ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

বৈশাখের আগুনরাঙা কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়িয়েছে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৬:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: বৈশাখের রোদেলা দুপুর পেরিয়ে যখন বিকেলের নরম আলো নামে, তখন মৌলভীবাজারের পথঘাট, জনপদ আর হাওরপাড় যেন নতুন করে জেগে ওঠে। আগুনরাঙা কৃষ্ণচূড়া আর বেগুনি জারুলে সেজে ওঠা প্রকৃতি এ সময় মুগ্ধতায় ভরিয়ে তোলে চারপাশের মনমুগ্ধকর চারিপাশ।
শহরের ব্যস্ত সড়ক, গ্রামের মেঠুপথ, নদীর পাড় কিংবা হাওরের ধারে চোখ মেললেই দেখা যায় ফুলে ভরা কৃষ্ণচূড়া গাছ। লাল পাপড়িগুলো বাতাসে দুলতে দুলতে কানে কানে বলে যায় ঋতু বদলের গল্প। কোথাও একা দাঁড়িয়ে আছে কৃষ্ণচূড়া, কোথাও পাশে জারুল, সোনালু কিংবা অন্য ফুলগাছ মিলিয়ে একত্রিত হয়ে মেলবন্ধনে মধ্যে সাজিয়ে তুলেছে রঙের উৎসব।
মৌলভীবাজার শহর, শ্রীমঙ্গল, রাজনগর ও কমলগঞ্জ উপজেলার নানা এলাকায় এখন কৃষ্ণচূড়ার সৌন্দর্য চোখে পড়ছে। পথচলতি মানুষ একটু থেমে তাকাচ্ছেন, কেউ ছবি তুলছেন, কেউবা নিঃশব্দে উপভোগ করছেন প্রকৃতির এই অপার আয়োজন।
প্রকৃতিপ্রেমী সত্যজিৎ দাস বলেন, বৈশাখে যখন রক্তে ভেজা লালের গালিচা বিছিয়ে কৃষ্ণচূড়া ফোটে, তখন মনে হয় প্রকৃতি নিজেই উৎসবে মেতে উঠেছে। এই সৌন্দর্য্য মানুষকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্নে আনন্দ দেয়।
মাইজগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস আহমদ বলেন, বিদ্যালয়ের পুরোনো কৃষ্ণচূড়া গাছগুলোতে এখন ফুলে ফুলে ভরে গেছে। ওপরে তাকালে মনে হয় আকাশ লাল হয়ে আছে, নিচে তাকালে মনে হয় কেউ লাল গালিচা বিছিয়ে রেখেছে।
প্রকৃতির এই রঙিন সাজ বেশিদিন থাকে না। কয়েক দিনের মধ্যেই ঝরে যাবে লাল পাপড়ি, মুছে যাবে এই উৎসবের রং। তবু যতদিন থাকে, ততদিন কৃষ্ণচূড়া যেন মানুষকে মনে করিয়ে দেয়—সবচেয়ে সুন্দর জিনিসগুলোই হয়তো ক্ষণস্থায়ী হয়ে আমাদের মাঝে প্রস্ফুটিত হয়।
জনপ্রিয় সংবাদ

আবারও ১৬ বছর পর সম্প্রচারে ফিরছে চ্যানেল ওয়ান

বৈশাখের আগুনরাঙা কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়িয়েছে

প্রকাশিত : ০৬:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: বৈশাখের রোদেলা দুপুর পেরিয়ে যখন বিকেলের নরম আলো নামে, তখন মৌলভীবাজারের পথঘাট, জনপদ আর হাওরপাড় যেন নতুন করে জেগে ওঠে। আগুনরাঙা কৃষ্ণচূড়া আর বেগুনি জারুলে সেজে ওঠা প্রকৃতি এ সময় মুগ্ধতায় ভরিয়ে তোলে চারপাশের মনমুগ্ধকর চারিপাশ।
শহরের ব্যস্ত সড়ক, গ্রামের মেঠুপথ, নদীর পাড় কিংবা হাওরের ধারে চোখ মেললেই দেখা যায় ফুলে ভরা কৃষ্ণচূড়া গাছ। লাল পাপড়িগুলো বাতাসে দুলতে দুলতে কানে কানে বলে যায় ঋতু বদলের গল্প। কোথাও একা দাঁড়িয়ে আছে কৃষ্ণচূড়া, কোথাও পাশে জারুল, সোনালু কিংবা অন্য ফুলগাছ মিলিয়ে একত্রিত হয়ে মেলবন্ধনে মধ্যে সাজিয়ে তুলেছে রঙের উৎসব।
মৌলভীবাজার শহর, শ্রীমঙ্গল, রাজনগর ও কমলগঞ্জ উপজেলার নানা এলাকায় এখন কৃষ্ণচূড়ার সৌন্দর্য চোখে পড়ছে। পথচলতি মানুষ একটু থেমে তাকাচ্ছেন, কেউ ছবি তুলছেন, কেউবা নিঃশব্দে উপভোগ করছেন প্রকৃতির এই অপার আয়োজন।
প্রকৃতিপ্রেমী সত্যজিৎ দাস বলেন, বৈশাখে যখন রক্তে ভেজা লালের গালিচা বিছিয়ে কৃষ্ণচূড়া ফোটে, তখন মনে হয় প্রকৃতি নিজেই উৎসবে মেতে উঠেছে। এই সৌন্দর্য্য মানুষকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্নে আনন্দ দেয়।
মাইজগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস আহমদ বলেন, বিদ্যালয়ের পুরোনো কৃষ্ণচূড়া গাছগুলোতে এখন ফুলে ফুলে ভরে গেছে। ওপরে তাকালে মনে হয় আকাশ লাল হয়ে আছে, নিচে তাকালে মনে হয় কেউ লাল গালিচা বিছিয়ে রেখেছে।
প্রকৃতির এই রঙিন সাজ বেশিদিন থাকে না। কয়েক দিনের মধ্যেই ঝরে যাবে লাল পাপড়ি, মুছে যাবে এই উৎসবের রং। তবু যতদিন থাকে, ততদিন কৃষ্ণচূড়া যেন মানুষকে মনে করিয়ে দেয়—সবচেয়ে সুন্দর জিনিসগুলোই হয়তো ক্ষণস্থায়ী হয়ে আমাদের মাঝে প্রস্ফুটিত হয়।