ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

কুয়াকাটায় ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত : ০৫:৫২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। পটুয়াখালী জেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে ৮ জুন (সোমবার) দুপুরে হোটেল গ্রেভার ইন হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে মৎস্য বন্দর আলীপুর, মহিপুর ও কুয়াকাটার প্রায় দেড় শতাধিক জেলে এবং আড়তদার ও মৎস্যজীবিরা এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার নন্দী’র সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক মোঃ কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল উপ বিভাগীয় পরিচালক মোঃ মহসিন, দুমকী ও মির্জাগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহফুজুর রহমান, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু, সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির প্রমুখ।
সেমিনার সঞ্চালনা করেন কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা।

সেমিনারে বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক ৫ বছর মেয়াদি ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় গৃহীত নানা প্রকল্পের বিষয়ে জেলে ও মৎস্যজীবিদের অবহিত করেন মৎস্য কর্মকর্তারা।
এ সময় জেলে সমিতি ও আড়তদার সমিতির নেতা নিজাম শেখ, কামাল হোসেন, সোবহান মাঝি, নুরজামাল, কুয়াকাটা পৌরসভার কাউন্সিলর সাবের আহমেদ সহ সেমিনারে অংশগ্রহণকারী জেলেরা সমুদ্রে ঝুঁকি মোকাবিলায় ঝুঁকি ভাতা প্রদান, সমুদ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোস্ট রেডিও স্থাপন, উদ্ধার যান, শতভাগ প্রণোদনা সহ নানা দাবী জানান। জেলেদের এসব দাবির প্রেক্ষিতে মৎস্য কর্মকর্তারা বিষয়টি সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানান।
সেমিনারে বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক মোঃ কামরুল হাসান জেলেদের উদ্দেশ্য বলেন, সমুদ্রে মৎস্য আহরন ও বিপননের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছেন জেলেরা। তাই সরকার ইলিশ সম্পদ উন্নয়নের পাশাপাশি জেলেদের উন্নয়নে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ৫ বছর মেয়াদি প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। সমুদ্রে মাছ শিকারে গিয়ে নিখোঁজ বা মৃত জেলে পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও অবরোধকালীন সময়ে প্রণোদনা দেয়া, অসচ্ছল জেলেদের গরু প্রদান, জাল ও মৎস্য সরঞ্জাম দেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, অবরোধকালীন সময়ে জেলেদের শতভাগ প্রণোদনার আওতায় আনতে কাজ করছে সরকার।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, গত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ৫ লাখ ৭১ টন ইলিশ আহরণ হয়েছে। যা সরকারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম। ইলিশ রপ্তানির মাধ্যমে প্রতিবছর ৩০০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে।যা জিডিপির মাত্র ১ভাগ। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির মধ্যদিয়ে মৎস্য খাতে বিপুল সংখ্যক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে। এর মুল চাবিকাঠি হচ্ছেন জেলেরা।
এসময় ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে জাটকা ইলিশ নিধন সহ ছোট ফাঁসের জাল ব্যবহার বন্ধের আহবান জানান জেলেদের বক্তারা।

ওমান উপকূলে ২৪ ভারতীয় নাবিকসহ তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন

কুয়াকাটায় ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত : ০৫:৫২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। পটুয়াখালী জেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে ৮ জুন (সোমবার) দুপুরে হোটেল গ্রেভার ইন হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে মৎস্য বন্দর আলীপুর, মহিপুর ও কুয়াকাটার প্রায় দেড় শতাধিক জেলে এবং আড়তদার ও মৎস্যজীবিরা এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার নন্দী’র সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক মোঃ কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল উপ বিভাগীয় পরিচালক মোঃ মহসিন, দুমকী ও মির্জাগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহফুজুর রহমান, কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু, সাধারণ সম্পাদক হোসাইন আমির প্রমুখ।
সেমিনার সঞ্চালনা করেন কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা।

সেমিনারে বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক ৫ বছর মেয়াদি ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় গৃহীত নানা প্রকল্পের বিষয়ে জেলে ও মৎস্যজীবিদের অবহিত করেন মৎস্য কর্মকর্তারা।
এ সময় জেলে সমিতি ও আড়তদার সমিতির নেতা নিজাম শেখ, কামাল হোসেন, সোবহান মাঝি, নুরজামাল, কুয়াকাটা পৌরসভার কাউন্সিলর সাবের আহমেদ সহ সেমিনারে অংশগ্রহণকারী জেলেরা সমুদ্রে ঝুঁকি মোকাবিলায় ঝুঁকি ভাতা প্রদান, সমুদ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোস্ট রেডিও স্থাপন, উদ্ধার যান, শতভাগ প্রণোদনা সহ নানা দাবী জানান। জেলেদের এসব দাবির প্রেক্ষিতে মৎস্য কর্মকর্তারা বিষয়টি সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানান।
সেমিনারে বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক মোঃ কামরুল হাসান জেলেদের উদ্দেশ্য বলেন, সমুদ্রে মৎস্য আহরন ও বিপননের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছেন জেলেরা। তাই সরকার ইলিশ সম্পদ উন্নয়নের পাশাপাশি জেলেদের উন্নয়নে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ৫ বছর মেয়াদি প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। সমুদ্রে মাছ শিকারে গিয়ে নিখোঁজ বা মৃত জেলে পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও অবরোধকালীন সময়ে প্রণোদনা দেয়া, অসচ্ছল জেলেদের গরু প্রদান, জাল ও মৎস্য সরঞ্জাম দেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, অবরোধকালীন সময়ে জেলেদের শতভাগ প্রণোদনার আওতায় আনতে কাজ করছে সরকার।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, গত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ৫ লাখ ৭১ টন ইলিশ আহরণ হয়েছে। যা সরকারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম। ইলিশ রপ্তানির মাধ্যমে প্রতিবছর ৩০০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে।যা জিডিপির মাত্র ১ভাগ। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির মধ্যদিয়ে মৎস্য খাতে বিপুল সংখ্যক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে। এর মুল চাবিকাঠি হচ্ছেন জেলেরা।
এসময় ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে জাটকা ইলিশ নিধন সহ ছোট ফাঁসের জাল ব্যবহার বন্ধের আহবান জানান জেলেদের বক্তারা।