন্ন পোশাক বিক্রি হচ্ছে।
খোজ নিয়ে জানা যায়,কাচপুর ও চিটাগাং রোড এর ফুটপাতে অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী শীতের পোশাক নিয়ে বসেছেন।
সেখানে কথা হয় ক্রেতা সালমান মিয়ার সঙ্গে।তিনি জানান, এবার শীতের পোশাকের দাম একটু বেশি।শীত বেশি পড়ায় দাম একটু বেশি।
অপর এক ক্রেতা রাম কানাই শীল (রাজু) জানান,তীব্র শীত নিবারণের জন্য ফুটপাতে পোশাক কিনতে এসেছিলাম।এলেও দাম হতাশ করেছে।তিনি বলেন,ভালো একটি জ্যাকেটের দাম ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা চাইছে, কমানোর কোনো সুযোগ নেই।
ফুটপাতে শীতের কাপড় বিক্রেতা সাব্বির জানান,শীতের শুরু থেকেই পোশাক বিক্রি শুরু করি প্রথমে ক্রেতা কম ছিলো,এখন ভাল ক্রেতা সমাগম হচ্ছে।গত বছরের মতোই দাম রাখা হয়েছে।
এদিকে ফুটপাটের দোকানে বেশিরভাগ ক্রেতাই নিম্নআয়ের মানুষ। বর্তমান বাজার পরিস্থিতির কারণে নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজনও খোলা আকাশের নিচের এই দোকানগুলো থেকে উষ্ণ কাপড় কিনে নিচ্ছেন।
এদিকে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার রাস্তার দুই পাশে বসেছে শীতের নতুন ও পুরোনো কাপড়ের পসরা। এছাড়া মহল্লার অলি-গলি, স্কুলের সামনে ভ্যানগাড়ির ওপরও শীতের কাপড়ের পসরা সাজিয়ে বসেছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা।
বিকেল থেকে নারী-পুরুষ-শিশুসহ ক্রেতারা ভিড় করছেন ফুটপাতের দোকানগুলোতে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বেচাবিক্রি করেন দোকানিরা।
বিক্রেতারা বলছেন, এসব দোকানের পোশাকের দাম জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে। ফলে মার্কেটের দোকানের চেয়ে এখন বেশিরভাগ ক্রেতা ঝুঁকছেন ফুটপাতের দোকানে। তারা এখানে দেখে-শুনে কম দামে নতুন ও পুরোনো কাপড় কিনতে পারেন।
ফুটপাতের দোকানদার আরিফুল বলেন,এখন শীত একটু বাড়ায় এখন মোটামুটি ব্যবসা ভালো হচ্ছে।তবে কেনার চেয়ে ক্রেতারা কাপড় নাড়াচাড়া বেশি করেন।আর দামও বলে কেনার চেয়ে কম।কিছু বলার নেই। কারণ দশজন দেখবে একজন কিনবে। এটা ভেবেই ব্যবসা করছি।
ফুটপাতের দোকানে কাপড় কিনতে আসা মুজাহিদ সানি বলেন, শীত নিবারণের জন্য প্রয়োজন গরম কাপড়। মার্কেটে কাপড়ের দাম বেশি। ফুটপাতে নতুন ও পুরোনো কাপড়ের দাম তুলনামূলক কম, আর দেখতেও খুব ভালো। তাই ফুটপাতের কাপড়ের দোকানে কিনতে এসেছি। যে চাদর ও সোয়েটার আমি এখান থেকে চার শ’ টাকা দিয়ে কিনেছি, সেটা মার্কেটের দোকানে গেলে হাজার-বার শ’ টাকা লাগতো। গরিবের জন্য এই দোকানগুলো অনেক উপকারের।
ভ্যানে ফেরি করে শীতের কাপড় বিক্রি করা সাব্বির সহ কয়েকজন দোকানদার বলেন, এসব কাপড় আমরা ঢাকা সহ বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করে সড়কের পাশে ও বিভিন্ন রাস্তার অলি-গলিতে বিক্রি করি। দাম কম হওয়ায় বেচাকেনা বেশি হচ্ছে।বর্তমানে শীত বাড়ায় এসব কাপড়ের চাহিদাও বেড়েছে।