ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৮:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার দেখা হয়েছে
আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
সকাল ১০টায় চট্টগ্রামের একটি হোটেলে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নেওয়ার পর জনসভার উদ্দেশে রওনা দেন তারেক রহমান। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সভাস্থলে উপস্থিত হন তিনি।
বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, এই অঞ্চলের মানুষের একটি বড় দাবি আছে। বিএনপি এর উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। কিন্তু তা সম্পূর্ণ করা যায়নি। এই উদ্যোগে সমগ্র চট্টগ্রামসহ বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে, ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা হবে। কী সেটি, বাণিজ্যিক রাজধানী। ইনশাল্লাহ, বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হলে খালেদা জিয়ার সেই উদ্যোগ আগামী বিএনপি সরকার বাস্তবায়ন করবে।
তিনি বলেন, বিএনপি সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সরকারে গেলে আমরা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করব। তার আগে আপনাদের একটি দায়িত্ব আছে, বিএনপিকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করলে, তাহলেই আমরা পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে পারব।
তারেক রহমান বলেন, অধিকার কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র আবারও শুরু হয়েছে। সজাগ থাকবেন, সতর্ক থাকবেন; আপনাদের অধিকার যাতে কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে।
তিনি বলেন, ১২ তারিখে কখন যাবেন ভোট দিতে? এবার ফজরে গেলে হবে না, তাহাজ্জুতের নামাজ পড়বেন এবং ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজরের নামাজ জামাতে অংশ নেবেন ও এরপর ভোট দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন।
সভায় চট্টগ্রামে বিএনপির প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান।
দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিএনপি কঠোর অবস্থান নেবে বলে জানান বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দুটি বিষয়ে খুব কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। এই দুটি বিষয় জনগণকে প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। এক মানুষের নিরাপত্তা, আমরা কঠোর হস্তে দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করব। আরেকটি বিষয় হলো দুর্নীতি, যে কোনো মূল্যে বিএনপি সরকার দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে।
তারেক রহমান বলেন, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দল যারাই হোক না কেন, তাঁদের সম্পর্কে অনেক কথাই বলতে পারি, দোষত্রুটি তুলে ধরতে পারি; তাতে কি জনগণের কোন উপকার হবে? সমালোচনায় দেশের মানুষের পেট ভরবে না। বিএনপিই একমাত্র দল যারা ক্ষমতায় থেকে দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ করেছে।
তিনি বলেন, আমি দেশে ফিরেই বলেছিলাম, উই হ্যাভ এ প্ল্যান। অর্থাৎ, আমাদের একটি পরিকল্পনা আছে দেশকে নিয়ে, দেশের মানুষেকে নিয়ে। কোটি কোটি যুবসমাজ কর্মসংস্থান চায়। আপনাদের রায়ে ১২ তারিখের ভোটে সরকার গঠনে সক্ষম হলে প্রাইমারিসহ শিক্ষার সব স্তরে পরিবর্তন আনতে চাই। যাতে তরুণ সমাজ শুধু সার্টিফিকেট পাবে না, জীবন শেষে কর্মসংস্থান যাতে সহজেই করে নিতে পারে।
তারেক রহমান আরও বলেন, আমরা বলতে পারি অমুক জায়গায় এত বেডের হাসপাতাল করব। আমরা তা বলতে চাই না। আমরা চাই গ্রামের মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে। এজন্য আমরা এক লাখ হেলথ ওয়ার্কার নিয়োগ দেব। যাতে ঘরে বসে সেবা পাওয়া যায়।
খাল কাটা কর্মসূচির পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রামসহ সারা দেশে জলাবদ্ধতা বড় সমস্যা। সারা বাংলাদেশে খাল-বিল-নদী-নালা বন্ধ হয়ে গেছে। সমগ্র বাংলাদেশে আমরা খালকাটা কর্মসূচি চালু করতে চাই। ইনশাল্লাহ সকলে কাঁধে কোদাল নিয়ে খাল কাটা শুরু করব।
তিনি বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচনে আপনাদের রায়ে নির্বাচিত হলে আমরা ইপিজেডের সংখ্যা বৃদ্ধি করব। যাতে লক্ষ লক্ষ তরুণ চাকরি পায়।
