ঢাকা ১০:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এখন থেকে ন্যুনতম পক্ষে ৫০ ভাগ মামলা গাড়ির মালিককে না দিয়ে চালকের বিরুদ্ধে করা হবে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৯:১৩:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ১৫৬ বার দেখা হয়েছে

এখন থেকে ন্যুনতম পক্ষে ৫০ ভাগ মামলা গাড়ির মালিককে না দিয়ে চালকের বিরুদ্ধে করা হবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার(ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান।

মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

মি. রহমান বলেন, “গাড়িটা চালায় হচ্ছে চালক, কিন্তু দেখা যায় যে, চালক ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।”

চালককে মামলা দিলে দুই ধরনের ঘটনা ঘটবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “একটা হচ্ছে তাকে তো জরিমানার টাকা দিতে হবে, আরেকটা হচ্ছে ডিমেরিটস পদ্ধতিতে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে পয়েন্ট কাটা যাবে।”

এর ফলে গাড়ির মালিক পরবর্তীতে একজন চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট যাচাই করে তাকে চাকুরিতে নিয়োগ দিতে পারবেন বলে জানান তিনি।

ভুয়া মামলা কি না সেটি কিভাবে বোঝা যাবে এমন প্রসঙ্গে তিনি জানান, “আমাদের তরফ থেকে কোনদিন আপনাদের কোন পাসওয়ার্ড বা কোড নম্বর কোন কিছু চাওয়া হবে না। আপনার কাছে যে চিঠি যাবে ওই চিঠিতে আমাদের আটটা ডিভিশনের অফিসারদের স্বাক্ষর আছে।”

একইসঙ্গে ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিটের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর থাকবে মামলার কপিতে, বলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

শীঘ্রই গাড়ির নম্বরপ্লেট সঠিক, পরিষ্কার লেখা রয়েছে কিনা সেটি যাচাই করতে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান মি. রহমান।

সামুদ্রিক নীতির কার্যকর বাস্তবায়নে সরকারের গুরুত্বারোপ :প্রধানমন্ত্রী

এখন থেকে ন্যুনতম পক্ষে ৫০ ভাগ মামলা গাড়ির মালিককে না দিয়ে চালকের বিরুদ্ধে করা হবে

প্রকাশিত : ০৯:১৩:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

এখন থেকে ন্যুনতম পক্ষে ৫০ ভাগ মামলা গাড়ির মালিককে না দিয়ে চালকের বিরুদ্ধে করা হবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার(ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমান।

মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

মি. রহমান বলেন, “গাড়িটা চালায় হচ্ছে চালক, কিন্তু দেখা যায় যে, চালক ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।”

চালককে মামলা দিলে দুই ধরনের ঘটনা ঘটবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “একটা হচ্ছে তাকে তো জরিমানার টাকা দিতে হবে, আরেকটা হচ্ছে ডিমেরিটস পদ্ধতিতে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে পয়েন্ট কাটা যাবে।”

এর ফলে গাড়ির মালিক পরবর্তীতে একজন চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট যাচাই করে তাকে চাকুরিতে নিয়োগ দিতে পারবেন বলে জানান তিনি।

ভুয়া মামলা কি না সেটি কিভাবে বোঝা যাবে এমন প্রসঙ্গে তিনি জানান, “আমাদের তরফ থেকে কোনদিন আপনাদের কোন পাসওয়ার্ড বা কোড নম্বর কোন কিছু চাওয়া হবে না। আপনার কাছে যে চিঠি যাবে ওই চিঠিতে আমাদের আটটা ডিভিশনের অফিসারদের স্বাক্ষর আছে।”

একইসঙ্গে ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিটের কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর থাকবে মামলার কপিতে, বলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

শীঘ্রই গাড়ির নম্বরপ্লেট সঠিক, পরিষ্কার লেখা রয়েছে কিনা সেটি যাচাই করতে অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান মি. রহমান।