ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

খুলনার রূপসায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ৩ বার দেখা হয়েছে

খুলনা প্রতিনিধি: খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মিজ সিফাত বলেছেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন শান্তি, মানবতা ও বিশ্বভ্রাতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর জীবন ও সাহিত্য আজও মানবতার পথচলায় এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা হয়ে জ্বলছে। রবীন্দ্রনাথ শুধু বাংলার কবি নন, তিনি ছিলেন বিশ্বমানবের কণ্ঠস্বর। তাঁর লেখনীর ছোঁয়ায় বাংলার মাটি, মানুষের সুখ-দুঃখ, প্রেম-বিরহ যেমন জীবন্ত হয়ে উঠেছে, তেমনি বিশ্বমানবতার চিরন্তন আহ্বানও প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

তিনি বলেন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যকে কখনো নিছক বিনোদনের উপকরণ হিসেবে দেখেননি। তাঁর কলম সবসময় অন্যায়, অবিচার, হিংসা ও সংকীর্ণতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষায় উচ্চারিত হয়েছে। মানুষের মুক্তচিন্তা, সাম্য ও সম্প্রীতির পক্ষে তিনি আজীবন ছিলেন সোচ্চার। তাঁর কবিতা, গান, গল্প ও প্রবন্ধে বারবার ফুটে উঠেছে মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ এবং এক শান্তিময় পৃথিবীর স্বপ্ন।
শুক্রবার ৮ মে বিকালে রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও খুলনা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক মোঃ আব্দুল মান্নান।


অনুষ্ঠানের আলোচ্য বিষয় ছিল শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ। খুলনা স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মোঃ মেহেদী হাসান,জান্নাতুন নাঈম, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর, রূপসা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক,ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এসএম আঃ মালেক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মঙ্গলদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের একাডেমিক সুপারভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডল, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, রূপসা রিপোর্টার্স ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফ.ম.আইয়ুব আলী, রূপসা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি কৃষ্ণ গোপাল সেনসহ সাংবাদিকবৃন্দ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, হিসাবরক্ষক মদন কুমার দাস, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, অধ্যক্ষ অজিত সরকার, হিল্লোল মুখার্জি, বিএনপি নেতা মিকাইল বিশ্বাস, আরিফ মোল্যা, রবী ঠাকুরের বংশধর গোপাল কুশারি, প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণপদ রায়, রূপসা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ বসু, প্রকৌশলী সুখেন রায়, মহিতোষ ভট্টাচার্য, সহকারী অধ্যাপক সুদীপ্ত কুমার মহলী, প্রধান শিক্ষক যশোমন্ত ধর, সহঃ অধ্যাপক পূর্নেন্দু মন্ডল, সঞ্জিব সরকার, পলাশ চন্দ্র রায়, অরুন কুশারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

খুলনার রূপসায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত : ০৯:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

খুলনা প্রতিনিধি: খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মিজ সিফাত বলেছেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন শান্তি, মানবতা ও বিশ্বভ্রাতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর জীবন ও সাহিত্য আজও মানবতার পথচলায় এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা হয়ে জ্বলছে। রবীন্দ্রনাথ শুধু বাংলার কবি নন, তিনি ছিলেন বিশ্বমানবের কণ্ঠস্বর। তাঁর লেখনীর ছোঁয়ায় বাংলার মাটি, মানুষের সুখ-দুঃখ, প্রেম-বিরহ যেমন জীবন্ত হয়ে উঠেছে, তেমনি বিশ্বমানবতার চিরন্তন আহ্বানও প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

তিনি বলেন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যকে কখনো নিছক বিনোদনের উপকরণ হিসেবে দেখেননি। তাঁর কলম সবসময় অন্যায়, অবিচার, হিংসা ও সংকীর্ণতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষায় উচ্চারিত হয়েছে। মানুষের মুক্তচিন্তা, সাম্য ও সম্প্রীতির পক্ষে তিনি আজীবন ছিলেন সোচ্চার। তাঁর কবিতা, গান, গল্প ও প্রবন্ধে বারবার ফুটে উঠেছে মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ এবং এক শান্তিময় পৃথিবীর স্বপ্ন।
শুক্রবার ৮ মে বিকালে রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও খুলনা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক মোঃ আব্দুল মান্নান।


অনুষ্ঠানের আলোচ্য বিষয় ছিল শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ। খুলনা স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মোঃ মেহেদী হাসান,জান্নাতুন নাঈম, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর, রূপসা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক,ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক এসএম আঃ মালেক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মঙ্গলদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন অতিথিবৃন্দ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের একাডেমিক সুপারভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডল, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, রূপসা রিপোর্টার্স ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফ.ম.আইয়ুব আলী, রূপসা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি কৃষ্ণ গোপাল সেনসহ সাংবাদিকবৃন্দ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, হিসাবরক্ষক মদন কুমার দাস, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম তরফদার, অধ্যক্ষ অজিত সরকার, হিল্লোল মুখার্জি, বিএনপি নেতা মিকাইল বিশ্বাস, আরিফ মোল্যা, রবী ঠাকুরের বংশধর গোপাল কুশারি, প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণপদ রায়, রূপসা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ বসু, প্রকৌশলী সুখেন রায়, মহিতোষ ভট্টাচার্য, সহকারী অধ্যাপক সুদীপ্ত কুমার মহলী, প্রধান শিক্ষক যশোমন্ত ধর, সহঃ অধ্যাপক পূর্নেন্দু মন্ডল, সঞ্জিব সরকার, পলাশ চন্দ্র রায়, অরুন কুশারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।