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান

চট্টগ্রামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান

প্রকাশিত : ০৮:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
সকাল ১০টায় চট্টগ্রামের একটি হোটেলে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নেওয়ার পর জনসভার উদ্দেশে রওনা দেন তারেক রহমান। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সভাস্থলে উপস্থিত হন তিনি।
বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, এই অঞ্চলের মানুষের একটি বড় দাবি আছে। বিএনপি এর উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। কিন্তু তা সম্পূর্ণ করা যায়নি। এই উদ্যোগে সমগ্র চট্টগ্রামসহ বহু মানুষের কর্মসংস্থান হবে, ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা হবে। কী সেটি, বাণিজ্যিক রাজধানী। ইনশাল্লাহ, বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হলে খালেদা জিয়ার সেই উদ্যোগ আগামী বিএনপি সরকার বাস্তবায়ন করবে।
তিনি বলেন, বিএনপি সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সরকারে গেলে আমরা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করব। তার আগে আপনাদের একটি দায়িত্ব আছে, বিএনপিকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করলে, তাহলেই আমরা পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে পারব।
তারেক রহমান বলেন, অধিকার কেড়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র আবারও শুরু হয়েছে। সজাগ থাকবেন, সতর্ক থাকবেন; আপনাদের অধিকার যাতে কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে।
তিনি বলেন, ১২ তারিখে কখন যাবেন ভোট দিতে? এবার ফজরে গেলে হবে না, তাহাজ্জুতের নামাজ পড়বেন এবং ভোটকেন্দ্রের সামনে ফজরের নামাজ জামাতে অংশ নেবেন ও এরপর ভোট দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন।
সভায় চট্টগ্রামে বিএনপির প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান।
দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিএনপি কঠোর অবস্থান নেবে বলে জানান বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দুটি বিষয়ে খুব কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। এই দুটি বিষয় জনগণকে প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। এক মানুষের নিরাপত্তা, আমরা কঠোর হস্তে দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করব। আরেকটি বিষয় হলো দুর্নীতি, যে কোনো মূল্যে বিএনপি সরকার দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে।
তারেক রহমান বলেন, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দল যারাই হোক না কেন, তাঁদের সম্পর্কে অনেক কথাই বলতে পারি, দোষত্রুটি তুলে ধরতে পারি; তাতে কি জনগণের কোন উপকার হবে? সমালোচনায় দেশের মানুষের পেট ভরবে না। বিএনপিই একমাত্র দল যারা ক্ষমতায় থেকে দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ করেছে।
তিনি বলেন, আমি দেশে ফিরেই বলেছিলাম, উই হ্যাভ এ প্ল্যান। অর্থাৎ, আমাদের একটি পরিকল্পনা আছে দেশকে নিয়ে, দেশের মানুষেকে নিয়ে। কোটি কোটি যুবসমাজ কর্মসংস্থান চায়। আপনাদের রায়ে ১২ তারিখের ভোটে সরকার গঠনে সক্ষম হলে প্রাইমারিসহ শিক্ষার সব স্তরে পরিবর্তন আনতে চাই। যাতে তরুণ সমাজ শুধু সার্টিফিকেট পাবে না, জীবন শেষে কর্মসংস্থান যাতে সহজেই করে নিতে পারে।
তারেক রহমান আরও বলেন, আমরা বলতে পারি অমুক জায়গায় এত বেডের হাসপাতাল করব। আমরা তা বলতে চাই না। আমরা চাই গ্রামের মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে। এজন্য আমরা এক লাখ হেলথ ওয়ার্কার নিয়োগ দেব। যাতে ঘরে বসে সেবা পাওয়া যায়।
খাল কাটা কর্মসূচির পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রামসহ সারা দেশে জলাবদ্ধতা বড় সমস্যা। সারা বাংলাদেশে খাল-বিল-নদী-নালা বন্ধ হয়ে গেছে। সমগ্র বাংলাদেশে আমরা খালকাটা কর্মসূচি চালু করতে চাই। ইনশাল্লাহ সকলে কাঁধে কোদাল নিয়ে খাল কাটা শুরু করব।
তিনি বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচনে আপনাদের রায়ে নির্বাচিত হলে আমরা ইপিজেডের সংখ্যা বৃদ্ধি করব। যাতে লক্ষ লক্ষ তরুণ চাকরি পায়।